বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নাহিদ ইসলামের আয় ও সম্পত্তি নিয়ে বিভ্রান্তি, ব্যাখ্যা দিল এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী হলফনামা সংক্রান্ত কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। বিশেষ করে হলফনামায় উল্লেখ করা নাহিদ ইসলামের মোট ৩২ লাখ টাকার সম্পত্তি ও বার্ষিক আয় নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি এনসিপির।

এ বিষয়ে দলের যুগ্ম সদস্য সচিব তামীম আহমেদ এক বিবৃতিতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

বিবৃতিতে তিনি জানান, নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন বেতন-ভাতা থেকে মোট ১১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯ টাকা আয় করেন। তিনি প্রায় সাত মাস উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং গড়ে মাসিক ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা হিসেবে এই আয় হয়।

উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করার পর নাহিদ ইসলাম একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরামর্শক হিসেবে মাসিক এক লাখ টাকা সম্মানীতে কাজ শুরু করেন বলেও জানান তামীম আহমেদ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, উপদেষ্টা পদ ও পরামর্শক পেশা থেকে গত অর্থবছরে নাহিদ ইসলামের মোট আয় দাঁড়ায় ১৬ লাখ টাকা। ২০২৪-২৫ আয়বর্ষে তিনি তার আয়ের বিপরীতে সর্বমোট ১ লাখ ১৩ হাজার ২৭৪ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন। এসব তথ্য তার আয়কর রিটার্নে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতেই নির্বাচনী হলফনামায় তার বাৎসরিক আয় ১৬ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে।

তামীম আহমেদ আরও জানান, আয়কর রিটার্ন কিংবা নির্বাচনী হলফনামার কোথাও নাহিদ ইসলামের পেশা শিক্ষকতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এটি সম্পূর্ণ অপতথ্য বলে দাবি করেন তিনি। নির্বাচনী হলফনামার ৪ নম্বর কলামে নাহিদ ইসলামের বর্তমান পেশা হিসেবে ‘পরামর্শক’ এবং পূর্বতন পেশা হিসেবে ‘বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা’ উল্লেখ রয়েছে।

এ ছাড়া তিনি জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগের সময় নাহিদ ইসলাম তার সোনালী ব্যাংকের একমাত্র অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার ৬৯৮ টাকা জমা থাকার তথ্য একটি পাবলিক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সেই একই অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৩৬৩ টাকা ৫৭ পয়সা। সোনালী ব্যাংকের এই একটি মাত্র অ্যাকাউন্ট এবং নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য ২৮ ডিসেম্বর সিটি ব্যাংকে খোলা অ্যাকাউন্টটি ছাড়া বর্তমানে নাহিদ ইসলামের আর কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই বলেও জানান এনসিপির এই নেতা।

দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মিছিলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহাব্বুর রহমান মাহাবুব, আবু বাক্কার সিদ্দিক বাক্কার, আবুল হাসিম সবুজ, ফরিদ আহম্মেদ, সাদ্দাম হোসেন চাঁন মিয়া, রবিউল আলম রবিন, এ আই খান শিবলু, মোস্তাফিজ রহমান টুটুল, হোসেনপুর পৌর বিএনপি র সভাপতি এ কে এম শফিকুল হক শফিক, সাধারণ সম্পাদক মানছুরুল হক রবিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

আয়োজকেরা জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চিংড়ি মাছে ক্ষতিকর জেলি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভৈরবের পুলতাকান্দা এলাকার নৈশকালীন মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে একটি দল পুলতাকান্দা নৈশকালীন মৎস্য আড়তে অভিযান চালায়।

অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রির দায়ে আড়ত মালিক ফরহাদ মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে অন্তর ফিস এন্টারপ্রাইজ থেকে জেলি মেশানো ৩৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক অন্তর বর্মণকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ১০ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আড়ত মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে ভৈরব উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হোসেন, ভৈরব নৌপুলিশের উপপরিদর্শক মো. রহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক জানান, মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ কেজি ক্ষতিকর জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এসব চিংড়ি বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান শেষে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ, গরিব ও অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও গৃহহীন ১২৪টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক ও গৃহ নির্মাণ উপকরণ হিসেবে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সায়েদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজনু মিয়া, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়িত মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অষ্টগ্রাম উপজেলার ১২৪টি পরিবারের মধ্যে ২৫টি পরিবারের প্রত্যেককে দুই বান্ডেল করে ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাকি ৯৯টি পরিবারের প্রত্যেককে চার হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।