বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

দুই ঘণ্টায় ‘সংশোধন’ থেকে ‘বাতিল’, পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে বিভ্রান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
দুই ঘণ্টায় ‘সংশোধন’ থেকে ‘বাতিল’, পাসপোর্ট আবেদন নিয়ে বিভ্রান্তি

কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্টের আবেদন করে বিপাকে পড়েছেন মো. অপু মিয়া। একই দিনে দুই ঘণ্টার ব্যবধানে তাঁর মুঠোফোনে প্রথমে ‘সংশোধনের প্রয়োজন’ এবং পরে ‘আবেদন বাতিল’- সংক্রান্ত দুটি এসএমএস আসে। আবেদন বাতিলের কারণ হিসেবে আগের একটি পাসপোর্টের তথ্য গোপনের কথা জানানো হলেও, ওই পাসপোর্টের তথ্যের সঙ্গে আবেদনকারীর নাম, বাবা-মায়ের নাম ও ঠিকানার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেছেন তিনি।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর মো. অপু মিয়া কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ই-পাসপোর্টের জন্য বায়োমেট্রিক তথ্য ও আঙুলের ছাপ দেন। কাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার পর ওই দিন বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে ‘ইপাসপোর্টবিডি’ থেকে তাঁর মুঠোফোনে একটি এসএমএস আসে।

এসএমএসে বলা হয়, ‘প্রিয় গ্রাহক, ওআইডি১০৩৮১৩৪৬২৬ নম্বরের পাসপোর্ট আবেদনটির ক্ষেত্রে কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে পুনরায় কাজ বা সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে।’

সংশোধনের বিষয়টি জানার চেষ্টা করার আগেই প্রায় দুই ঘণ্টা পর, একই দিন বিকেল ৫টা ৪ মিনিটে তাঁর মুঠোফোনে আরেকটি এসএমএস আসে।

দ্বিতীয় এসএমএসে বলা হয়, ‘প্রিয় মো. অপু মিয়া, ওআইডি১০৩৮১৩৪৬২৬ নম্বরের পাসপোর্ট আবেদনটি কিশোরগঞ্জ পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে।’

একই দিনে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরস্পরবিরোধী দুটি বার্তা পাওয়ায় বিভ্রান্তিতে পড়েন মো. অপু মিয়া। আবেদনটি প্রথমে সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানোর কথা জানিয়ে পরে কেন বাতিল করা হলো—তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে আবেদন বাতিলের কারণ জানতে কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যান মো. অপু মিয়া। তাঁর দাবি, সেখানে সহকারী পরিচালক অলিউল ইসলাম তাঁকে জানান, তাঁর নামে আগে এ০৯৫২৩৩২০ নম্বরের একটি পাসপোর্ট রয়েছে।

আগের পাসপোর্টের তথ্য গোপন করে নতুন আবেদন করায় বর্তমান আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে বলে তাঁকে জানানো হয়। একই সঙ্গে আগের পাসপোর্টটি হারিয়ে থাকলে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে নতুন করে পাসপোর্টের আবেদন করতে বলা হয় বলেও জানান তিনি।

তবে এ০৯৫২৩৩২০ নম্বরের পাসপোর্টের তথ্য যাচাই করে ভিন্ন তথ্য পাওয়ার দাবি করেছেন মো. অপু মিয়া। তাঁর ভাষ্য, ওই পাসপোর্টে নাম রয়েছে ‘হৃদয়’। সেখানে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ৫১২৩১৯২৩৬০ এবং জন্মতারিখ ১ অক্টোবর ১৯৯৯ উল্লেখ রয়েছে।

ওই পাসপোর্টে পিতার নাম মো. কবির হোসেন এবং মাতার নাম মোছা. রুমা খাতুন উল্লেখ রয়েছে বলে জানান মো. অপু মিয়া। স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে দেওয়া রয়েছে ফুলবাড়ী, ঝিকরগাছা, কায়েমখোলা বাজার-৭৪২০, যশোর।

মো. অপু মিয়ার দাবি, ওই পাসপোর্টে থাকা নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের নাম ও ঠিকানার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্যের কোনো মিল নেই।

আবেদন বাতিলের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চাইলে সহকারী পরিচালক অলিউল ইসলাম বলেন, ‘পুনরায় কাজ বা সংশোধনের প্রয়োজন’ সংক্রান্ত এসএমএস যাওয়ার পর আবেদনটি বাতিল করা হয়েছে। আবেদনকারীকে নতুন করে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বর্তমান আবেদন বাতিল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক চালানও বাতিল হবে বলে মো. অপু মিয়াকে জানানো হয়েছে। নতুন করে পাসপোর্টের আবেদন করলে নতুন চালান দিতে হবে বলেও তাঁকে জানানো হয়।

