রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল-এর কলম

নির্বাচনের প্রস্তুতি, মিত্রদের দাবি এবং বিএনপির নেতৃত্বের ত্যাগ

সম্পাদকীয় ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:২৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নির্বাচনের প্রস্তুতি, মিত্রদের দাবি এবং বিএনপির নেতৃত্বের ত্যাগ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে বিএনপিতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে পূর্ণাঙ্গভাবে। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এখন বিএনপির কৌশল এবং মিত্র দলের সঙ্গে সমন্বয়ের প্রক্রিয়া অনেকটাই নজর কেড়েছে। জানা যাচ্ছে, দলটি শুধু নিজেদের প্রার্থী নির্বাচনে দাঁড় করাচ্ছে না, বরং মিত্র রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে নির্বাচনী মাঠে শক্তিশালী অবস্থান নিতে চাইছে। মিত্রদের মধ্যে শতাধিক আসনের দাবি উঠেছে, যা প্রমাণ করছে দলটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং অংশীদারিত্ব এবং রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার বিষয়েও অত্যন্ত সচেতন।

বিএনপির এই অবস্থান কেবল আজকের নয়, এটি দলের দীর্ঘ ইতিহাস ও আদর্শের ফলাফল। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নেতৃত্বে গঠিত বিএনপি দেশের গণতান্ত্রিক নীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক শক্ত ভিত্তি স্থাপন করে। জিয়াউর রহমান ছিলেন সাহসী ও দূরদর্শী নেতা, যিনি কঠিন সময়েও দেশের মানুষকে স্থিতিশীলতা ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করেছিলেন। তার নেতৃত্বে গঠিত দল আজও তার আদর্শ ও দর্শনের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তার সাহসিকতা, দূরদর্শিতা এবং দেশের জন্য অননুপ্রাণিত ত্যাগ রাজনৈতিক নেতৃত্বের এক নিদর্শন।

পরবর্তীতে, দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া। কঠিন সময়ের রাজনৈতিক চাপ, দমন-পীড়ন ও কারাবাস—এসব সত্ত্বেও তিনি দলের নেতৃত্ব ধরে রাখেন এবং দেশের গণতন্ত্র রক্ষার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তাঁর দৃঢ় মনোবল, সাহস এবং ত্যাগ বিএনপির মূল শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। বেগম জিয়ার নেতৃত্বে দল দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও নির্বাচনী সমীকরণে সঠিক সমন্বয় এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছে।

বর্তমান প্রজন্মের নেতৃত্বে তারেক জিয়া দলের আধুনিকীকরণ, মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় এবং নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরি করার কাজ করছেন। তারেক জিয়ার উদ্যোগ বিএনপির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করেছে। তিনি মিত্র দল ও জোটের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করে দলের লক্ষ্য, আদর্শ এবং নির্বাচনী কৌশলকে মেলাতে সচেষ্ট।

সংবাদ অনুযায়ী, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি, গণফোরাম, গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোট এবং জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট শতাধিক আসনের দাবি তুলেছে। এই প্রক্রিয়ায় বিএনপি প্রথমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা যাচাই-বাছাই করছে এবং মাঠে তাদের প্রচারণার জন্য সবুজ সংকেত দিচ্ছে। এটি কেবল ভোট সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা নয়, বরং দলের আদর্শ, নৈতিকতা এবং রাজনৈতিক দায়িত্ববোধের এক প্রকাশ।

মিত্র দলের সঙ্গে সমন্বয় এবং শতাধিক আসনের বরাদ্দ প্রদর্শন করছে বিএনপির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং নেতৃত্বের প্রগাঢ়তার প্রতিফলন। এটি নির্দেশ করছে যে, দল শুধু নির্বাচনে জেতার জন্য নয়, দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্বও নিয়েছে। মিত্র দলের সঙ্গে অংশীদারিত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে বিএনপি রাজনৈতিক ভারসাম্য এবং দেশপ্রেমের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

বিএনপির ইতিহাসে দেখা যায় যে, দলটি কখনোই স্বার্থপর রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়নি। দেশের জন্য ত্যাগ, নেতাদের সাহসিকতা এবং আদর্শের জন্য তাদের স্থির প্রতিশ্রুতি দলের মূল ভিত্তি। জিয়াউর রহমানের দূরদর্শিতা, বেগম খালেদা জিয়ার দৃঢ়তা এবং তারেক জিয়ার নেতৃত্ব একত্রে দেশের রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের ত্যাগ এবং দৃষ্টিভঙ্গি নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছে এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের নৈতিক মান বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

নির্বাচনী মাঠে বিএনপির কৌশল ও মিত্র দলের সঙ্গে সমন্বয় একটি ইতিবাচক উদাহরণ। এখানে দেখা যাচ্ছে, দলের নীতি, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং নেতৃত্বের দায়বদ্ধতা মাঠে প্রতিফলিত হচ্ছে। দেশের স্থিতিশীলতা, জনগণের আস্থা এবং রাজনৈতিক অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে এই সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল আসন ভাগাভাগি নয়, বরং দেশের গণতন্ত্র, নেতাদের ত্যাগ, দলের আদর্শ এবং জনগণের বিশ্বাসের পরীক্ষা। বিএনপির লক্ষ্য হলো দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান রক্ষা করা, অংশীদারিত্ব বজায় রাখা এবং নির্বাচনী মাঠে ন্যায়ের ভিত্তিতে প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা। এই প্রক্রিয়ায় দেশের রাজনীতি শুধু ক্ষমতার লড়াই নয়, বরং আদর্শ, সাহসিকতা ও ত্যাগের গল্প হয়ে দাঁড়ায়।

শেষ পর্যন্ত, বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর সমন্বয়, নেতৃত্বের দৃঢ়তা এবং নেতাদের ত্যাগ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। দেশের স্থিতিশীলতা, জনগণের আস্থা এবং রাজনৈতিক আদর্শ রক্ষায় বিএনপি যে ভূমিকা পালন করছে, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা এবং সকলের জন্য শিক্ষা। এই প্রক্রিয়া স্পষ্ট করছে—নেতৃত্বের মান, আদর্শ এবং ত্যাগ ছাড়া দেশের গণতন্ত্রের ভিত্তি দৃঢ় রাখা সম্ভব নয়।

নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাদের এ দণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাহিরচর গ্রামের আইজুদ্দিনের ছেলে সাফায়েতুল (২১) এবং দেহন্দা ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রাব্বুল (২০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।

তিনি জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির শতভাগ বাস্তবায়নে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী (কেরানি) মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা ফাজিল কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন-এর পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনি আক্তার তারানা রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন।

এ সময় জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে একই স্থানে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।

গার্ড অব অনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. শ্যামল মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ঈসরাইল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোড়ল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলুসহ কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. মস্তোফা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, চার মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

মোছা. জান্নাতুল মাওয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)। এ সময় শিক্ষার্থীদের মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

শনিবার দুপুরে করিমগঞ্জ পৌরসভার নয়াকান্দি এলাকায় অবস্থিত ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ আঞ্চলিক অফিসের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. শহীদুজ্জামান ভূঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. সজল মিয়া।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে এসএসসি উত্তীর্ণ ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে এবং এইচএসসি উত্তীর্ণ সাতজন শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা বিস্তারে সহায়তা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ডিএসকে। সংস্থাটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিজেদের উপকারভোগী সদস্যদের সন্তানদের পাশাপাশি হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি দিয়ে থাকে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এ বছর জেলায় মোট ১৩১ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ২১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ পূর্ব জোনে ৫৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারাদেশে ডিএসকের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় মোট এক কোটি ১০ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।