বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক মেনু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হক মেনু

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছেন কটিয়াদীর দলিল লেখক ও সাংবাদিক মাইনুল হক মেনু। দীর্ঘদিনের পেশাগত অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়তা এবং দলিল লেখকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিবেচনায় তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার পক্ষ থেকে দেওয়া এক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন বার্তায় জানানো হয়, গত ১৩ জুন ২০২৬ জেলা শাখার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণ করা হয়। পরবর্তী সময়ে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে মাইনুল হক মেনুকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করা হয়।

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ শহরের সিটি কনভেনশন হলে নবনির্বাচিত ও মনোনীত কমিটির সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে মাইনুল হক মেনুরও নতুন দায়িত্বে শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে।

মাইনুল হক মেনু দীর্ঘদিন ধরে কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখার পেশার সঙ্গে যুক্ত। তিনি কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখক সমিতির কার্যকরী কমিটিতে একাধিকবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা, সদস্যদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি পেশাগত স্বার্থ সংরক্ষণেও তিনি ভূমিকা পালন করে আসছেন।

এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সহপ্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় পর্যায়ের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সংগঠনের কার্যক্রমেও সম্পৃক্ত রয়েছেন তিনি।

দলিল লেখার পেশার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত মাইনুল হক মেনু। তিনি দৈনিক দিনকালের কটিয়াদী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি তিনি কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

মাইনুল হক মেনুর নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তির খবরে কটিয়াদীর দলিল লেখক ও সাংবাদিকদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তার পেশাগত অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখবে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মাইনুল হক মেনু কিশোরগঞ্জ জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মহিউদ্দিন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মো. ফুরকান উদ্দিন মানিক, জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ এবং কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সব দলিল লেখকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, নতুন দায়িত্ব তার জন্য যেমন সম্মানের, তেমনি এটি একটি বড় দায়িত্বও। দলিল লেখকদের পেশাগত মর্যাদা, অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে সংগঠনকে আরও ঐক্যবদ্ধ ও গতিশীল করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

ভৈরবে নিজ বাড়ি থেকে ভ্রাম্যমাণ আইসক্রিম বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে নিজ বাড়ি থেকে ভ্রাম্যমাণ আইসক্রিম বিক্রেতার মরদেহ উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে নিজ বাড়ি থেকে সিদ্দিক মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সিদ্দিক মিয়া ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ লাল মাহমুদের ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক এবং পেশায় একজন ভ্রাম্যমাণ আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে বাড়ির লোকজন সিদ্দিক মিয়াকে বাড়ির একটি গাছের ওপর ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাঁকে দ্রুত নিচে নামিয়ে আনা হয়। খবর পেয়ে ভৈরব থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, সিদ্দিক মিয়া কয়েক বছর ধরে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা ও জীবনযাপন করছিলেন না। তাঁর আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা ছিল বলেও পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভৈরব থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হাসান জোয়ারদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।

কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ আ’লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ আ’লীগের ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১১ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পৃথক চিরুনি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় দুজন, করিমগঞ্জে একজন, হোসেনপুরে একজন, কটিয়াদীতে তিনজন, ভৈরবে একজন, নিকলীতে দুজন এবং ইটনায় একজন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেকান্দর আলী (৪৫), মাইজখাপন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. খোকন মিয়া (৫৫), হোসেনপুরের গোবিন্দপুর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. দুলাল মিয়া (৫৩), ইটনা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. আবু তালেব (৪৩), করিমগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক মো. প্রান্ত (২৪), নিকলী আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ আলী বিজয় (৪১) ও মো. আলমগীর (৩০), ভৈরবের শ্রীনগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. স্বপন আহমেদ (৪০), কটিয়াদীর ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সদস্য মো. মিয়াদ (৪০), আওয়ামী লীগের ইউপি সহসভাপতি মো. গোলাপ মিয়া (৫৮) এবং যুবলীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি তোতা মিয়া (৪২)।

জেলা পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশ আরও জানায়, কিশোরগঞ্জ জেলাকে নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য সাধারণ মানুষ ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২২ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন ২২ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৪ জন। তবে এ সময়ে ডেঙ্গুতে নতুন করে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ তথ্যমতে, চলতি বছরের ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিশোরগঞ্জে মোট ৬৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬০২ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হাসপাতালভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৭ জন এবং কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ ছাড়া বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, ভৈরবে ১০ জন, করিমগঞ্জে ৫ জন, কুলিয়ারচরে ২ জন, হোসেনপুরে ১ জন, পাকুন্দিয়ায় ১ জন, ইটনায় ২ জন, মিঠামইনে ২ জন এবং প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরিফুর ইসলাম জানান, কয়েক দিন ধরে জ্বর, শরীর ব্যথা ও দুর্বলতায় ভুগছিলেন তিনি। পরীক্ষা করানোর পর ডেঙ্গু শনাক্ত হলে হাসপাতালে ভর্তি হন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে মানুষের মধ্যে আরও সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

রোগীর স্বজন জহির উদ্দিন বলেন, ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করায় রোগীর শারীরিক অবস্থা আগের তুলনায় ভালো হয়েছে। তিনি বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার আহ্বান জানান।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোটামুটি সন্তোষজনক। এখন পর্যন্ত জেলায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে ভৈরবের দুজন ডেঙ্গু রোগী ঢাকায় ও ময়মনসিংহে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু শনাক্তের জন্য জেলায় পর্যাপ্ত কিট রয়েছে। পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা বাড়াতে কার্যক্রম চলছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে পৌরসভাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনও তৎপর রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও পানি জমতে না দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।