বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে চিন্ময় কৃষ্ণকে ৫ ঘণ্টার প্যারোল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে চিন্ময় কৃষ্ণকে ৫ ঘণ্টার প্যারোল

মায়ের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় অংশ নিতে কারাগারে বন্দী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে পাঁচ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দিয়েছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) সৈয়দ মাহবুবুল হক প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মেখল পুণ্ডরীক ধামে মারা যান চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা শ্রীমতী সন্ধ্যা রানী ধর (৭১)। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার জন্য এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।

ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের সহসভাপতি স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাশ ব্রহ্মচারী বলেন, সন্ধ্যা রানী ধর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পুণ্ডরীক ধামেই তাঁর শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে। মায়ের মৃত্যুর পর দুপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় দাসের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়।

এর আগে বুধবার মৃত্যুশয্যায় থাকা মাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগ দেওয়ার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের প্যারোলে মুক্তির আবেদন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে করা হয়েছিল। তবে ওই আবেদনে সাড়া পাওয়া যায়নি বলে জানান স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাশ ব্রহ্মচারী।

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক বলেন, অসুস্থ অবস্থায় কাউকে দেখার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আইনি কোনো সুযোগ নেই। কেবল কোনো স্বজন মারা গেলে এ সুযোগ পাওয়া যায়। এ কারণে আগের আবেদনটি গ্রহণ করার সুযোগ ছিল না।

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী মো. তারেক আজিজ বলেন, আইন অনুযায়ী সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মা সন্ধ্যা রানী ধর ক্যানসারসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় দুই মাস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী গত মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে পুণ্ডরীক ধামে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

চিন্ময় কৃষ্ণ দাস তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার ছোট।

সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’র আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’র আত্মপ্রকাশ

গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও ঐক্য ধরে রাখা এবং সাংবাদিকতায় পেশাগত নীতি ও জনগণের স্বার্থকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে সাংবাদিকদের নতুন সংগঠন ‘জুলাই জার্নালিস্ট ইউনিটি’ (জেজেইউ) আত্মপ্রকাশ করেছে। সংগঠনটির ৩২ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন সাইফুর রহমান সাগর এবং সদস্যসচিব হয়েছেন আহসান কামরুল।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, স্বাধীনভাবে কথা বলার জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগ করেছে। কিন্তু এরপর চারটি গণমাধ্যম ছাড়া সব গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। একজন অভিভাবকের কাছ থেকে এমন আচরণ কতটা কাম্য, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

অধ্যাপক কামরুল আহসান বলেন, ‘আমরা ২০২৪ সালে এত কষ্ট করলাম। কিন্তু এখন কিসের জন্য এত বিভাজন হলো? এসব দেখে জুলাই যোদ্ধা হিসেবে লজ্জিত হই। আমরা আমাদের ঐক্য ধরে রাখতে পারছি না। এত ত্যাগের পর মাত্র কয়েক দিন যেতে না যেতেই আমরা আবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। যে তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারের অভাবের অভিযোগ কেন আসবে? আমরা কেন রক্ত দিয়েছিলাম, সেটি বারবার ভুলে যাচ্ছি। আমরা কবে মানুষ হব?’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বিজয় ঐক্যের ভিত্তিতে এসেছে। যারা শত শত মানুষ মেরে ফেলেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এত ব্যস্ত হয়ে উঠলাম কেন?’

সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কামরুল আহসান বলেন, বর্তমান সরকারের ওপর মানুষের প্রত্যাশা অনেক। তাই দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে হবে। মানুষ যাতে বাজার থেকে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে এবং নিরাপদে বাঁচতে পারে, সে ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে।

বিরোধী দলের সাম্প্রতিক একটি কর্মসূচির সমালোচনা করে অধ্যাপক কামরুল আহসান বলেন, সংকটের মধ্যে অনেক গাড়ি নিয়ে চট্টগ্রামে যাওয়া হয়েছে। অথচ ভার্চুয়ালিও সেই কর্মসূচি করা সম্ভব ছিল।

অনুষ্ঠানে আলোকচিত্রী শহিদুল আলম বলেন, ‘এই প্ল্যাটফর্মে কোনো নারী নেই। এজন্য খারাপ লাগছে। অভ্যুত্থানে কিন্তু নারীদের অনেক ভূমিকা ছিল।’

সাংবাদিকতায় দলীয় পরিচয় পরিহারের আহ্বান জানিয়ে শহিদুল আলম বলেন, সাংবাদিকতা হতে হবে জনগণের স্বার্থে। দলীয় সাংবাদিক হওয়া যাবে না। সাংবাদিকতা করতে গিয়ে নীতি মানতে হবে। প্রেসকার্ডের জোরে কোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ‘কাউকে বলতে শুনি আওয়ামী লীগের সাংবাদিক, বিএনপির সাংবাদিক। এটা হওয়া যাবে না।’

