বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩

মিথ্যা অপপ্রচার ও মাদক ব্যবসায়ী সাজানোর অভিযোগ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মিথ্যা অপপ্রচার ও মাদক ব্যবসায়ী সাজানোর অভিযোগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করে একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার কাদির জঙ্গল ইউনিয়নের খিরাচর এলাকার মো. আবু হানিফ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে খিরাচর এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবু হানিফ অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ফেসবুকসহ কয়েকটি অনলাইন মাধ্যমে তাঁকে জড়িয়ে মাদক ব্যবসা-সংক্রান্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। তার দাবি, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এসব অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

লিখিত বক্তব্যে আবু হানিফ জানান, কাদির জঙ্গল ইউনিয়নের খিরাচর গ্রামের বাসিন্দা তাঁর চাচা হাবিবুর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. লাল মিয়ার বিরোধের জেরে মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে গত ২৭ আগস্ট কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন বলে জানান।

আবু হানিফের দাবি, ওই মামলার সূত্র ধরে গত ১ সেপ্টেম্বর পুলিশ লাল মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তাঁকে ফাঁসাতে এবং মামলার বিষয়টি ভিন্ন খাতে নিতে একটি মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রচার শুরু করে।

সংবাদ সম্মেলনে আবু হানিফ আরও অভিযোগ করেন, তাঁকে জোরপূর্বক আটকে রেখে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। পাশাপাশি অপপ্রচার চালিয়ে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার এবং তাঁকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

আবু হানিফ বলেন, ‘আমি কোনো ধরনের মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত নই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আবু হানিফ সাংবাদিকদের প্রতি কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার না করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য ছড়িয়ে পড়লেই সেটিকে সত্য ধরে নেওয়া উচিত নয়। যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আবু হানিফের এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। মামলা, গ্রেপ্তার এবং অপপ্রচারের অভিযোগ—এসব ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে স্পষ্ট হবে।

‘১৬ বছর টাকা পাঠিয়েছি, দেশে ফিরে রাস্তায়’- হোসেনপুরে প্রবাসীর অভিযোগ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
‘১৬ বছর টাকা পাঠিয়েছি, দেশে ফিরে রাস্তায়’- হোসেনপুরে প্রবাসীর অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. বাবুলের ৫৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ, মারধর এবং স্ত্রী-সন্তানসহ তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার মা, বোন, বোন জামাই ও মামার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় হোসেনপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বাবুল। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে তিনি সংবাদ সম্মেলনও করেছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় হোসেনপুর মডেল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাবুল তার ওপর কথিত নির্যাতন, কষ্টার্জিত অর্থ ফেরত না পাওয়া এবং স্ত্রী-সন্তানসহ বাড়ি থেকে বিতাড়নের অভিযোগ তুলে ধরেন। এ সময় তাঁর স্ত্রী মোছা. সাদিয়া আক্তার, সন্তান, ভাবি মোছা. রোকসোনা খাতুনসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অভিযোগকারী বাবুল হোসেনপুর উপজেলার গকুলনগর গ্রামের মৃত আলাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি ও তাঁর বড় ভাই মো. হুমায়ুন কবির দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাসজীবন কাটাচ্ছেন।

হোসেনপুর থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে বাবুল উল্লেখ করেন, প্রবাসে থাকাকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে তাঁর মায়ের ব্যাংক হিসাবে ৫০ লাখ টাকা এবং আপন বোনের ব্যাংক হিসাবে আরও ৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পাঠান। তাঁর দাবি, সব মিলিয়ে ৫৬ লাখ ৫৫ হাজার টাকা দেশে পাঠিয়ে ওই দুই হিসাবে জমা রাখেন তিনি।

বাবুলের অভিযোগ, দেশে ফিরে ওই টাকা ফেরত চাইলে তাঁর মা, বোনসহ সংশ্লিষ্টরা টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান। একই সঙ্গে টাকা কোথায় এবং কীভাবে খরচ করা হয়েছে, সে বিষয়েও তাঁকে কোনো হিসাব দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে বাবুল আরও দাবি করেন, তিনি ও তাঁর বড় ভাই দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার সুযোগে তাঁদের স্ত্রীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। একপর্যায়ে তাঁর স্ত্রী সাদিয়া আক্তার এবং বড় ভাইয়ের স্ত্রী রোকসোনা খাতুনকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে তাঁরা সন্তানদের নিয়ে প্রায় চার মাস ধরে হোসেনপুর থানাধীন আশুতিয়া নতুন বাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।

