বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশের চার হাফেজকে সংবর্ধনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতার মাধ্যমে ভালো কোনো অর্জন করলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিজয়ী হাফেজদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন নয়। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সব মুসলমানের অর্জন।’

তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা ও যোগ্যতাকে উৎসাহিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়ন ও উৎসাহ দেওয়া হলে এর সুফল ভবিষ্যতে দেশ ও দেশের মানুষ পাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সন্তান যারা আছে, যারা দেশের ভবিষ্যৎ; তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে, মেধা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সেটাকে সরকার রাষ্ট্রের অবস্থান থেকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে।’

সরকার গঠনের পর থেকেই মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবেই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিজয়ী হাফেজদের শিক্ষকরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সম্ভাব্য সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রেও সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই, আমাদের ছেলেমেয়েরা এ ধরনের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করুক এবং দেশের জন্য সম্মান ও গৌরব বয়ে আনুক।’

দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে বই উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পাওয়ার সময় তাঁরা যে সূরার আয়াত তিলাওয়াত করেছিলেন, তা হাফেজদের কণ্ঠে শোনেন তিনি।

সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এবারের প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোতেও বাংলাদেশের চার প্রতিযোগীর সাফল্যের তথ্য পাওয়া যায়।

এ ছাড়া হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীন বরণ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪০ অপরাহ্ণ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরামের নবীন বরণ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) ‘কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্র ফোরাম’-এর উদ্যোগে নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল রহমান, সংসদ সদস্য, কিশোরগঞ্জ-৫। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোশাররফ হোসেন।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাককানইবির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হক, রেজিস্ট্রার (প্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উম্মে কুলসুম বেগম, কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক কলেজের প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, জাককানইবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব এবং একই শাখার দপ্তর সচিব মামুন সরকার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আলফাছরুন নাহার রুমা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রবীন্দ্র সৃজন কলা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক মো. নিজাম উদ্দিন।

৭ মাসের শিশু হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
৭ মাসের শিশু হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ৭ মাসের শিশু মোজাহিদকে হত্যার মামলায় স্বাক্ষর জাল, ঘুষ দাবি এবং আসামিদের গ্রেপ্তার না করে পক্ষপাতমূলকভাবে চার্জশিট দেওয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভৈরব প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত শিশুর মা তাসলিমা বেগম।

আলোচিত এ ঘটনায় মামলার তদন্তে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলনে তাসলিমা বেগমের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর বাবা আক্তার হোসেন, ভাই হাকিম মিয়া ও চাচা সোহাগ মিয়া।

সংবাদ সম্মেলনে তাসলিমা বেগম বলেন, তাঁর বাড়ি ভৈরব উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী পুরানগাঁও এলাকায় এবং শ্বশুরবাড়ি একই গ্রামের পূর্বকান্দা এলাকায়। সংসারজীবনের প্রথম দিকে তাঁদের দাম্পত্য জীবন ভালোই ছিল। তাঁদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়। তবে তিনি গরিব পরিবারের সন্তান হওয়ায় তাঁর ভাসুর মো. আল ইসলাম, শাশুড়ি ও শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে প্রায়ই নির্যাতন করতেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তাসলিমা বলেন, নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তিনি তাঁর ৭ মাসের ছেলে মোজাহিদকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান। এর কয়েক দিন পর তাঁর স্বামী মেরাজ মিয়া ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন ছেলেকে দাদার বাড়িতে বেড়াতে নেওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। দুই দিন পরও সন্তানকে ফেরত না দেওয়ায় তিনি তাঁর বড় ভাইকে সন্তানকে আনতে পাঠান। সেখানে গিয়ে তাঁর ভাই লোকমুখে জানতে পারেন, শিশুটিকে নাকি বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

পরদিন সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য তাসলিমা ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর তদন্তের জন্য পুলিশ তাঁর শ্বশুরবাড়িতে গেলে সেখানে কাউকে না পেয়ে প্রতিবেশীদের শিশুটিকে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে যায় বলে জানান তিনি।

তাসলিমার ভাষ্য, এর পরদিন সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে তিনি লোকমুখে জানতে পারেন, মানিকদী পূর্বকান্দা এলাকার গোলাপ মিয়ার ডোবায় একটি শিশুর লাশ পাওয়া গেছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি তাঁর ছেলে মোজাহিদের লাশ শনাক্ত করেন। পরে তাঁর বাবার বাড়ির লোকজন ভৈরব থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডোবা থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। তাসলিমার দাবি, পুলিশ তখন প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল, শিশুটিকে ৪-৫ দিন আগে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এরপর তাসলিমা বাদী হয়ে ছেলেকে হত্যার অভিযোগে মামলা করেন। তাঁর অভিযোগ, মামলা করার পর আল ইসলামের নেতৃত্বে তাঁসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে তাঁদের বাবার বাড়িতে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুন দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা কোনোভাবে প্রাণে বেঁচে যান বলে জানান তিনি।

তাসলিমা আরও অভিযোগ করেন, হত্যা ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পুলিশকে জানানো হলেও আসামিদের গ্রেপ্তারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার না করায় র‍্যাবের সহযোগিতায় মামলার প্রধান আসামি তাঁর স্বামী মেরাজ মিয়াকে গ্রেপ্তার করাতে সক্ষম হন বলে দাবি করেন তিনি।

তাঁর অভিযোগ, মামলার বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে গেলে তিনি তাঁর কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে না পারায় আসামিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তাসলিমা। এমনকি আসামিদের দেখিয়ে দিলেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার না করে নানা ধরনের তালবাহানা করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তাসলিমা আরও বলেন, তাঁকে না জানিয়ে তাঁর স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। পরে আসামিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিজের মতো করে চার্জশিট আদালতে পাঠিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তাসলিমা বেগম তাঁর ছেলে হত্যার পাশাপাশি বাবার বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনারও সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্তে অনিয়ম, স্বাক্ষর জাল ও ঘুষ দাবির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকার ও দেশবাসীর সহযোগিতা চান তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। ঘুষ নিয়ে পক্ষপাতিত্ব করে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে- এমন কোনো প্রমাণ দিতে পারলে তাঁর বিরুদ্ধে যেকোনো ব্যবস্থা নেওয়া হলে তিনি তা মেনে নেবেন।

কিশোরগঞ্জে আইনজীবীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে আইনজীবীর বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে মিথ্যা মামলা ও জালিয়াতির ভয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে জজকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এনামুল হক শেখের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগীরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য দেন আলী আকবর হৃদয় ও ভুক্তভোগী শাহনেওয়াজ সিরাজী সিহাবের পিতা।

লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলা নম্বর-০৭-এর এজাহার হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বরের তারিখ উল্লেখ করে একটি ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়। পরে ওই এজাহার ও মিথ্যা মামলার ভয় দেখিয়ে আলী আকবর হৃদয়ের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, একই কৌশলে আরও কয়েকজনের কাছ থেকেও মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এ ঘটনায় অ্যাডভোকেট এনামুল হক শেখের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ আইনজীবী সমিতিতে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

ভুক্তভোগীদের দাবি, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এ ধরনের ঘটনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিশ্চিত হবে।