মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩

মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধরের ভোটার নাম বাতিল, নাগরিকত্ব প্রমাণে ট্রাইব্যুনালে দৌড়

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মীর জাফরের ৩৪৬ বংশধরের ভোটার নাম বাতিল, নাগরিকত্ব প্রমাণে ট্রাইব্যুনালে দৌড়

সংগ্রহীত

একসময় যাদের পূর্বপুরুষদের শাসন বিস্তৃত ছিল বাংলা, বিহার ও ওড়িশাজুড়ে, সময়ের বিবর্তনে আজ তাদেরই লড়তে হচ্ছে নাগরিকত্বের স্বীকৃতির জন্য। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের নবাব বংশের অন্যতম উত্তরসূরি নবাব মীর জাফরের প্রায় ৩৪৬ জন বংশধরের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ফলে নিজেদের ভারতীয় নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করতে এখন ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে রাজবংশের উত্তরসূরিদের।

বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) কার্যক্রম শেষে লালবাগ নব আদর্শ হাই স্কুলের ১২১ নম্বর বুথের ভোটারদের নাম ২০২৫ সাল পর্যন্ত ‘বিচারাধীন’ রাখা হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত তালিকায় দেখা যায়, ‘ছোটে নবাব’ নামে পরিচিত ৮২ বছর বয়সী সৈয়দ রেজা আলী মীরজাসহ তার পরিবারের ৯ জন সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়াদের মধ্যে বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম মীরজাও রয়েছেন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে সৈয়দ রেজা আলী মীরজা বলেন, “শুনানির সময় আমি সব বৈধ নথিপত্র নিয়ে হাজির হয়েছিলাম। কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছিলেন নাম বহাল থাকবে। কিন্তু সম্পূরক তালিকায় দেখলাম আমাদের পুরো পরিবারসহ নবাবী সম্প্রদায়ের শত শত মানুষের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।”

লালবাগের ঐতিহাসিক কিল্লা নিজামতের সন্নিকটে বসবাসকারী মীর জাফরের পঞ্চদশ প্রজন্মের এই উত্তরসূরি বলেন, “একসময় আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রজাদের বিচার করতেন, আর আজ আমাদেরই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

পরিবারটির দাবি, দেশভাগের সময় তাদের পূর্বপুরুষ ওয়াসিফ আলী মীরজা পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। এমনকি স্বাধীনতার পর মুর্শিদাবাদ তিন দিনের জন্য পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হলেও তাদের পরিবারের উদ্যোগেই তা পুনরায় ভারতের অংশ হয় বলে দাবি করা হয়। নাগরিকত্বের বিষয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট থেকেও ইতিবাচক পর্যবেক্ষণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলর ফাহিম মীরজা।

আগামী ২৩ এপ্রিল মুর্শিদাবাদে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ট্রাইব্যুনালের দীর্ঘসূত্রতার কারণে এবারের নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে পরিবারটি।

এ বিষয়ে মুর্শিদাবাদের জেলা প্রশাসক আর. অর্জুন বলেন, নবাব পরিবারের পক্ষ থেকে নাম বাদ দেওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের ট্রাইব্যুনালে গিয়ে আইনি প্রতিকার নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।


কিশোরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পাওয়ার ট্রান্সফরমার স্থাপনের অভিযোগ

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে টেন্ডার ছাড়াই পাওয়ার ট্রান্সফরমার স্থাপনের অভিযোগ

