বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কাদা-পানিতে নাকাল মোড়ারকান্দির মানুষ, ২০ বছরেও হয়নি পাকা সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কাদা-পানিতে নাকাল মোড়ারকান্দির মানুষ, ২০ বছরেও হয়নি পাকা সড়ক

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের মোড়ারকান্দি গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার কাঁচা সড়ক দীর্ঘ ২০ বছরেও পাকা হয়নি। বর্ষা এলেই কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে প্রায় চার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (২২ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, রাউতি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মোড়ারকান্দি গ্রামের আবদুল হেলিম মাস্টারের বাড়ি থেকে আবদুল হান্নানের দোকান হয়ে ঈদগাহ ও কবরস্থান পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৫০ কিলোমিটার সড়ক কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। সড়কটি মেছগাঁও গ্রামের শেষ সীমানার সঙ্গেও যুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও পাকাকরণ না হওয়ায় বর্ষাকালে সড়কটির বিভিন্ন অংশে কাদা-পানি জমে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রায় দুই দশক ধরে সড়কটি কাঁচা অবস্থায় পড়ে আছে। শুকনো মৌসুমে কোনোভাবে চলাচল করা গেলেও বর্ষায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যায়। এতে পথচারীদের কাদা-পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হয়। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও কৃষকরা।

স্থানীয়দের ভাষ্য, জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় কাদা-পানির কারণে স্বাভাবিকভাবে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। আবার কেউ মারা গেলে কবরস্থানে মরদেহ নিয়ে যেতেও পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। সড়কটির সঙ্গে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠও যুক্ত থাকায় ঈদের দিন নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিদেরও কাদা-পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হয়।

শিক্ষার্থীদেরও এ সড়কের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়কের আশপাশে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় মেছগাঁও গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোড়ারকান্দির প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীকে প্রায় দুই কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয়। বর্ষাকালে কাদা-পানির কারণে তাদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত আরও কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় শিক্ষার্থীদের ভেজা ও কাদামাখা অবস্থায় বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

কৃষকরাও রয়েছেন বিপাকে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য কৃষিপণ্য এ সড়ক দিয়ে বাজারে নিতে হয়। কিন্তু বর্ষায় সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কৃষিপণ্য পরিবহনে অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। অনেক সময় সময়মতো পণ্য বাজারে নিতে না পারায় কৃষকদের ক্ষতির আশঙ্কাও থাকে।

মোড়ারকান্দি গ্রামের আবু বক্কর মিয়া, আবু তাহের, দীন ইসলাম, আবদুল হাকিম মিয়া, করিম মিয়া, রুস্তম আলী ও আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “২০ বছর ধরে আমরা এই কাঁচা রাস্তার কষ্ট সহ্য করছি। বর্ষা এলে মনে হয় আমরা যেন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ি। সন্তানদের স্কুলে পাঠানো, রোগী হাসপাতালে নেওয়া, কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া কিংবা মরদেহ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া—সব ক্ষেত্রেই দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”

তাঁরা বলেন, “ঈদগাহ ও কবরস্থানে যাওয়ার জন্যও যখন কাদা-পানি পেরোতে হয়, তখন এর চেয়ে কষ্টের আর কী হতে পারে? আমরা বড় কোনো দাবি করছি না। শুধু রাস্তাটি পাকা করে দিলেই কয়েক হাজার মানুষের জীবন অনেকটা সহজ হবে।”

রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ফেরদৌস মিয়া বলেন, “আমি মেম্বার থাকাকালে প্রশাসনের সহযোগিতায় জনস্বার্থে এই সড়কটি তৈরি করেছিলাম। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি কাঁচা অবস্থায় পড়ে আছে। বর্তমানে প্রায় চার হাজার মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করেন। বর্ষাকালে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দ্রুত পাকা করা প্রয়োজন।”

বর্তমান ইউপি সদস্য হলুদ মিয়াও সড়কটি পাকাকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এ বিষয়ে রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন তারিক বলেন, “বিগত দুই বছরে আমরা কোনো উন্নয়নমূলক বরাদ্দ পাইনি। তাছাড়া ওই সড়ক পাকাকরণে বড় অঙ্কের বরাদ্দের প্রয়োজন। বর্তমান সংসদ সদস্যের তহবিল থেকে অধিকারভিত্তিক বরাদ্দ পাওয়া গেলে সড়কটি পাকাকরণ করা সম্ভব হবে। এতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হবে।”

তাড়াইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটুর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ওই সড়কটির ব্যাপারে রাউতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওয়ার্ড সদস্য উদ্যোগী হলে সড়কটি এতদিন কাঁচা থাকার কথা নয়। তাছাড়া স্থানীয় নেতাকর্মীরা একটু সরব হলেই সংসদ সদস্যের বরাদ্দে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এতদিনে সড়কটির পাকাকরণ হয়ে যেত।”

স্থানীয়দের দাবি, সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিত উদ্যোগ নিলে দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন কয়েক হাজার মানুষ। তাঁদের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সড়কটি পাকাকরণের উদ্যোগ দ্রুত নেওয়া হবে।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।