আগের চালানের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী পরিচালক অলিউল ইসলাম বলেন, মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়ে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে আরও কিছু অভিযোগের কথাও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও আবেদনকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, কোনো আবেদনকারীর বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর আবেদনে ঐচ্ছিক থাকলেও তা দিতে বলা হচ্ছে। পেশা ‘প্রাইভেট সার্ভিস’ উল্লেখ থাকলে পেশাগত পরিচয়পত্র চাওয়া হচ্ছে। আবার বাড়ির বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে আবেদনকারীর নামের অমিল থাকলে কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর নামের বানানে পার্থক্য থাকলেও আবেদন ফেরত দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

আবেদনকারীদের আরও অভিযোগ, একটি আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকা অবস্থায় একই ব্যক্তির নামে আরেকটি আবেদন করার সুযোগ না থাকায় তাঁরা সমস্যায় পড়ছেন। পরবর্তীতে হয়রানির কারণে কেউ আবেদন বাতিল করতে চাইলে সেখানেও বিভিন্ন জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে আবেদন বাতিল করে পরদিন নতুন করে আবেদন নিয়ে আসতে বলা হয় বলেও অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

আরও অভিযোগ রয়েছে, কোনো আবেদন গ্রহণের পর নির্ধারিত দিনে বায়োমেট্রিক তথ্য ও ছবি দিতে না পারলে আবেদনটি পরবর্তী সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায় বলে আবেদনকারীদের জানানো হচ্ছে। তখন আলাদাভাবে আবেদন বাতিলের জন্য আবেদন না করলেও আগের আবেদন আর কার্যকর থাকে না এবং পরদিন নতুন করে আবেদন করতে হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

এতে একদিকে আবেদনকারীদের অতিরিক্ত সময় ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে, অন্যদিকে চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী ও দূরবর্তী এলাকার মানুষকে বারবার পাসপোর্ট অফিসে এসে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁদের।

সরকারি ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরমে পেশা, বৈবাহিক অবস্থা ও আবেদনকারীর বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে দেওয়ার বিষয়টি নির্ধারিত রয়েছে। তবে এসব তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কোন কোন কাগজপত্র বাধ্যতামূলক এবং কোন পরিস্থিতিতে আবেদন ফেরত বা বাতিল করা হবে—এ বিষয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে স্পষ্ট ধারণার অভাব রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের তালিকা ও আবেদন যাচাইয়ের নিয়ম যদি আগে থেকেই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে একই আবেদন বারবার ফেরত দেওয়া হচ্ছে কেন? কোনো ত্রুটি থাকলে তা একবারে জানিয়ে সংশোধনের সুযোগ না দিয়ে কেন আবেদনকারীদের পুনরায় আবেদন করতে হচ্ছে—এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

পাশাপাশি প্রতিদিন ফেরত যাওয়া আবেদনের প্রকৃত সংখ্যা, কী কারণে আবেদনগুলো ফেরত দেওয়া হচ্ছে এবং নির্ধারিত দিনে বায়োমেট্রিক তথ্য না দিলে আবেদন বাতিলের বিষয়ে প্রচলিত নিয়ম কী—এসব বিষয় যাচাই করে দেখার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মো. অপু মিয়ার দাবি, তাঁর ওআইডি১০৩৮১৩৪৬২৬ নম্বরের আবেদনটি কেন বাতিল করা হলো, অন্য একটি পাসপোর্টের তথ্য কীভাবে তাঁর আবেদনের সঙ্গে যুক্ত হলো এবং প্রথমে সংশোধনের বার্তা পাঠানোর মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে আবেদন বাতিলের সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হলো—এসব বিষয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নিকলীতে শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
নিকলীতে শিক্ষিকাকে মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মারধর ও বাড়িঘর ভাঙচুরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সাজেদুল হক নাঈমের বিরুদ্ধে নিকলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা আতিয়ারা ইসলাম শিমুল। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়ে বিচার দাবি করেছেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নিকলী সদর ইউনিয়নের গুণিয়াহাটি গ্রামে শিক্ষিকা আতিয়ারা ইসলাম শিমুলের বাবার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তাঁর অভিযোগ, সাজেদুল হক নাঈম ও তাঁর সঙ্গে থাকা রুবেল বাড়িতে গিয়ে অতর্কিতভাবে হামলা চালান। এ সময় বাড়িঘর ও পানির লাইন ভাঙচুর করা হয়। বাধা দিতে গেলে নাঈম কাঠের বর্গা দিয়ে তাঁকে আঘাত করে আহত করেন বলে অভিযোগ করেন শিমুল।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, তাঁদের বাড়ির পাশের পানি নিষ্কাশন ও পুকুরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বৃষ্টির পানি ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার জন্য নাঈম তাঁদের পরিবারকে দায়ী করে আসছিলেন। বিষয়টি সমাধানের কথা বলে প্রশাসনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তাঁদের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যক্তিগত স্থাপনা ভেঙে ড্রেন নির্মাণের জন্য চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন শিমুল।

