মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩

পাকুন্দিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

এস এ এম মিনহাজ উদ্দিন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকুন্দিয়ায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পাকুন্দিয়া পৌর সদরের ঈদগাহ মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ঈদগাহ মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এর আগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা ঈদগাহ মাঠে এসে জড়ো হন। পরে সেখানে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

পৌর বিএনপির সভাপতি এস এ এম মিনহাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।

পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুজন ও সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিক হোসেন রিপনের যৌথ সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তৌফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান মাসুদ, মো. কামাল উদ্দিন (ভিপি), মাহমুদুজ্জামান রিপন, আব্দুল ছাত্তার, বুরহান উদ্দিন সরকার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল আলম ছোটন, উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি শামছুল হক মিঠু, উপজেলা শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মাজহারুল হক উজ্জ্বল, সদস্যসচিব শাহিন আলম জনি, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শামছুল আলম সবুজ, যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর আহমেদ, পাকুন্দিয়া সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি তৌফিকুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক বিজয়সহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস, দলের রাজনৈতিক আদর্শ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে দলকে আরও সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

এর আগে র‍্যালিকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা পৃথক পৃথক মিছিল নিয়ে পাকুন্দিয়া পৌর সদরে আসেন। পরে দলীয় নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে র‍্যালিটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচিতে উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, যুবদল, কৃষকদল, শ্রমিকদল, ছাত্রদলসহ বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

কেঁচো খুঁড়তেই বেরোল ২২ লাখ! কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাজস্ব আত্মসাত

মোঃ আবদুল কাদির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
কেঁচো খুঁড়তেই বেরোল ২২ লাখ! কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে রাজস্ব আত্মসাত

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সাবেক ইনচার্জ ডা. উদয় শংকর পালের বিরুদ্ধে সরকারি রাজস্বের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। প্রাথমিকভাবে তাঁর বিরুদ্ধে প্রায় ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গঠিত তদন্ত কমিটির অনুসন্ধানে আত্মসাতের পরিমাণ ২২ লাখ টাকা বলে তথ্য পাওয়া গেছে বলে কমিটি-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। একই সঙ্গে জরুরি বিভাগের একটি বছরের রেজিস্টার খাতা পাওয়া যাচ্ছে না বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

অভিযোগের এত গুরুতর তথ্য সামনে আসার পরও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সরকারি চাকরিতে বহাল থাকায় হাসপাতালজুড়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে তাঁর বর্তমান কর্মস্থল, দায়িত্ব এবং তাঁর বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া জরুরি।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ডা. উদয় শংকর পাল ২০২৩ সাল থেকে প্রায় তিন বছর জরুরি বিভাগের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে জরুরি বিভাগের বিভিন্ন খাতের টিকিট, ওটি চার্জ ও কেবিন ভাড়াসহ বিভিন্ন রাজস্বের অর্থ আদায়ের সঙ্গে তাঁর দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ছিল বলে সূত্র জানিয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে জরুরি বিভাগের প্রকৃত রেজিস্টার গোপন করে নতুন রেজিস্টার তৈরি করা হয়। পরবর্তী সময়ে নতুন রেজিস্টারের মাধ্যমে হিসাব মেলানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে মূল রেজিস্টার, বিকল্প রেজিস্টার, টিকিট, রসিদ, ভাউচার, ব্যাংক চালান এবং সরকারি কোষাগারে জমার নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

তদন্ত কমিটির বরাতে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হলেও তদন্তে ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। এ ছাড়া জরুরি বিভাগের এক বছরের একটি রেজিস্টার খাতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্বীকার করেছেন। তবে শুধু রেজিস্টার না পাওয়ার বিষয়টি দিয়ে অর্থ আত্মসাতের পুরো ঘটনা প্রমাণিত হয় না; এ বিষয়ে আর্থিক নথিপত্রসহ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলছে।

সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তি আরও বলেন, রেজিস্টার হারিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দেওয়া ব্যাখ্যায় তদন্ত কমিটি সন্তুষ্ট হয়নি। বিষয়টি আরও যাচাই করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেনে ডা. উদয় শংকর পালকে সহায়তা করতেন হাসপাতালের প্রধান সহকারী শরীফুল ইসলাম। তাঁর মাধ্যমে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগের আর্থিক লেনদেনে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

সূত্র জানায়, শরীফুল ইসলাম সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে অন্যত্র বদলি হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন খাতে ভুয়া বা অনিয়মিত বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট কয়েকজন।

অভিযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিকভাবে অর্থ ফেরত নেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হতে পারে বলেও জানা গেছে।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং তদন্তে আরও বেশি অর্থের গরমিলের তথ্য সামনে আসার পরও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সরকারি চাকরিতে বহাল থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন হাসপাতালসংশ্লিষ্ট কয়েকজন। তাঁদের দাবি, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত প্রশাসনিক ও আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।

তবে অভিযোগ উঠলেই কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী দোষী সাব্যস্ত হন না। তদন্ত, নথিপত্র যাচাই এবং প্রযোজ্য প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে দায় নির্ধারণ করতে হবে।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. নূর মো. শামসুল আলমের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে সরকারি অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য প্রাথমিকভাবে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অভিযোগের বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে যাচাই করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাসপাতালটির সরকারি ওয়েবসাইটেও ডা. নূর মো. শামসুল আলমকে বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালটি কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা/সদর হাসপাতাল এবং এখানে ২৪ ঘণ্টা জরুরি চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে।

হাসপাতালসংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তি মনে করছেন, জরুরি বিভাগের রাজস্ব আদায় ও জমার হিসাব শুধু একটি রেজিস্টারের ওপর নির্ভর করে যাচাই করলে প্রকৃত চিত্র পাওয়া নাও যেতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সময়ের সব টিকিট, রসিদ, ওটি চার্জ, কেবিন ভাড়া, রোগী ভর্তি ও ছাড়পত্রের তথ্য এবং সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া অর্থের চালান মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া রেজিস্টারটির সন্ধান, বিকল্প রেজিস্টার ব্যবহারের কারণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্বও তদন্তের আওতায় আনা দরকার বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষ হলে প্রকৃত অর্থের পরিমাণ, দায়ী ব্যক্তি এবং অর্থ আত্মসাতের পদ্ধতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

কিশোরগঞ্জে মুশফিকুর রহমানের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মুশফিকুর রহমানের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা

কিশোরগঞ্জে বিশিষ্ট সাংবাদিক, কবি-ছড়াকার, গল্পকার ও বিটিভি-বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত গীতিকার মুশফিকুর রহমানের একক আবৃত্তি সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ জেলা পাবলিক লাইব্রেরিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন।

অনুষ্ঠানে মুশফিকুর রহমান তাঁর নির্বাচিত কবিতা আবৃত্তি করেন। আবেগঘন পরিবেশনা, সাবলীল বাচনভঙ্গি ও কণ্ঠের ওঠানামায় তিনি উপস্থিত শ্রোতাদের মুগ্ধ করেন। কবিতার শব্দ, ছন্দ ও আবেগের সঙ্গে তাঁর উপস্থাপনা অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, আঞ্চলিক ইতিহাস-ঐতিহ্য গবেষক ও জেলা পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মু. আ. লতিফ। বক্তব্যে তিনি মুশফিকুর রহমানের বহুমুখী সাহিত্যিক প্রতিভার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে সাহিত্যচর্চার প্রতি তাঁর নিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক সম্পৃক্ততার কথা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. বদরুল হুদা সোহেল। তিনি মুশফিকুর রহমানের লেখনীর গুণমান ও কবিতার গভীরতার প্রশংসা করেন। তাঁর মতে, সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি আবৃত্তির মাধ্যমে কবিতাকে শ্রোতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার এমন আয়োজন সাংস্কৃতিক পরিসরকে সমৃদ্ধ করে।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশিষ্ট আইনজীবী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও বাচিকশিল্পী অ্যাডভোকেট সমর কান্তি সরকার। তাঁর সাবলীল ও প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি আরও উপভোগ্য হয়ে ওঠে।

আয়োজনে উপস্থিত সাহিত্য ও সংস্কৃতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মুশফিকুর রহমানের আবৃত্তি পরিবেশনার প্রশংসা করেন। তাঁর নির্বাচিত কবিতার আবেগ, বিষয়বৈচিত্র্য ও উপস্থাপনার ধরন উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে সাড়া ফেলে।

আয়োজকদের মতে, সাহিত্য ও সংস্কৃতির চর্চাকে আরও গতিশীল করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একক আবৃত্তি সন্ধ্যার মধ্য দিয়ে কিশোরগঞ্জের সাহিত্য-সংস্কৃতির অঙ্গনে নতুন করে আবৃত্তিচর্চার প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

কুলিয়ারচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, অংশ নেন শত শত নেতাকর্মী

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, অংশ নেন শত শত নেতাকর্মী

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে উৎসবমুখর পরিবেশে এসব কর্মসূচি পালিত হয়।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনের সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের নেতৃত্বে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন।

পরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

র‍্যালিতে দলীয় পতাকা ও ব্যানার নিয়ে উপজেলা, পৌর ও বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শত শত নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় দলীয় স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে আশপাশের এলাকা।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ্ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফারুকুল ইসলাম ফারুক, মো. রফিকুল ইসলাম আলী, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ মিয়া, হায়দার এ আলম, উপজেলা বিএনপির প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম মুছা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজাহার উদ্দিন লিটন, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব মো. মোখলেসুর রহমান মঞ্জু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এম. এ. সালাম সুমন এবং সদস্যসচিব শামীম রেজাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। দলীয় পতাকা, ব্যানার ও স্লোগানে র‍্যালিটি বর্ণিল হয়ে ওঠে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বিএনপির প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তুলে ধরেন। তারা দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে কুলিয়ারচরে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শেষ হয়।