শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ ১৪৩২
শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ ১৪৩২

হোসেনপুরে দীর্ঘদিনের কোন্দল অবসান করে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি—বিপাকে বিদ্রোহী প্রার্থী

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে দীর্ঘদিনের কোন্দল অবসান করে ঐক্যবদ্ধ বিএনপি—বিপাকে বিদ্রোহী প্রার্থী

বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা ও জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দীর্ঘ দুই যুগের কোন্দল অবসান ঘটিয়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এ ঐক্যের ফলে দলীয় সিনিয়র নেতাকর্মীদের সমর্থন হারিয়ে মনোনয়নবঞ্চিত বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নু কার্যত সঙ্গীহীন হয়ে পড়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামকে বিজয়ী করতে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করার নির্দেশ দেন তারেক রহমান। এই নির্দেশ বাস্তবায়নে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরিফুল আলম।

এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের আলম টাওয়ারে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ ও সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা অংশ নেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শিল্পপতি মো. জহিরুল ইসলাম মবিন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক স্পেশাল পিপি ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি ও যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম কাঞ্চন, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মনিরুল হক রাজন, সাবেক পৌর মেয়র ও যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহবুব রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বক্কর ছিদ্দিক বাক্কার এবং শাহেদল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও যুগ্ম আহ্বায়ক জিএস আবুল হাসিম সবুজসহ আরও অনেকে।

দীর্ঘদিনের ভেদাভেদ ভুলে বিএনপির এই ঐক্যকে স্বাগত জানিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন চান মিয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন, হোসেনপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মানসুরুল হক রবিন, হোসেনপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সদস্য অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান চন্দন, পৌর বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক আতাহার আলী মৃধা মাসুদ, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম হিমেল, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল ফয়েজ টুটুল, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু নাঈম, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাজিব আহম্মদ, কৃষকদলের সভাপতি আব্দুস সালাম এবং পৌর যুবদলের সভাপতি শরিফ আহম্মেদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল আলমসহ একাধিক নেতা বলেন, হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির দীর্ঘদিনের কোন্দল নিরসনের ফলে কিশোরগঞ্জ–১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের বিজয়ের পথে আর বড় কোনো বাধা নেই। ঐক্যবদ্ধ নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হবেন বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলামের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক বিভাগীয় স্পেশাল জজ মো. রেজাউল করিম খান চুন্নু (মোরগ)। এ ছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন—মো. হেদায়েতুল ইসলাম হাদী (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস–রিকশা), মো. আলাল মিয়া (বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল–কাঁচি), আহম্মদ আলী (খেলাফত মজলিস–দেয়ালঘড়ি), তারেক মো. শহিদুল ইসলাম (এনপিপি–আম), এনামুল হক (সিপিবি–কাস্তে) এবং মাসুদ মিয়া (বাসদ–মই)।

যমুনায় হাদি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশি জলকামান, কোনো গুলি ছোড়া হয়নি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ
যমুনায় হাদি হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে পুলিশি জলকামান, কোনো গুলি ছোড়া হয়নি

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকাল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যমুনা ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকলেও প্রথম পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বলপ্রয়োগ করেনি।

পরদিন শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে কয়েকজন বিক্ষোভকারী জলকামানের ওপর উঠে পড়লে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড এবং জলকামান ব্যবহার করে। এই সময় কোনো ধরনের গুলি ছোড়া হয়নি বলে পুলিশ ও সরকার নিশ্চিত করেছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানায়, এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ মোট ২৩ জন আহত হয়েছেন। তবে কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই।

জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ রয়েছে। পুলিশ এই নির্দেশনা অনুযায়ী আইনানুগ ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করেছে।

সরকার পুনর্ব্যক্ত করেছে, শহীদ হাদীর হত্যার বিচারে তারা বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্তের আইনগত দিকগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয়। সরকার সকল নাগরিককে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ।

সরকার বলেছে, একটি শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় আসন্ন নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক এবং এটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে কোনো ধরনের বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়।

বিন্নাটী বাজারে ভিপি সোহেল এর উপস্থিতিতে ধানের শীষের পক্ষে চা-চক্রে জনসমাগম

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
বিন্নাটী বাজারে ভিপি সোহেল এর উপস্থিতিতে ধানের শীষের পক্ষে চা-চক্রে জনসমাগম

“নাইমা পরছে সোহেল ভাই, মাজহার ভাইয়ের ভয় নাই—
নেতা মোদের সোহেল ভাই, ধানের শীষের ভয় নাই।”

এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে বিন্নাটী বাজার এলাকা। কিশোরগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের খোঁজখবর নিতে ঢাকা  হতে কিশোরগঞ্জ ফেরার পথে বিন্নাটী বাজারে অবস্থিত ধানের শীষের আঞ্চলিক নির্বাচনী কার্যালয়ে উপস্থিত হন খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল।

নেতার আকস্মিক আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঢল নামে। শুরুতে একটি ছোট পরিসরের চা-চক্র থাকলেও তা দ্রুতই বিশাল জনসমাগমে রূপ নেয়।

খবর পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন কিশোরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল আমিন উজ্জ্বল, জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি, মারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল ইসলাম, বিন্নাটী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহিম মোল্লা, সহসভাপতি শেখ ফারুকসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু স্থানীয় নেতাকর্মী।

এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীরা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে মাঠে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ঘোষণা করেন।

শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানে ভৈরবে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানে ভৈরবে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে একটি চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মেলায় মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান স্টল স্থাপন করে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল প্রাণ গ্রুপ, আরএফএল গ্রুপ, এলিন ফুড প্রোডাক্টস, অলিপুর হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, আরগন স্পিনিং লিমিটেড, এফডিবি হোন্ডা, সারভিক বিপিও, ডা. মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, খাজা ওয়্যার নেইল ইন্ডাস্ট্রি, খাজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স জিলানী ফ্লাওয়ার মিলস অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস, মাক্কুল মোল্লা ফুড প্রোডাক্টস, এ জেড এইচ রি-রোলিং অ্যান্ড আয়রন ফ্যাক্টরি, বি-বাড়িয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মোটরস, ভৈরব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল মেন্টর, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং, ব্রাদার্স কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড বিল্ডার্স, ডা. ইসরাত জাহান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং মেসার্স মুজিবুর রি-রোলিং মিলস।

ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ, ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুর হক জাবেদ, নরসিংদী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাসিনা ইয়াসমিন এবং ভৈরব বিসিক শিল্প নগরীর কর্মকর্তা মো. আবিদুর রহমান খান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ, ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন, ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চিফ ইনস্ট্রাক্টর মাজহারুল ইসলাম খান, উদ্যোক্তা মো. নুরুল হকসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, চাকরি মেলার মাধ্যমে তরুণ-তরুণীরা সহজেই তাদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন। শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বক্তারা আরও বলেন, নিয়মিতভাবে চাকরি মেলার আয়োজন করা গেলে শিক্ষিত তরুণ সমাজকে কর্মমুখী করা সম্ভব হবে, যা সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা ও চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চাকরি প্রার্থীদের সংযোগ সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।