কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে একটি চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই মেলায় মোট ২০টি প্রতিষ্ঠান স্টল স্থাপন করে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল প্রাণ গ্রুপ, আরএফএল গ্রুপ, এলিন ফুড প্রোডাক্টস, অলিপুর হবিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, আরগন স্পিনিং লিমিটেড, এফডিবি হোন্ডা, সারভিক বিপিও, ডা. মমতাজ বেগম ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, খাজা ওয়্যার নেইল ইন্ডাস্ট্রি, খাজা স্টিল ইন্ডাস্ট্রি, মেসার্স জিলানী ফ্লাওয়ার মিলস অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস, মাক্কুল মোল্লা ফুড প্রোডাক্টস, এ জেড এইচ রি-রোলিং অ্যান্ড আয়রন ফ্যাক্টরি, বি-বাড়িয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মোটরস, ভৈরব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, টেকনিক্যাল মেন্টর, ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং, ব্রাদার্স কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড বিল্ডার্স, ডা. ইসরাত জাহান স্পেশালাইজড হাসপাতাল এবং মেসার্স মুজিবুর রি-রোলিং মিলস।

ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে চাকরি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম মামুনুর রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কিশোরগঞ্জ টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ, ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুর হক জাবেদ, নরসিংদী সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ হাসিনা ইয়াসমিন এবং ভৈরব বিসিক শিল্প নগরীর কর্মকর্তা মো. আবিদুর রহমান খান।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শহিদুল্লাহ, ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন, ভৈরব টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চিফ ইনস্ট্রাক্টর মাজহারুল ইসলাম খান, উদ্যোক্তা মো. নুরুল হকসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের প্রতিনিধিরা।

এ সময় বক্তারা বলেন, চাকরি মেলার মাধ্যমে তরুণ-তরুণীরা সহজেই তাদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দিয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন। শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বক্তারা আরও বলেন, নিয়মিতভাবে চাকরি মেলার আয়োজন করা গেলে শিক্ষিত তরুণ সমাজকে কর্মমুখী করা সম্ভব হবে, যা সামাজিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা ও চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে চাকরি প্রার্থীদের সংযোগ সহজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *