বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২

বাজিতপুরে ফেরিঘাটে টোল নৈরাজ্য, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী-চালক

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাজিতপুরে ফেরিঘাটে টোল নৈরাজ্য, চরম ভোগান্তিতে যাত্রী-চালক

সংগ্রহীত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার পাটুলী ফেরিঘাটে যানবাহন পারাপারে সরকার নির্ধারিত টোল হার মানা হচ্ছে না-এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা আদায়ের কারণে চালক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

সরকারি তালিকা অনুযায়ী ৩ টন পর্যন্ত মিনি ট্রাক পারাপারের টোল ৯৫ টাকা হলেও বাস্তবে আদায় করা হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। কৃষি কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর বা পাওয়ার টিলারের ক্ষেত্রে ৭৫ টাকার বদলে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৬০০ টাকা। মাইক্রোবাস ও ফোর-হুইল যানবাহনের জন্য নির্ধারিত ৫০ টাকার পরিবর্তে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

ব্যক্তিগত সিডান কারের জন্য ৩০ টাকার স্থলে নেওয়া হচ্ছে প্রায় ৪০০ টাকা। অটোরিকশা, সিএনজি ও অন্যান্য ৩/৪ চাকার যানবাহনের ক্ষেত্রে ১৫ টাকার পরিবর্তে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য ৫ টাকার বদলে ৩০ টাকা এবং রিকশা-ভ্যানের ক্ষেত্রে ৫ টাকার পরিবর্তে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই এই অতিরিক্ত টোল আদায় চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যাচ্ছে না।

অটোরিকশা চালক ও সবজি ব্যবসায়ী মালেক মিয়া (৩৫) বলেন, “প্রতিদিন পিরোজপুর পাইকারি আড়ত থেকে সবজি কিনে অষ্টগ্রামে বিক্রি করি। ফেরিতে উঠলেই মালামালের ওপর নির্ভর করে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেয়।”

হাওরাঞ্চলের কৃষক মজিবুর রহমান (৩৮) বলেন, “বোরো ধান কেটে বাজিতপুরে নিতে গেলে গত মৌসুমে প্রতি গাড়িতে ৮০০ টাকা দিয়েছি। এবার আরও বেশি দিতে হতে পারে।”

হার্ভেস্টার মালিক রমজান আলী (৫২) জানান, “গত মৌসুমে প্রতি হার্ভেস্টার পারাপারে ১,৬০০ থেকে ২,২০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।” অভিযোগ রয়েছে, রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স থেকেও ৬০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

একটি পণ্যবাহী পিকআপের চালক আকাশ মিয়া (২৯) বলেন, “৪০০ টাকা দিয়ে রশিদ চাইলে উল্টো তেড়ে আসে। পরে ভয়ে টাকা দিয়ে চলে আসি।”

বাজিতপুর থেকে অষ্টগ্রাম উপজেলা পরিষদে যাতায়াতকারী এক ব্যক্তি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, “প্রতিদিনই ভাড়া নিয়ে বাকবিতণ্ডা হয়। ঘাটের লোকজনের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না। যার কাছ থেকে যেমন ইচ্ছা তেমন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।”

স্থানীয় পাটুলী ঘাটের এক ব্যবসায়ী (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, “প্রায় প্রতিদিনই চালকদের সঙ্গে ভাড়া নিয়ে বিরোধ হয়, কিন্তু ভয়ের কারণে কেউ মুখ খোলেন না।”

এ সম্পর্কিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে তোফাজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি মন্তব্যে জানান, একটি ধান কাটার মেশিনবাহী ট্রাক পারাপারে তার কাছে ১২ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে ৪ হাজার টাকায় পারাপার করা সম্ভব হয়।

ফেরিঘাটের ইজারাদার বকুল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী বায়েজিদ হোসেন হৃদয় দাবি করেন, তিন বছরের জন্য ইজারা নিলেও পরে অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘাট পরিচালনার দায়িত্ব বদরুল আলম শিপু ও পাটুলীর সোহেল (ফ্রিডম সোহেল)-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অন্যদিকে ঘাট পরিচালনায় জড়িত সোহেল (ফ্রিডম সোহেল) বলেন, “সারা দেশেই ফেরিতে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়। ঈদের সময় এই হার আরও বাড়ে, কারণ আমাদেরও অতিরিক্ত খরচ থাকে।”

এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কিশোরগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী শাকিল মোহাম্মদ ফয়সল বলেন, “জনবল সংকটের কারণে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।” তবে দায় স্বীকার করে তিনি বলেন, “এটি অবশ্যই আমাদের দায়িত্ব। আমরা বিব্রতকর অবস্থায় আছি এবং উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, “ফেরিঘাটটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীন। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ পেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই অনিয়ম বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

চন্দিপাশায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হামলার অভিযোগে উত্তেজনা

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
চন্দিপাশায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হামলার অভিযোগে উত্তেজনা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলেছেন একই ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে ৩০ কেজি চালের কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও মেম্বার আব্দুল হাই প্রতিজন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১৩,৭০০ টাকা করে আদায় করেছেন। এছাড়া, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে তিনি মারমুখী ও অশোভন আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

একটি বিদ্যালয়ের দপ্তরীকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষ আরও দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন অভিযোগ করেন, “মেম্বার, তার ছেলে এবং তাদের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জমশেদ বলেন, “মেম্বার ও তার সহযোগীরা নিজেদের স্বার্থে বাধা পেলেই মারমুখী আচরণ করে। সম্প্রতি ঘাগড়া নদীর পাড়ের ঈদগাহ মাঠে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে আমি আহত হয়েছি।”

৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল মিয়া জানান, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আব্দুল কাইয়ুমের সঙ্গে আব্দুল হাইয়ের রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও এমপিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে আব্দুল হাই এখনও প্রভাব বিস্তার করছেন এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। এছাড়া তার আর্থিক লেনদেন নিয়ে এলাকায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযুক্ত মেম্বার আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “দলীয় লোকদের সমন্বয় করে আমি কার্ড বিতরণ করেছি।”

এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি করেছেন।

বাজিতপুরে তীব্র পেট্রোল সংকট: লাইনে ১৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় ২০০ টাকার জ্বালানি

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে তীব্র পেট্রোল সংকট: লাইনে ১৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় ২০০ টাকার জ্বালানি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় তীব্র পেট্রোল সংকটের কারণে মোটরসাইকেল চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। উপজেলার পৈলানপুর এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি ১৭ ঘণ্টা থেকে দেড় দিন পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকেই মাত্র ২০০ টাকার জ্বালানি পাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাম্পটিকে কেন্দ্র করে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে অবস্থান করেও অনেক চালক কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাননি। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে থাকছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রেখে পেট্রোল বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না।

পাম্পের মালিক আরাফাত বাপ্পি জানান, “আগে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১২০০ থেকে ১৫০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো। বর্তমানে চাহিদা বেড়ে ২০০০ থেকে ৩০০০ লিটারে দাঁড়িয়েছে। পাশের উপজেলাগুলোর পাম্প বন্ধ থাকায় কুলিয়ারচর ও নিকলীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে ভিড় করছেন। বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে।”

পেট্রোল নিতে আসা সরারচর বাজারের ব্যবসায়ী মো. সফিক মিয়া বলেন, “৩১ মার্চ সকাল ৯টা থেকে সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পেট্রোল পাইনি। পরদিন ১ এপ্রিল সকাল ৭টায় আবার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ২০০ টাকার জ্বালানি পাই। পরিচিতদের তুলনামূলক বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে, সাধারণ মানুষ সীমিত পরিমাণ পাচ্ছে।”

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “উপজেলায় পেট্রোল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। দ্রুতই আরেকটি পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ চালু করা হবে, এতে চাপ কমবে। নির্ধারিত মূল্যের বাইরে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। খুচরা দোকানে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাময়িক এই সংকট দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছি।”

কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পেট্রোল মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আফরোজ মারলিজ এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের দায়ে করগাঁও ইউনিয়নের আলমগীরকে ১ লাখ টাকা এবং একই অপরাধে মো. কবির মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানকালে চান্দপুর ইউনিয়নের মানিকখালী বাজারে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করার অপরাধে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানার টাকা আদায়ের পাশাপাশি জব্দকৃত পেট্রোল ন্যায্য মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করেন।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, “বিনা অনুমতিতে বালু ও মাটি উত্তোলন এবং পেট্রোল মজুদের মাধ্যমে জনস্বার্থহানি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায় এবং সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত থাকে।”

অভিযান চলাকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।