শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ধানের শীষে ভোট দিয়ে বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি প্রমাণের আহ্বান তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ধানের শীষে ভোট দিয়ে বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি প্রমাণের আহ্বান তারেক রহমানের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি—এটি প্রমাণ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন, বগুড়ার মাটি বিএনপির ঘাঁটি।’

শুক্রবার বিকেল ৩টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা বাসস্ট্যান্ডে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘ধানের শীষ যতবারই জনগণের ভোটে সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছে, ততবারই দেশ ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছে। প্রিয় মোকামতলাবাসী, আমরা আবারও আপনাদের এলাকার উন্নয়ন করতে চাই।’

এ সময় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলমও বক্তব্য দেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে তারেক রহমান নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বগুড়ার মহাস্থানগড়ে হযরত শাহ সুলতান মাহমুদ বলখী মাহিসওয়ার (র.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। এ সময় বগুড়ার বিভিন্ন স্থানে পথের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।

এর আগে সকালে তারেক রহমান বগুড়ার নাজ গার্ডেনের বলরুমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই ভাই-বোন, আমাদের সমাজ ও পরিবারের অংশ। তাদের মধ্যে অনেক প্রতিভা রয়েছে, যা আমাদের অনেকের মধ্যেও নেই। তাই যার যার অবস্থান থেকে আমাদের প্রতিবন্ধীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

শুক্রবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সকলে মিলে বাংলাদেশ গড়বো। আমাদের দেশে যেন সবাই সমান মর্যাদা পায়। প্রতিবন্ধীদের সব ক্ষেত্রে সুযোগ করে দিতে হবে, যাতে তারা আর দশজনের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।’

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর বগুড়ায় এসে খুব ভালো লাগছে। আমি প্রথমেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করছি।’

প্রতিবন্ধী শিশুদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তাদেরও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। তারা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে। আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ গড়ার সৈনিক হবে। তাদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা নিয়ে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শিশু স্বর্গ’ নামে প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রমের মাধ্যমে শিশুদের জন্য একটি স্বর্গসম পরিবেশ তৈরি করতে পারবে—এই প্রত্যাশা করি।’

অনুষ্ঠানে ডা. জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে ২০ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া শিশুরা ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ গানটি পরিবেশন করে এবং নিজেদের তৈরি উপহার তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের হাতে তুলে দেয়।

ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে পাকুন্দিয়ায় যুবক দণ্ডিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে পাকুন্দিয়ায় যুবক দণ্ডিত

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের দায়ে মোশারফ হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে বুধবার সকালে উপজেলার চণ্ডিপাশা ইউনিয়নের আগরপাট্টা এলাকা থেকে মোশারফকে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত মোশারফ হোসেন আগরপাট্টা এলাকার আলম মিয়ার ছেলে।

জানা গেছে, বুধবার ইয়াবা বিক্রি ও সেবনের পাশাপাশি রিপন নামে এক ব্যক্তিকে চাপাতি দিয়ে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে মোশারফের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম হোসাইন রকি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে আটক করেন।

পরে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মোশারফকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

কুলিয়ারচরে নিজের ছেলের ফাঁসি চেয়ে মায়ের আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে নিজের ছেলের ফাঁসি চেয়ে মায়ের আকুতি

‘আমি আমার ছেলের ফাঁসি চাই। না হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।’- নিজের বড় ছেলে ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে এমন কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের রুবিনা বেগম। তাঁর অভিযোগ, মাদকের টাকার জন্য ছেলে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের মারধর ও নির্যাতন করে আসছেন। সর্বশেষ বুধবার রাতে মা ও বোনকে মারধরের পর নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

আগুনে ঘরের আসবাব, কাপড়চোপড়, বই-খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেওয়ায় ভেতরে থাকা ১৫টি হাঁস ও প্রায় ৪০টি দেশি মুরগিও পুড়ে মারা গেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। তাঁদের ভাষ্য, পরনের কাপড় ছাড়া এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়খারচর মহল্লায়, হাবিব কাউন্সিলরের বাড়িসংলগ্ন আবু বক্করের বাড়িতে।

রুবিনা বেগম জানান, তাঁর ছেলে প্রায় প্রতিদিন নেশা করে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করতেন। কখনো দা নিয়ে তাঁদের কোপাতে আসতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুবিনা বলেন, ‘আমি আমার ছেলের ফাঁসি চাই। যদি ফাঁসি দিতে না পারেন, অন্তত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নয়তো আমার এই ছেলে আমার বাকি চার ছেলেকে মেরে ফেলবে, আমাদেরও মেরে ফেলবে।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে বাড়ির সামনে এক দোকানদারের সঙ্গে ফুল মিয়ার মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে কেন দোকানদারকে মারধর করা হয়েছে, তা জানতে চাইলে ফুল মিয়া আমাকেও দা দিয়ে কোপাতে আসে। তখন আমি পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে স্থানীয়দের ডাকি।’

