বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ ১৪৩২

নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী হলফনামা সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। বিশেষ করে হলফনামায় উল্লেখ করা নাহিদ ইসলামের মোট ৩২ লাখ টাকার সম্পত্তি ও বার্ষিক আয় নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি এনসিপির।

এ বিষয়ে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব তামীম আহমেদ এক বিবৃতিতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন বেতন-ভাতা থেকে মোট ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা আয় করেন। তিনি প্রায় সাত মাস উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গড়ে মাসিক ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে এই আয় হয়।

উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর নাহিদ ইসলাম একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক এক লাখ টাকা সম্মানীতে কাজ শুরু করেন বলেও জানান তামীম আহমেদ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, উপদেষ্টা পদ ও পরামর্শক পেশা থেকে গত অর্থবছরে নাহিদ ইসলামের মোট আয় দাঁড়ায় ১৬ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ আয়বর্ষে তিনি তার আয়ের বিপরীতে সর্বমোট ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন। এসব তথ্য তার আয়কর রিটার্নে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচনী হলফনামায় তার বাৎসরিক আয় ১৬ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।

তামীম আহমেদ আরও জানান, আয়কর রিটার্ন কিংবা নির্বাচনী হলফনামার কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা শিক্ষকতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ অপতথ্য বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচনী হলফনামার ৪ নম্বর কলামে নাহিদ ইসলামের বর্তমান পেশা হিসেবে ‘পরামর্শক’ এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে ‘বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা’ উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের সময় নাহিদ ইসলাম তার সোনালী ব্যাংকের একমাত্র অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা থাকার তথ্য একটি পাবলিক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেই একই অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। সোনালী ব্যাংকের এই একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্টটি ছাড়া বর্তমানে নাহিদ ইসলামের আর কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানান এনসিপির এই নেতা।

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩০ অপরাহ্ণ
চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মৃত বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গায় সেনা হেফাজতে মারা যাওয়া জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হবে বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএর সভাপতি এবং চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, সিআইপি আলহাজ সাহিদুজ্জামান টরিক, চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন,
‘আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এ ধরনের মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন,
‘জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।’

পরিবারের সদস্য ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থিত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান হাফিজা ফার্মেসির সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
নিরাপত্তাহীনতা ও লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হলে নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

চরম নিরাপত্তাহীনতা ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিতের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান।

রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশনের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এবং র‍্যাবের মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে।

জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন স্থগিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে নির্বাচনী আসন সমঝোতা সংক্রান্ত পূর্বঘোষিত সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা সোয়া ২টার দিকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আজ ১৪ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টায় ১১ দলের পক্ষ থেকে ঘোষিত সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ১১ দলের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, অনিবার্য কারণেই সংবাদ সম্মেলনটি স্থগিত করতে হয়েছে। তিনি জানান, এখনো কিছু প্রস্তুতির কাজ বাকি রয়েছে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের নতুন তারিখ জানানো হবে।

এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক আমন্ত্রণপত্রে জানানো হয়েছিল, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতা বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দিতে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর মুক্তিযোদ্ধা হলে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকার কথা ছিল।