বাবুলের দাবি, গত ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরেন তিনি। পরদিন ২ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে বাড়িতে থাকার উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে আনা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ বাড়িতে যান। তাঁর সঙ্গে ৮ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ছিল, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া স্ত্রীর জন্য এক ভরি ওজনের একটি স্বর্ণের গলার চেইন, যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ২০ হাজার টাকা, এক জোড়া কানের ঝুমকা এবং একটি আংটি ছিল। এগুলোর মোট আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বাবুল অভিযোগ করেন, বাড়িতে প্রবেশের পর তাঁর আপন বোন ও মা তাঁকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন এবং স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়িতে বসবাস করতে দেওয়া হবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে বসতঘর থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ সময় তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন বাবুল।

সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাবুল বলেন, ‘আমি ১৬ বছর প্রবাসে কষ্ট করে টাকা পাঠিয়েছি বাবার বাড়িতে থাকব বলে। আজ আমার মা-বোনই আমার টাকা আত্মসাৎ করে আমাকে রাস্তায় নামিয়ে দিয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে পরিবারের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে নিজের পরিবারের কাছেই তিনি অসহায় হয়ে পড়েছেন। তদন্তের মাধ্যমে তাঁর পাঠানো অর্থের হিসাব বের করে টাকা ফেরত এবং তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

হোসেনপুর থানায় দেওয়া অভিযোগে বিবাদী হিসেবে মোছা. সুমাইয়া খাতুন (৩০), মো. পারভেজ আহমেদ, মোছা. আজুরা খাতুন (৬০) ও মো. বকুল মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে সুমাইয়া খাতুনকে বাবুলের আপন বোন, পারভেজ আহমেদকে বোন জামাই, আজুরা খাতুনকে মা এবং বকুল মিয়াকে মামা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বকুল মিয়ার ঠিকানা কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চরকাওনা এলাকায় বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

তবে অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তিদের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগটি পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অসুস্থ দাদিকে দেখতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
অসুস্থ দাদিকে দেখতে এসে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

অসুস্থ দাদিকে দেখতে পরিবারের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল পাঁচ বছরের শিশু মো. আশিক। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনন্দেই সময় কাটছিল তার। তবে সেই আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে। বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মর্মান্তিকভাবে মারা গেছে শিশুটি।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার দামপাড়া ইউনিয়নের সুন্দরবন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. আশিক সুন্দরবন গ্রামের মো. তানজিল মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় পোস্টমাস্টার মো. তাজুল ইসলামের নাতি।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আশিকের বাবা মো. তানজিল মিয়া জীবিকার প্রয়োজনে চট্টগ্রামে থাকেন। সম্প্রতি আশিকের দাদি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দেখতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গ্রামের বাড়িতে আসে আশিক। কয়েক দিন ধরে পরিবারের সঙ্গেই ছিল সে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায় আশিক। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে পানিতে ডুবে যায়। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে এলে তারা দ্রুত পুকুরে নেমে শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আশিককে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে শিশুটির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। অসুস্থ দাদিকে দেখতে গ্রামের বাড়িতে এসে নাতির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

নিকলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তাড়াইলে গাছের ডালে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ

রুহুল আমিন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে গাছের ডালে বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার কাজলা (বগারবাইদ) গ্রামে বাড়ির পাশের একটি জামগাছের ডাল থেকে আবদুর রউফ (৬০) নামে এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে পরিবারের সদস্যরা বাড়ির পাশের জামগাছের ডালে গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আবদুর রউফকে দেখতে পান। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন। নিহত আবদুর রউফ ওই গ্রামের মৃত আবদুল কাদিরের ছেলে। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও চার মেয়ের জনক।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভোরের দিকে বাড়ির পাশে জামগাছের ডালে আবদুর রউফকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সকাল ৭টার দিকে তাড়াইল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আবদুর রউফ দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ ও কিডনি রোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তাড়াইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন সরকার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ করা হয়নি। ঘটনাটি অপমৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।