শিমুলের দাবি, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তিনি গত ১৩ সেপ্টেম্বর নিকলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। একই দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন। পরদিন সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইউএনও শামীম আরার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান ভুক্তভোগী।

নিকলী থানার সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষিকার লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি এসআই সাগর তদন্ত করছেন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, নাঈমও শিক্ষিকার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। নিকলী থানায় দেওয়া ওই অভিযোগে শিক্ষিকার ভাই মারুফ ইসলাম শাওনের বিরুদ্ধে মেসেঞ্জারে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের তদন্তের ফল এখনো জানা যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে নাঈমের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, এলাকায় বালু ভরাট ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে ফেসবুক লাইভে এসে তিনি এ বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তবে শিক্ষিকার ওপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত বক্তব্য জানা যায়নি।

অভিযোগকারী শিমুল বলেন, ঘটনার পর নাঈম তাঁর কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি কোনো অপরাধ না করায় বিষয়টি আইনগতভাবে নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ ঘটনায় নিকলী উপজেলা সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির সভাপতি খায়রুল ইসলাম বলেন, একজন শিক্ষিকাকে মারধর ও তাঁর বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়টি দুঃখজনক। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, নাঈম নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখান এবং বিভিন্ন সময়ে চাঁদাবাজির চেষ্টা করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বতন্ত্র প্রমাণ বা পুলিশের তদন্তের ফল পাওয়া যায়নি। তাই অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া প্রয়োজন।

এ ছাড়া ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ঢাকার খিলক্ষেত থানায় সাংবাদিক জাহাঙ্গীর কিরণকে হত্যার হুমকির অভিযোগে নাঈমের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সে সময় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল বলেও অভিযোগকারী পক্ষ দাবি করেছে। এ ঘটনার বর্তমান আইনি অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা যায়নি।

স্থানীয় সাংবাদিকদের একটি অংশ নিকলীতে সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহারকারীদের পরিচয় ও প্রতিষ্ঠানের বৈধতা যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছে। তাদের বক্তব্য, প্রকৃত সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তা আলাদাভাবে চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

কিশোরগঞ্জে নতুন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. জুবায়ের হোসেনের পদায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে নতুন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে মো. জুবায়ের হোসেনের পদায়ন
কিশোরগঞ্জের নতুন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেনকে (পরিচিতি নম্বর: ১৮১৪৭)।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাঠ প্রশাসন-২ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন উপসচিব মু. মাহমুদ উল্লাহ মারুফ।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনরত মো. জুবায়ের হোসেনকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে বদলি/পদায়ন করা হলো।
একই সাথে, The Code of Criminal Procedure, 1898-এর 10(2) ধারার বিধান অনুযায়ী পদায়িত জেলায় তাঁকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (ADM) ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে।
জনস্বার্থে জারিকৃত এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সকালের মধ্যে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৮ পূর্বাহ্ণ
সকালের মধ্যে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

দেশের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েকদিন ধরে বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ৯টার মধ্যে দেশের ৮ বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর।

সোমবার (৪ মে) রাতে কালবৈশাখীর সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সোমবার রাত ৯টা থেকে পরবর্তী ১২ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে বিদুৎ চমকানোসহ পশ্চিম ও উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে।

এদিকে, রাতে দেয়া আবহাওয়ার নিয়মিত বার্তায় জানানো হয়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় অর্থাৎ ৫ ও ৬ মে ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ কিছু কিছু জায়গায় অর্থাৎ ৫০ শতাংশ এবং রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল বিভাগের ২৫ শতাংশ এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে একই সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।