জাতীয় প্রেসক্লাবের বাইরে শেখ হাসিনার বিশাল ছবি ঝুলত, যা সাংবাদিকেরাই করেছিলেন বলেও মন্তব্য করেন শহিদুল আলম। ভবিষ্যতে অন্য কারও ছবি ঝুললেও তাতে অবাক হবেন না বলেও জানান তিনি।

মানবাধিকার, আইন ও গুম ইস্যুতে যেসব পরিবর্তনের প্রত্যাশা ছিল, সেসব এখনো দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন শহিদুল আলম।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জেজেইউর আহ্বায়ক সাইফুর রহমান সাগর বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের আড়াই বছরেও এমন সংগঠন হয়নি। এখন কেন হয়েছে, এটি সময়ের প্রয়োজনেই হয়েছে। জুলাইয়ে যেসব সাংবাদিক অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন, তাঁরা এই সংগঠনে থাকবেন।

আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে সাইফুর রহমান সাগর, সদস্যসচিব হিসেবে আহসান কামরুল, যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে লুৎফর রহমান বাদল ও তালুকদার রুমী এবং যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে আবদুর রহিম কেফায়েত ও শাকিলের নাম ঘোষণা করা হয়।

মেলবোর্নে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
মেলবোর্নে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সমাবেশ

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য মেলবোর্নে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক।

সমাবেশে বক্তব্য দেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এইচ এম তৌহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হায়দার আলী এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক অমি ফেরদৌস। স্বাগত বক্তব্য দেন ভিক্টোরিয়া বিএনপির সিনিয়র আহ্বায়ক ওমর শরীফ শিহান। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভিক্টোরিয়া বিএনপির আহ্বায়ক আরিফ খান।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন খন্দকার মিলন হক, মো. শরিফ মাহমুদ, মো. ওমর ফারুক, মো. বদিউজ্জামান শিপন, রাশিদুল আমিন মনির, আল-আমিন মাসুম, দেওয়ান মামুন, মো. রহমতউল ইসলাম ও খায়রুল সাদমান অংকন। সমাবেশ সঞ্চালনা করেন আশিক মালেক বিপুল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট, ভিসা, নথিপত্রসহ বিভিন্ন কনস্যুলার সেবা গ্রহণের জন্য দূরবর্তী স্থানে যেতে হয়। এতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সময় ও অর্থ ব্যয় হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বক্তারা বলেন, মেলবোর্নে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠা করা হলে ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত হাজার হাজার বাংলাদেশি সহজে ও দ্রুত কনস্যুলার সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এ কারণে মেলবোর্নে একটি বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠার দাবি দীর্ঘদিনের।

সমাবেশে বক্তারা মেলবোর্নে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠার দাবির প্রতি ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

বক্তারা বিএনপির ৪৮ বছরের রাজনৈতিক পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের প্রতি দলের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে ভিক্টোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। বিশেষ করে কনস্যুলার সেবা সহজলভ্য করার জন্য মেলবোর্নে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন বক্তারা।

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের রায়

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। এ-সংক্রান্ত পূর্বে জারি করা রুল খারিজ করে আদালত এ রায় দেন।

আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষে আইনি শুনানি পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন এবং ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।

মামলার বিবরণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া সূত্রে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭—এই পাঁচটি করবর্ষের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পুনর্মূল্যায়নকৃত কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট পিটিশন করা হয়।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত এনবিআরের কর দাবির ওপর রুল জারি করেন। ওই রুলের মাধ্যমে পুনর্মূল্যায়ন করে এনবিআরের আরোপ করা কর দাবির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে, গত ৪ অক্টোবর বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ-সংক্রান্ত তাঁদের পূর্ববর্তী রায় স্বপ্রণোদিতভাবে (সুওমোটো) প্রত্যাহার করে নেন।

একই সঙ্গে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য মামলার নথি তৎকালীন প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়।

এরপর প্রধান বিচারপতি রিট দুটি পুনঃশুনানির জন্য বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন নতুন হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠান। নতুন বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রুলটি চূড়ান্তভাবে খারিজ করে রায় দেওয়া হয়।

ফলে গ্রামীণ কল্যাণকে পাঁচ করবর্ষের জন্য এনবিআরের পুনর্মূল্যায়নকৃত দাবির ভিত্তিতে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে হাইকোর্টের এ রায়ে নির্ধারিত হলো।