মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিল সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভারত থেকে আরও দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দিল সরকার

ভারত থেকে বেসরকারিভাবে নতুন করে আরও দুই লাখ টন সিদ্ধ চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ঢাকার এই সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতীয় চালকল মালিক ও রপ্তানিকারকরা। নতুন অনুমতির ফলে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতের জন্য চাল রপ্তানির সুযোগ আরও বিস্তৃত হলো।

বার্তাসংস্থা পিটিআই মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার ২৩২টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে আগামী ২০২৬ সালের ১০ মার্চ পর্যন্ত চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চালকল মালিকদের দাবি, ২০২৫ সালের আগস্টে বাংলাদেশ প্রথম দফায় চাল আমদানির পরিকল্পনার কথা জানায়। সদ্য অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল সেই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হলো। বন্যায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতির কারণে মজুদ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

ভারতীয় চাল রপ্তানিকারকদের সংগঠন আইআরইএফ-এর সভাপতি প্রেম গার্গ পিটিআইকে বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবেই ভারতের চালের অন্যতম বড় ক্রেতা। ভৌগোলিক নিকটতা এবং প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে অন্ধ্রপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরাই এই রপ্তানি থেকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন বলে তিনি মনে করেন।

এদিকে ‘জয় বাবা বাকেশ্বর চাল মিল’-এর পরিচালক রাহুল খৈতান বলেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বাড়ায় সরকার বেসরকারিভাবে চাল আমদানির পথ খুলে দিয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন করে অনুমোদিত দুই লাখ টন চাল আগে ঘোষিত পাঁচ লাখ টনের সঙ্গে যুক্ত হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশে সিদ্ধ চালের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মোট ৯ লাখ টন চাল আমদানির মধ্যে পাঁচ লাখ টন বেসরকারিভাবে এবং চার লাখ টন সরকারিভাবে সংগ্রহ করা হবে।

ভারতীয় ব্যবসায়ীরা জানান, চাল রপ্তানিতে ভারত এখনো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও সাশ্রয়ী অংশীদার। সাম্প্রতিক বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সাদা চালের দাম প্রতি টন ৩৫১ থেকে ৩৬০ মার্কিন ডলার, যেখানে পাকিস্তানের চালের দাম প্রায় ৩৯৫ মার্কিন ডলার।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে এ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। ‘সবাই মিলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করি, নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি’ এবং ‘জমে থাকা পানি অপসারণ করি, ডেঙ্গুমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ি’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্কাউট দলের সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানে অংশগ্রহণকারীরা সম্মিলিতভাবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ করা হয়, যাতে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে না পারে।

এ সময় ফগার মেশিনের সাহায্যে মশকনিধন ওষুধ ছিটানো হয়। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশে মশার উপদ্রব কমানো এবং ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হাবীবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সালাম আকন্দ এবং উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. জি. এম. শফিউর রহমান।

অভিযান চলাকালে বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে বাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় যাতে পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পাসকে পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুর ঝুঁকিমুক্ত রাখতে সম্মিলিতভাবে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

কলেরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে তাড়াইলে অ্যাডভোকেসি সভা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
কলেরা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়ে তাড়াইলে অ্যাডভোকেসি সভা

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে প্রতিরোধমূলক মুখে খাওয়ার কলেরা টিকাদান (pOCV) ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর দ্বিতীয় রাউন্ড সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিকল্পনা ও অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টায় তাড়াইল উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আখতার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলার সার্ভিলেন্স অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন অফিসার ডা. তানজিম আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অতীশ দাস রাজীব।

সভায় উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রিয়া রায়সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া তাড়াইলের স্থানীয় সাংবাদিকরাও সভায় অংশ নেন।

সভায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য কলেরা টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। নির্ধারিত জনগোষ্ঠীকে টিকার দ্বিতীয় ডোজের আওতায় আনা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, কলেরা প্রতিরোধে টিকাদানের পাশাপাশি নিরাপদ পানি পান, স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে। একই সঙ্গে টিকাদান কর্মসূচি সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সভায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেরা টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

বিদায়ের শেষ মুহূর্তে সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্রে কুলিয়ারচরের ইউএনও

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
বিদায়ের শেষ মুহূর্তে সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্রে কুলিয়ারচরের ইউএনও

কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, জনবান্ধব মনোভাব ও কার্যকর প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিজের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার। দায়িত্বকাল শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্র ও মতবিনিময় সভার আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় নিলেন তিনি। উপজেলায় প্রথমবারের মতো বিদায়লগ্নে স্থানীয় সাংবাদিকদের সম্মান জানাতে এমন আয়োজন করেন এই কর্মকর্তা।

কুলিয়ারচরে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন। ফলে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর ছিল দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক সম্পর্ক।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি এক আদেশে তাঁর বদলির নির্দেশ জারি হয়। এর পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানান তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী চা-চক্র ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, সাংবাদিক মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম, আলি হায়দার, মোহাম্মদ আরীফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সোহেল, লোকমান হোসাইন, আহমেদ সিফাত, মো. কামরুল ইসলাম মুছা, প্রবীর চন্দ্র সূত্রধর শম্ভু, সজীব আহমেদ, মো. সবুজ মিয়া, মাহিন আহমেদ, আজিজুল ইসলাম ও মোবারক হোসেন উপস্থিত ছিলেন। নারী সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোছা. শরিফুন্নেছা শুভ্রা, ফারজানা আক্তার, শাহীন সুলতানা ও মোছা. নিলুফা আক্তার নীলাসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

বিদায়ী চা-চক্রে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকারের কর্মকালীন সময়ের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করা হয়। এ সময় তাঁর গৃহীত জনসেবামূলক উদ্যোগ, প্রশাসনিক তৎপরতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আবেগঘন বক্তব্যে বিদায়ী ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, “ইউএনও হিসেবে কুলিয়ায়রচরে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার কর্মজীবনের প্রথম ও অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা প্রশাসনের সহকর্মীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সহযোগিতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। একটি উপজেলার প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অবকাঠামোগত নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার সমন্বিত অগ্রগতিই প্রকৃত উন্নয়ন।”

মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে জনমুখী করতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যম যেমন জনদুর্দশার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরে, তেমনি সরকারের উন্নয়নকাজের খবরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। নদীবেষ্টিত কুলিয়ারচরের কৃষি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নাগরিক সমস্যা দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সভাটি শেষ হয়। সাংবাদিকরা বিদায়ী ইউএনওর বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।