রুবিনার ভাষ্য, পরে স্থানীয়দের নিয়ে বাড়িতে ফিরে তাঁরা দেখতে পান, ঘরে আগুন জ্বলছে। ঘরের দরজাগুলো বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘটনার আগে বাড়ির সামনে একটি দোকানে বাকি চান ফুল মিয়া। দোকানদার আবুল হোসেন (৬০) বাকি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফুল মিয়া তাঁকে রড দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। আবুল হোসেন সম্পর্কে ফুল মিয়ার দাদা।

পরে দোকানদারকে মারধরের বিষয়টি জানতে চাইলে বাবা আবু বক্করের সঙ্গে ফুল মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় মা ও বোনের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ হয়। একপর্যায়ে বোনকে মারধরের পর ফুল মিয়া ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন বলে পরিবারের অভিযোগ।

আগুন লাগার পর স্থানীয়রা তা নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের প্রায় সবকিছু পুড়ে যায়।

পরিবারের দাবি, আগুনে আসবাব, কাপড়চোপড়, বই-খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের পাশাপাশি ঘরে থাকা ১৫টি হাঁস ও প্রায় ৪০টি দেশি মুরগি পুড়ে মারা গেছে। দরজা তালাবদ্ধ থাকায় হাঁস-মুরগিগুলো বের হতে পারেনি বলে জানান তাঁরা।

ফুল মিয়ার ছোট ভাই দিপু বলেন, ‘আমরা চার ভাই বাড়িতে থাকি না, ঢাকায় কাজ করি। বড় ভাই প্রতিদিন মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে নির্যাতন করে। গত রাতে সে আমাদের একেবারে নিঃস্ব করে দিয়েছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমরা এ ঘটনার কঠিন বিচার চাই।’

ফুল মিয়ার বাবা আবু বক্কর বলেন, ‘নিজের ছেলে আমাদের এভাবে শেষ করে দেবে, কখনো ভাবিনি। মাদকের টাকার জন্য সে প্রায়ই আমাদের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করে। গত রাতের ঘটনায় ঘরবাড়ি, কাপড়চোপড়, আসবাব সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি বাবা হয়ে তার শাস্তি চাইতে বাধ্য হচ্ছি।’

তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পুলিশের হেফাজতে থাকা ফুল মিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তাঁকে নির্যাতনের অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন এবং তিনি কাজ করেন না বলে বকাঝকা করেন।

ঘরে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘরে তাঁরও অংশ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বকাঝকা করায় তিনি এমন করেছেন বলে জানান।

কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইলিয়াস ভূঁইয়া বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অভিযুক্ত ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মাদকের ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট, তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
মাদকের ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট, তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করার পর কিশোরগঞ্জের এক তরুণকে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে মারধর এবং মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া ওই ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের হাজিরগল এলাকার বাসিন্দা শাহীন (২২) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি অভিযোগটি দেন। অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন হাজিরগল এলাকার সুলতানের ছেলে আহাম্মদ (৩৫), বিপ্লবের ছেলে রোমন (২০), জয়নাল (৪১), আব্দুল বারিকের ছেলে সাইদুল (৩৫) এবং জয়নালের ছেলে শফিকুল (১৯)।

শাহীন অভিযোগে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করেন। প্রায়ই তাঁর বাড়ির সামনে মাদক বিক্রি করা হয়। একপর্যায়ে তিনি বাড়ির সামনে আহাম্মদকে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শাহীন।

পরে মাদক বিক্রির দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করেন শাহীন। অভিযোগে তিনি বলেন, ওই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে নিতে তাঁকে চাপ দেওয়া হয়। ভিডিওটি মুছে না ফেললে তাঁকে ‘ছাড় দেওয়া হবে না’ বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

শাহীন অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আহাম্মদ ও রোমন তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে রাউতের বাজার এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁরা লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে ওই ফোন থেকে ফেসবুকে পোস্ট করা মাদক বিক্রির ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মাদক বিক্রিতে বাধা না দিতে এবং এ বিষয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ না করতেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শাহীন।

শাহীন আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে কারও কাছে অভিযোগ করলে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পান বলে জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।