বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

তাড়াইলে সারের জন্য কৃষকের ছোটাছুটি, কোথাও সংকট- কোথাও বেশি দাম

রুহুল আমিন প্রকাশিত: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তাড়াইলে সারের জন্য কৃষকের ছোটাছুটি, কোথাও সংকট- কোথাও বেশি দাম

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় আমন ধানের আবাদ শুরু হওয়ায় মাঠে ব্যস্ততা বেড়েছে কৃষকদের। তবে আমন চাষের গুরুত্বপূর্ণ এ সময়ে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক কৃষককে এক বাজার থেকে অন্য বাজারে ছুটতে হচ্ছে। কোথাও সার না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে, আবার কোথাও অল্প পরিমাণ সার মিললেও সরকারি নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

কৃষকদের অভিযোগ, তাড়াইলের বিভিন্ন এলাকায় ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সারের সরবরাহ নিয়ে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী সার না পাওয়ায় একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা, অন্যদিকে সময়মতো জমিতে সার প্রয়োগ করতে না পারলে আমনের ফলনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

তবে উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলায় পর্যাপ্ত সার মজুত রয়েছে এবং সারের কোনো সংকট নেই। কৃষি বিভাগের এমন দাবির সঙ্গে মাঠপর্যায়ের কৃষকদের অভিজ্ঞতার পার্থক্যই এখন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—মজুত পর্যাপ্ত থাকলে প্রয়োজনের সময় কৃষকের হাতে সার পৌঁছাচ্ছে না কেন?

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তাড়াইল উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের জন্য ইউরিয়া সারের চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৩০ মেট্রিক টন। একই সময়ে টিএসপি ৯০১ মেট্রিক টন, ডিএপি ১ হাজার ৮৬৮ মেট্রিক টন এবং এমওপি ১ হাজার ২৯৪ মেট্রিক টন সারের চাহিদা রয়েছে।

চলতি মৌসুমে উপজেলায় আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৮২৩ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ৫৪০ হেক্টর, উফশী ৭ হাজার ২৮০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ধান ৩ হেক্টর।

কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত হাইব্রিড ধানের আবাদ হয়েছে ৫০০ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ধান ৩ হেক্টর। সব মিলিয়ে আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৪৫৩ হেক্টর জমিতে।

সারের সংকট ও সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ করেছেন কৃষক ছিদ্দিকুর রহমান ভূঁইয়া, আইনুল ইসলাম, রুকন মিয়া, শামীম মিয়া, ফজলুর রহমান, দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে।

কৃষকদের প্রশ্ন, কৃষি বিভাগ যদি উপজেলায় পর্যাপ্ত সার মজুত থাকার কথা বলে, তাহলে মাঠপর্যায়ের বিক্রেতাদের কাছে কেন চাহিদা অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি সরেজমিনে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি এবার ৩০ শতাংশ জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। বর্তমানে সার সংগ্রহ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন। ডিলারের কাছে গেলেও প্রয়োজন অনুযায়ী সার পাওয়া যাচ্ছে না। এখনো সার কিনতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, সার সংগ্রহের জন্য আবারও যেতে হবে।

তাড়াইল-সাচাইল ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স শাহাব উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, তাড়াইলে সারের সংকট তৈরি হয়েছিল। পরে কৃষি বিভাগের সমন্বয়ে জেলা সদর ইউনিয়ন থেকে কিছু সার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, সংকট একেবারে নেই- এমনটা বলা যাবে না। বরাদ্দ কম থাকায় চাহিদা অনুযায়ী কৃষকদের সার দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। গত বছরের তুলনায় এবার বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠপর্যায়ে খোঁজ নিয়ে সারের পরিস্থিতিতে ভিন্নতা দেখা গেছে। কোনো কোনো এলাকায় কৃষকেরা প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। আবার কোথাও সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া গেছে।

এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে—উপজেলা কৃষি বিভাগের দাবি অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার মজুত থাকলে সরবরাহ ব্যবস্থার কোন পর্যায়ে ঘাটতি তৈরি হচ্ছে? বরাদ্দের পরিমাণ স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, ডিলার পর্যায়ে সরবরাহ ঠিকমতো হচ্ছে কি না এবং সরকারি মূল্যে সার কৃষকের হাতে পৌঁছাচ্ছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কারণ আমন মৌসুমে সময়মতো জমিতে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করতে না পারলে কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ার পাশাপাশি ফসলের ফলনেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগের বিষয়ে তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায় বলেন, উপজেলায় পর্যাপ্ত সার রয়েছে। সারের কোনো সংকট নেই।

সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগও অস্বীকার করেন তিনি। তার দাবি, কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাস্টাররোলে কৃষকদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে সার বিতরণ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, চাহিদার বিপরীতে উপজেলায় পর্যাপ্ত সার রয়েছে। এরপরও কোনো কৃষক প্রয়োজনের সময় সার না পাওয়ার অভিযোগ করলে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।

তবে কৃষকদের অভিযোগ ও কৃষি বিভাগের দাবির মধ্যে যে পার্থক্য তৈরি হয়েছে, তার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ, বরাদ্দ, ডিলার পর্যায়ের মজুত এবং বিক্রয়মূল্য—সবকিছুই নজরদারির আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন কৃষকেরা।

সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
সগড়ায় ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জে জমে উঠেছিল ‘সগড়া ডে-নাইট মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬’। বুধবার সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ‘লিজেন্ড অব সগড়া’ ও ‘কেজি টপ ওয়ান’ দল মুখোমুখি হয়।

সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১ নম্বর রশিদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সদর থানা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক মুর্শিদ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল খান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফেরদৌস আহম্মেদ নেভিন।

টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন মো. আব্দুল আহাদ রঞ্জু মিয়া। ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে সগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্রীড়াপ্রেমী দর্শক উপস্থিত থেকে ফাইনাল খেলা উপভোগ করেন।

ফাইনাল খেলায় লিজেন্ড অব সগড়া ও কেজি টপ ওয়ান দলের মুখোমুখি লড়াই ঘিরে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। খেলা শেষে আয়োজকরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পৈত্রিক ভিটায় চলাচলের রাস্তা বন্ধ, দুর্ভোগে ৩ পরিবার

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চলাচলের রাস্তায় বাঁশ ও টিনের বেড়া দিয়ে তিনটি পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। এতে গত পাঁচ দিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। বাধ্য হয়ে তাদের অন্য বাড়ির রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সম্প্রতি পৌর শহরের চণ্ডিবের মধ্যপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগে মাহমুদুল হাসান রনি (৩১), তাহের আলী (৫০), শফিক মিয়া (৪০), নুর মিয়া (৪০), আব্দুর রহিম (৫৫) ও মিজান মিয়া (৩০)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িটির মাঝখানের চলাচলের উঠান বা রাস্তাটি টিন ও বাঁশ দিয়ে শক্তভাবে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, বংশপরম্পরায় তিনটি পরিবারের সদস্যরা এই পথটি ব্যবহার করে আসছিলেন। হঠাৎ করে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় তারা ঘরবন্দি হওয়ার উপক্রম হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মিন্নাত আলী বলেন, “আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তিতে আমরা ছয় ভাই ও আমাদের সন্তানরা বসবাস করছি। আমাদের ভাইদের মধ্যে এখনো কোনো বাটোয়ারা বা বণ্টননামা দলিল হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রনিসহ একটি ভূমিদস্যু চক্র আমাদের পরিবারের দুই ভাই তাহের আলী মিয়া ও আরমান মিয়ার কাছ থেকে লিখিত পাওয়ার নিয়ে আমাদের বাড়ির স্থাপনা ও টয়লেট ভেঙে বসতবাড়ি দখল করে নেয়।”

তিনি আরও বলেন, “এরপর তারা আমার তিন ভাইয়ের ঘরের সামনে টিনের বেড়া দিয়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে আমাদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। আমাদের বাকি ভাইদের বাড়ির অংশ বিক্রি না করায় ঘরের সামনেই টিনের বেড়া দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আমাদের দুর্ভোগে ফেলেছে। আমরা আমাদের নিজ পৈত্রিক ভিটায় স্বাধীনভাবে চলাচল করতে পারছি না। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”

আরেক ভুক্তভোগী লুৎফর রহমান বলেন, “শফিকুল রহমানসহ একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট গত পাঁচ দিন ধরে এই বেড়া দিয়ে আমাদের অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তাদের কিছু বলতে গেলেই তারা ক্ষমতা দেখায় এবং বলে—আমাদের বিচার করার কেউ নেই। যারা জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন, দলিলেও তাদের নাম নেই।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ভূমিদস্যু মাহমুদুল হাসান রনির সঙ্গে যোগসাজশ করে শফিকুল ইসলাম, তাহের মিয়া ও নুরু মিয়ারা এই অপকর্ম চালাচ্ছে। আমরা এর দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচার চাই এবং চলাচলের জন্য আমাদের জায়গা উন্মুক্ত চাই।”

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহমুদুল হাসান রনি বলেন, “আমরা একজন ওয়ারিশ বাদে বাকি সবার কাছ থেকেই জমি কিনেছি। আমরা আমাদের ক্রয়কৃত জমিতেই বেড়া দিয়েছি এবং ভুক্তভোগীদের চলাচলের জন্য বিকল্প জায়গা করে দিয়েছি।”

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ বলেন, “ইদানীং ভৈরবে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার বেশ কিছু অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। চলাচলের রাস্তা একটি মৌলিক অধিকার। মালিকানা-সংক্রান্ত জটিলতা যাই থাকুক না কেন, চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। এটি অবশ্যই উন্মুক্ত রাখতে হবে। বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এসআরবি-১৪-এর অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ পুলিশের এলিট ফোর্স ‘এসআরবি’ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় এসআরবি-১৪-এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে বিজ্ঞ আদালতে সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

এসআরবি-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামির বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ বিকেল আনুমানিক ৩টা ৪০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৩২(১)১৯-এর আসামি মো. রাব্বি মিয়া (২৫)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার রাব্বি মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মো. ইসলাম উদ্দিনের ছেলে। সদর থানার মাদক মামলায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণি ১০(ক) ধারায় আদালত তাকে দুই বছরের সাজা প্রদান করেন। তিনি আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

এসআরবি-১৪-এর আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করার পর অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।