সরকারি ক্রয় নীতিমালা (পিপিআর) অনুসরণ না করে কোনো ধরনের উন্মুক্ত দরপত্র (টেন্ডার) ছাড়াই কিশোরগঞ্জের যশোদল বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাব-স্টেশন) একটি পাওয়ার ট্রান্সফরমার স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, টাঙ্গাইলের বিতর্কিত ও বিগত ১৭ বছরের সুবিধাভোগী ঠিকাদার ইপিআর হোসেন এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাপলা এন্টারপ্রাইজের মাধ্যমে গোপনে ট্রান্সফরমার স্থাপনের কাজ করানো হচ্ছে। অভিযোগে কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সংশ্লিষ্ট একটি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রায় ২৪ লাখ টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ নির্ভরযোগ্য মাধ্যমে পাওয়া গিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকারি বিধি অনুযায়ী বড় ধরনের কারিগরি কাজ বা যন্ত্রপাতি স্থাপনের ক্ষেত্রে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান বাধ্যতামূলক। কিন্তু যশোদল সাব-স্টেশনের ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, কোনো আনুষ্ঠানিক টেন্ডার ছাড়াই সরাসরি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শাপলা এন্টারপ্রাইজকে কাজ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত ঠিকাদার বিগত সরকারের সময় হতে প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দপ্তরে অনিয়ম করে আসছিলেন।
বিদ্যুৎ বিভাগের অভ্যন্তরীণ একটি সূত্রে জানা যায়, কাজটির প্রকৃত ব্যয় গোপন রেখে বরাদ্দের অর্থ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের পরিকল্পনা করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, এ কারণে ট্রান্সফরমারের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সেবার ওপর পড়তে পারে। যার ভুক্তভোগী হবে স্থানীয় সাধারণ গ্রাহকরা।
এ বিষয়ে জানতে কিশোরগঞ্জ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি যশোদল বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে (সাব-স্টেশন) টেন্ডারসংক্রান্ত প্রশ্নের সরাসরি কোন উত্তর দেননি ।অন্যদিকে অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিপুল পরিমাণ টাকা ভাগাভাগি ও টেন্ডার জালিয়াতির ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন কিশোরগঞ্জের সাধারণ গ্রাহকেরা।
এদিকে বিষয়টি সরেজমিনে দেখতে সাংবাদিকরা যশোদল সাব-স্টেশনে গেলে কর্তৃপক্ষ তাদের সঙ্গে দেখা করেননি বলে অভিযোগ ওঠে।
সাব-স্টেশনের ফটকে দায়িত্বরত আনসার সদস্য রানা, আ: রহমান ও খলিলুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অফিসের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর পরিচয় প্রকাশ না করার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, সাংবাদিকদের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে পরিদর্শনে যেতে বলা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন বলেন, “ওখানে সাংবাদিক যেতে আমার অফিসের কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই।”
কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপারের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘনের কোনো প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপও দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৪:৫০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসছে র‍্যাপিড একশন ব্যাটেলিয়ন(র‍্যাব)-১৪। এরই ধারাবাহিকতায় র‌্যাব-১৪ এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল গত সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখোলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল পৌনে ৬টার দিকে করিমগঞ্জ থানাধীন বালিখোলা এলাকায় তল্লাশি চৌকি পরিচালনার সময় মাদক ব্যবসায়ী মো. হাফিজ (৩৮)কে আটক করা হয়।

পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তার কাছে অবৈধ মাদকদ্রব্য থাকার কথা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বহনকৃত একটি ভ্রমণ ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে রাখা ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে তারা।

কটিয়াদীতে যুবক হত্যা: গ্রেফতার আসামির তথ্যে উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

কটিয়াদী প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে যুবক হত্যা: গ্রেফতার আসামির তথ্যে উদ্ধার রক্তমাখা ছুরি

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ছুরিকাঘাতে শফিকুল ইসলাম ওরফে কালা মিয়া (৩২) হত্যা মামলায় বাবুল মিয়া নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বলে ধারণা করা রক্তমাখা একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় এলাকায় ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরের একটি ঝোপের পাশ থেকে বাবুল মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ছুরিটি উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতার বাবুল মিয়া দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় গ্রামের শহীদুল্লাহর ছেলে। তিনি নিহত শফিকুল ইসলামের চাচাতো মামা-ভাগনে সম্পর্কের আত্মীয়।
এর আগে শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝিড়ারপাড় এলাকার বৈশাকুরা ঈদগাহ-সংলগ্ন সড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শফিকুল ইসলাম ওরফে কালা মিয়াকে উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শফিকুল ইসলাম একই এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের বড় বোন বেগম আক্তার বাদী হয়ে বাবুল মিয়ার নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে কটিয়াদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সোমবার বিকেলে পুলিশ গ্রেফতার আসামিকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গেলে উৎসুক হাজারো মানুষ সেখানে ভিড় করেন। এ সময় হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ফাঁসির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন স্থানীয়রা। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডে এলাকাজুড়ে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা যায়।
মামলার বাদী বেগম আক্তার বলেন,
“আমার চাচাতো বোনের ছেলে বাবুল আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে। সে প্রায়ই আমাদের হুমকি-ধমকি দিত। আমার ভাইকে হত্যার ঘটনায় বাবুলের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে আমাদের ধারণা। আমরা দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।”
কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম সোমবার সন্ধ্যায় বলেন, “ঘটনার পরপরই পুলিশের একাধিক টিম তদন্তে নামে। তদন্তের একপর্যায়ে পাশ্ববর্তী কুলিয়ারচর উপজেলা থেকে বাবুল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের অদূরের একটি ঝোপ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।”
পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।