বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩

২৬ বছর পর আদালতে ১০৪ বছরের আসামি, মিলল না জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
২৬ বছর পর আদালতে ১০৪ বছরের আসামি, মিলল না জামিন

২৬ বছর আগে কিশোরগঞ্জের বড় বাজারে দোকানে ডাকাতি ও দুই ব্যক্তি হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়েছিলেন নুর মোহাম্মদ। পরে উচ্চ আদালতে তাঁর সাজা কমে হয় ১০ বছরের কারাদণ্ড। কিন্তু সেই সাজাও ভোগ করেননি তিনি। দীর্ঘ ২৬ বছর পর মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন ১০৪ বছর বয়সী এই আসামি। তবে বয়স ও নানা শারীরিক অসুস্থতার কথা তুলে ধরে জামিন চাইলেও শেষ পর্যন্ত জামিন পাননি তিনি।

ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে জামিনের আবেদন করেন নুর মোহাম্মদ। শুনানি শেষে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নুর মোহাম্মদের আইনজীবী ফয়সাল আহমেদ আদালতে বলেন, তাঁর মক্কেলের বয়স ১০৪ বছর। তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত। বয়সজনিত কারণে স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলাও করতে পারেন না। নিয়মিত চিকিৎসা ও ওষুধ সেবন করতে হয় তাঁকে।

আইনজীবী আরও বলেন, শারীরিকভাবে অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও নুর মোহাম্মদ স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাঁর বয়স, শারীরিক অসুস্থতা ও চিকিৎসার বিষয়টি বিবেচনা করে আপিলের শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন করেন তিনি।

তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে নুর মোহাম্মদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০০ সালের ৩০ ডিসেম্বর রাতে কিশোরগঞ্জের বড় বাজার এলাকায় ফেরদৌসের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা দোকানের সিন্দুক ভেঙে সাড়ে ১২ লাখ টাকা ও ১১০ ভরি স্বর্ণ লুট করে নিয়ে যায়। এ সময় মোশাররফ হোসেন ও আবদুল কবির নামে দুই ব্যক্তি নিহত হন।

ঘটনার পর দোকান মালিক ফেরদৌস কিশোরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কিশোরগঞ্জ থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন।

পরবর্তী সময়ে মামলাটি কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। মামলায় ১৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ২০০৩ সালের ১৬ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন ঢাকার চতুর্থ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল।

২০০৩ সালের রায়ে হাবিবুর রহমান, শাহ আলম, মঈন উদ্দিন, নুর মোহাম্মদ, আলম, দিলু ওরফে দেলোয়ার হোসেন, শুকুর আলী ও আলতু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

অন্যদিকে জসিম, সিদ্দিক, আমির চান, কবির ও বজলুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স এবং আসামিদের করা আপিলের শুনানি হয় উচ্চ আদালতে। ২০০৭ সালের ১৯ আগস্ট উচ্চ আদালত রায় দেন।

ওই রায়ে কেবল আলমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়। একই রায়ে নুর মোহাম্মদের মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

তবে উচ্চ আদালতের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডও ভোগ করেননি নুর মোহাম্মদ। মামলার বিচার চলাকালে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেওয়ার পর আদালত থেকে জামিন নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান তিনি।

২০০৩ সালে মামলার রায় ঘোষণার সময়ও তিনি আদালতের কাছে পলাতক আসামি ছিলেন। এরপর কেটে যায় দীর্ঘ সময়। অবশেষে ২৬ বছর পর মঙ্গলবার তিনি আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন।

আদালতে তাঁর আইনজীবী বয়স ও অসুস্থতার বিষয়টি তুলে ধরে জামিনের আবেদন করলেও তা নামঞ্জুর হয়। ফলে দীর্ঘদিন পর ১০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ১০৪ বছর বয়সী নুর মোহাম্মদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হলো।

ভৈরবে ঝালমুড়ি ও ফুসকা বিক্রেতাদের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ঝালমুড়ি ও ফুসকা বিক্রেতাদের দ্বন্দ্বে সংঘর্ষ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ, গ্রেপ্তার ৪

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ঝালমুড়ি ও ফুসকা বিক্রির জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তিন রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আদর্শপাড়া এলাকার যুবকদের সঙ্গে গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি এলাকার যুবকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আদর্শপাড়া গ্রামের আরমান মিয়া ঝালমুড়ি বিক্রি করতে বাঁশগাড়ি বালুর মাঠে যান। সেখানে ঝালমুড়ি ও ফুসকা বিক্রির জায়গা নিয়ে বাঁশগাড়ি এলাকার ফুসকা বিক্রেতা কবীর মিয়ার সঙ্গে তাঁর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ব্যক্তিগত ওই বিরোধ দুই এলাকার লোকজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

পরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে আরমান মিয়াসহ পাঁচজন আহত হন। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে ওই সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এরই জের ধরে মঙ্গলবার বিকেলে দুই এলাকার লোকজন ইট-পাটকেল, লাঠিসোঁটা ও টেঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ভৈরব থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তিন রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সংঘর্ষে আহত জুনায়েদ মিয়া (৩০), সাব্বির আহমেদ (২২), লাল মিয়া (১৫), কামরুল হোসেন (৩৫), ইমন মিয়া (২১), জুয়েল মিয়া (৩০) ও হৃদয় মিয়া (১৫) ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কামরুল হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া ওমর ফারুক (১৮), সজীব মিয়া (১৯)সহ আহত অন্যরা বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন গজারিয়া ইউনিয়নের বাঁশগাড়ি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আতাউর (৩৪), একই এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে মো. কবীর হোসেন (৩৮) এবং কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের আদর্শপাড়া এলাকার মৃত আউয়াল মিয়ার ছেলে শুভ মিয়া (১৮) ও তাঁর ভাই রকি মিয়া (২০)।

আদর্শপাড়া এলাকার ঝালমুড়ি বিক্রেতা আরমান মিয়া বলেন, ‘আমি বাঁশগাড়ি বালুর মাঠে ঝালমুড়ি বিক্রি করতে গেলে অন্য ব্যবসায়ীরা বাধা দেন। এমনকি ওই এলাকার কিছু মানুষ ঝালমুড়ি খেয়ে টাকা কম দেন এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতে গেলে আমাকে ও আমাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে বিষয়টি সংঘর্ষে রূপ নেয়।’

তবে বাঁশগাড়ি এলাকার ফুসকা বিক্রেতা কবীর মিয়ার দাবি, বালুর মাঠে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে এবং আরমান মিয়া জায়গা চাইলে তাঁকে নির্ধারিত জায়গা দিতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘পরে সে সেখানে না গিয়ে অন্য জায়গায় ঝালমুড়ি বিক্রি করে। সেখানে ঝালমুড়ি বিক্রির টাকা কম নেওয়া নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়। পরে সে বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে আমাদের এলাকার মানুষের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিষয়টি দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষে রূপ নেয়।’

ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ বলেন, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যতটুকু জানতে পেরেছি, ঝালমুড়ি বিক্রির জায়গা নিয়ে ফুটবল খেলার মাঠে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ঘটনাস্থল এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগ ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণে সমবায় বিভাগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

‘সমবায়ে শক্তি, সমবায়ে মুক্তি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) উপজেলা সমবায় কার্যালয় চত্বরে উপজেলা সমবায় বিভাগ এ কর্মসূচির আয়োজন করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে র‍্যালি, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুনের সভাপতিত্বে র‍্যালি শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোছা. সাহেনা আক্তার, বিভিন্ন সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশ রক্ষায় গাছ কাটার পরিবর্তে বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। সমবায় সমিতির প্রতিটি সদস্য অন্তত একটি করে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগালে দেশের সবুজায়ন আরও দ্রুত এগিয়ে যাবে।

বক্তারা আরও বলেন, বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার পাশাপাশি হোসেনপুরকে আরও সবুজ ও নির্মল হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এ জন্য সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন।

পরে উপজেলা সমবায় বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সমবায় সমিতির সদস্যদের মধ্যে বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়নে এ ধরনের কর্মসূচি সারা বছর অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মিঠামইনের তৈমোর হোসেন খান রাষ্ট্রপতির এপিএস নিয়োগ পেলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
মিঠামইনের তৈমোর হোসেন খান রাষ্ট্রপতির এপিএস নিয়োগ পেলেন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের চারিগ্রামের কৃতী সন্তান মো. তৈমোর হোসেন খান মহামান্য রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তাঁর এ নিয়োগের খবরে কিশোরগঞ্জসহ বৃহত্তর হাওরাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে মো. তৈমোর হোসেন খানকে রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল অথবা রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি সাপেক্ষে—যেটি আগে ঘটে—ততদিন এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সহকারী একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মো. তৈমোর হোসেন খানকে অন্য কোনো পেশা বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা যাবে না। একই সঙ্গে সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কিংবা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্কও পরিত্যাগ করতে হবে। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিঠামইনের প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চলের চারিগ্রাম থেকে উঠে এসে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ পাওয়াকে এলাকার মানুষ নিজেদের জন্যও গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন। নিয়োগের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের পক্ষ থেকে মো. তৈমোর হোসেন খানকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর নতুন দায়িত্বে সফলতা কামনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ দায়িত্ব তিনি দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

মিঠামইনের মাটি থেকে উঠে এসে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োগ পাওয়ার এ অর্জন হাওরাঞ্চলের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।