বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

পুত্রের কারাবাস, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জ জেলগেটে দ্বিতীয়বার বাবার লাশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পুত্রের কারাবাস, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জ জেলগেটে দ্বিতীয়বার বাবার লাশ

কিশোরগঞ্জে প্যারোলে মুক্তি না পাওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো এক আসামিকে বাবার লাশ কারাগারের গেটে নিয়ে যেতে হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার পানাউল্লারচর গ্রামের মিলন মিয়া (৪৫)-এর বাবা ফুল মিয়া (৭০)-এর মরদেহ একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগার-১ এ নিয়ে যাওয়া হয়।

আসামির চাচা আতাউর রহমান জানান, তার ভাই ফুল মিয়া ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি সোমবার ভৈরবের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুর পর মিলন মিয়াকে বাবার জানাজায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে জেলা প্রশাসকের কাছে প্যারোলের আবেদন করা হলেও তা নামঞ্জুর করা হয়। পরিবর্তে মরদেহ কারাগারের গেটে নিয়ে দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, মরদেহ কারাগারে নেওয়ার পর শুধু তাকেই ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। অন্য কোনো স্বজনকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। কারাগার থেকে বের হয়ে তিনি বলেন, “যেখানে আমাদের এখন জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা ছিল, সেখানে বাড়ি থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে বাবার লাশ নিয়ে কারাগারের গেটে আসতে হয়েছে।”

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার রিতেশ চাকমা বলেন, মিলন মিয়াকে গত ১৪ ডিসেম্বর একটি রাজনৈতিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্যারোল দেওয়ার বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে না। এটি সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সিদ্ধান্তের বিষয়।

আসামির আইনজীবী জানান, মিলন মিয়া কোনো সুনির্দিষ্ট মামলায় আটক নন। ১৪ ডিসেম্বর গ্রেফতারের পর ১৯ ডিসেম্বর তিনি জামিন পেলেও পরবর্তীতে আরেকটি মামলায় তাকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়।

এর আগে গত বছরের ৩ ডিসেম্বর পাকুন্দিয়া উপজেলার আরেক আসামির বাবার মৃত্যু হলে তার মরদেহও কারাগারের গেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী আহসানউল্লাহ বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী কোনো আসামির পরিবারের সদস্যের মৃত্যু হলে প্যারোলে মুক্তির সুযোগ রয়েছে। কিন্তু ইদানীং বিভিন্ন অজুহাতে সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবেন।

ঐক্যবদ্ধ বিএনপিতে কিশোরগঞ্জে চাঙা ধানের শীষ, নির্বাচনে নতুন সমীকরণ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
ঐক্যবদ্ধ বিএনপিতে কিশোরগঞ্জে চাঙা ধানের শীষ, নির্বাচনে নতুন সমীকরণ

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ ইউনিয়নের সগড়া এলাকায় ধানের শীষের এক জনসভা বিএনপির নেতাকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। জনসভায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর এলাকার জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেলের উপস্থিতি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

গত ৪ ডিসেম্বর বিএনপি থেকে কিশোরগঞ্জ-১ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়ার পর থেকেই দলটির ভেতরে এক ধরনের বিভাজন দেখা দেয়। তবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই জনসভাকে কেন্দ্র করে সেই খণ্ডিত বিএনপি আংশিকভাবে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নেতৃত্বে মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে রাজপথে আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা ভিপি সোহেল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক কারণে ঢাকায় অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়ায় তিনি দীর্ঘদিন কিশোরগঞ্জে ফিরতে পারেননি।

এদিকে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় কিশোরগঞ্জ সদর ও হোসেনপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে বিএনপির নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দ্বিধাবিভক্ত অবস্থা তৈরি হয়। দীর্ঘদিন একসঙ্গে আন্দোলনে থাকা অনেক নেতার নীরবতার কারণে বিএনপির দলীয় প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে মাঠের প্রচারণাও ছিল তুলনামূলকভাবে নিষ্ক্রিয়।

অন্যদিকে অতীতে দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করা চুন্নু কৌশলী প্রচারণার মাধ্যমে এলাকায় বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। জামায়াতের কোনো প্রার্থী না থাকায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে তেমন শক্তিশালী মনে করা হচ্ছিল না। ফলে নির্বাচনী মাঠ একসময় মোরগ প্রতীকের দিকেই ঝুঁকে পড়েছিল বলে স্থানীয়দের ধারণা।

তবে সদর উপজেলার রাজনীতিতে প্রভাবশালী নেতা ভিপি সোহেলের জনসভায় উপস্থিতি নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মোড় এনে দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

জনসভায় কিশোরগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম ও সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ভিপি সোহেল ছাড়াও বক্তব্য দেন সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ফরিদ উদ্দিন মাসুদ সোহেল, সাধারণ সম্পাদক হাজী ইসরাইল, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুশতাক আহমেদ শাহীনসহ স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।

কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

বাঁ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান ইকবাল, বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর অধ্যাপক রমজান আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পর থেকে একসময় মুসলিম লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি পরবর্তী সময়ে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেলেও এবারের নির্বাচনে দলটির ভেতরেই বড় ধরনের বিভাজন দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তৃণমূলে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ড, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে দুই উপজেলাতেই তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “দল আমাকে মূল্যায়ন করছিল। কিন্তু অন্য দলের একজন প্রার্থী তার দলের নিবন্ধন না থাকায় রাতের আঁধারে নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে আমার মার্কা লুট করে নিয়েছে। এই বিচারের ভার আমি বাজিতপুর–নিকলীর জনগণের হাতে তুলে দিলাম। দুই যুগের বেশি সময় ধরে পরিবার-পরিজনের খোঁজ না নিয়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হচ্ছে—এটা আমার জন্য হৃদয়ের রক্তক্ষরণের মতো।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

প্রথমদিকে কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, সৈয়দ এহসানুল হুদার দল বাংলাদেশ জাতীয় দল নিবন্ধন না থাকায় গত ২২ ডিসেম্বর দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপিতে যোগ দেয়। এরপর তিনি ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান।

উঠান বৈঠকে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি বাজিতপুর–নিকলীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবেন। তবে মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় ভোটাররা। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির ভেতরে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে। একাংশ ধানের শীষের পক্ষে থাকলেও তৃণমূলের বড় একটি অংশ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হাঁস প্রতীক বরাদ্দ পান। এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিএনপি থেকে একাধিক ধাপে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫৮জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পরও মাঠে ইকবালের পক্ষে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে মাঠ চাঙা করার চেষ্টা চললেও তা আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষের ধারণা—বিএনপির ভোট এবার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যা ধানের শীষের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

এদিকে ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনীত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দিন-রাত মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি দুই উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভোটারদের সমর্থন চাইছেন। উঠান বৈঠকে অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, নির্বাচিত হলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জলমহাল জনগণের জন্য উন্মুক্ত করবেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান ও সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম দলীয় নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে দিঘীরপাড়–পাটুলি এলাকায় চামড়ার ট্যানারি স্থাপনসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।

এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি থেকে মাহবুব আলম (নাঙ্গল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে মো. সাজ্জাদ হোসেন (হারিকেন) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মো. অলিউল্লাহ (মোমবাতি) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের বাস্তবতায় হাঁস, ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা—এই তিন প্রতীকের মধ্যেই মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তে এসে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে ঐক্যের ডাক, জমে উঠেছে নির্বাচন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে বিএনপিতে ঐক্যের ডাক, জমে উঠেছে নির্বাচন