বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মদন-ফতেপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মদন-ফতেপুর সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

নেত্রকোনার মদন-ফতেপুর সড়কের সংস্কারকাজ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ। সড়কের শক্ত ভিত্তি প্রস্তুতের পর কাজ থমকে যাওয়ার পাশাপাশি সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রতিদিন দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পথচারী ও যানবাহন চালকেরা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ‘গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংরক্ষণ’ প্রকল্পের আওতায় মদন-ফতেপুর সিসি সড়কের মেরামতকাজ শুরু হয়। এ কাজের প্রাক্কলিত মূল্য ২ কোটি ৭২ লাখ ২৬ হাজার ৪৬ টাকা। কাজটি পায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ইউনুস এ্যান্ড ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেড। কাজটি ২০২৫ সালের ২৫ জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল।

অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন লিমিটেড ৩ কোটি ৫৭ হাজার ৬৪৩ টাকা প্রাক্কলিত মূল্যের একটি কাজ পায়। এ কাজ শেষ করার সময়সীমা ছিল ২০২৬ সালের ২৬ জুন।

দীর্ঘদিন ধরে কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানি জমে এসব গর্ত আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এতে সড়কটিতে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পাহাড়পুর ব্রিজ এলাকায় অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও মালবাহী যানবাহন চলাচলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সফিয়ন তালুকদার, হোসেন তালুকদার, মিনারুল, শফিকুল চৌধুরী ও মাওলানা সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। সংস্কারকাজে বিলম্বের কারণে সময় ও অর্থ—দুই-ই নষ্ট হচ্ছে। দ্রুত ভোগান্তি নিরসনে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামিউল হায়দার শফি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। খানাখন্দের কারণে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য অনুরোধ করছি।’

কাজ বন্ধের বিষয়ে ইউনুস এ্যান্ড ব্রাদার্সের প্রতিনিধি তোফায়েল বলেন, ‘আমরা অনেক আগে রাস্তার কাজ শুরু করেছি। কিন্তু বিল না পাওয়ায় বাকি কাজ করতে পারছি না। বিল পেলেই দ্রুত কাজ শেষ করব।’

বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধি আশরাফুল বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে আমরা কাজ শেষ করতে পারছি না। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করব।’

এ বিষয়ে মদন উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফ উল্লাহ খান বলেন, ‘দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তাগিদ দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের মধ্যে কাজ শেষ করতে না পারলে তাদের চুক্তি বাতিল করা হবে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুতই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

কুলিয়ারচরে নিজের ছেলের ফাঁসি চেয়ে মায়ের আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে নিজের ছেলের ফাঁসি চেয়ে মায়ের আকুতি

‘আমি আমার ছেলের ফাঁসি চাই। না হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।’- নিজের বড় ছেলে ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে এমন কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের রুবিনা বেগম। তাঁর অভিযোগ, মাদকের টাকার জন্য ছেলে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সদস্যদের মারধর ও নির্যাতন করে আসছেন। সর্বশেষ বুধবার রাতে মা ও বোনকে মারধরের পর নিজের ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

আগুনে ঘরের আসবাব, কাপড়চোপড়, বই-খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। ঘরের দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেওয়ায় ভেতরে থাকা ১৫টি হাঁস ও প্রায় ৪০টি দেশি মুরগিও পুড়ে মারা গেছে বলে দাবি করেছে পরিবার। তাঁদের ভাষ্য, পরনের কাপড় ছাড়া এখন আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়খারচর মহল্লায়, হাবিব কাউন্সিলরের বাড়িসংলগ্ন আবু বক্করের বাড়িতে।

রুবিনা বেগম জানান, তাঁর ছেলে প্রায় প্রতিদিন নেশা করে বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করতেন। কখনো দা নিয়ে তাঁদের কোপাতে আসতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে রুবিনা বলেন, ‘আমি আমার ছেলের ফাঁসি চাই। যদি ফাঁসি দিতে না পারেন, অন্তত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। নয়তো আমার এই ছেলে আমার বাকি চার ছেলেকে মেরে ফেলবে, আমাদেরও মেরে ফেলবে।’

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘বুধবার রাতে বাড়ির সামনে এক দোকানদারের সঙ্গে ফুল মিয়ার মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে কেন দোকানদারকে মারধর করা হয়েছে, তা জানতে চাইলে ফুল মিয়া আমাকেও দা দিয়ে কোপাতে আসে। তখন আমি পেছনের দরজা দিয়ে বের হয়ে রাস্তায় গিয়ে স্থানীয়দের ডাকি।’

রুবিনার ভাষ্য, পরে স্থানীয়দের নিয়ে বাড়িতে ফিরে তাঁরা দেখতে পান, ঘরে আগুন জ্বলছে। ঘরের দরজাগুলো বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরিবার ও স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘটনার আগে বাড়ির সামনে একটি দোকানে বাকি চান ফুল মিয়া। দোকানদার আবুল হোসেন (৬০) বাকি দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফুল মিয়া তাঁকে রড দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। আবুল হোসেন সম্পর্কে ফুল মিয়ার দাদা।

পরে দোকানদারকে মারধরের বিষয়টি জানতে চাইলে বাবা আবু বক্করের সঙ্গে ফুল মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় মা ও বোনের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ হয়। একপর্যায়ে বোনকে মারধরের পর ফুল মিয়া ঘরে আগুন ধরিয়ে দেন বলে পরিবারের অভিযোগ।

আগুন লাগার পর স্থানীয়রা তা নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ঘরের প্রায় সবকিছু পুড়ে যায়।

পরিবারের দাবি, আগুনে আসবাব, কাপড়চোপড়, বই-খাতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের পাশাপাশি ঘরে থাকা ১৫টি হাঁস ও প্রায় ৪০টি দেশি মুরগি পুড়ে মারা গেছে। দরজা তালাবদ্ধ থাকায় হাঁস-মুরগিগুলো বের হতে পারেনি বলে জানান তাঁরা।

ফুল মিয়ার ছোট ভাই দিপু বলেন, ‘আমরা চার ভাই বাড়িতে থাকি না, ঢাকায় কাজ করি। বড় ভাই প্রতিদিন মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে নির্যাতন করে। গত রাতে সে আমাদের একেবারে নিঃস্ব করে দিয়েছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমরা এ ঘটনার কঠিন বিচার চাই।’

ফুল মিয়ার বাবা আবু বক্কর বলেন, ‘নিজের ছেলে আমাদের এভাবে শেষ করে দেবে, কখনো ভাবিনি। মাদকের টাকার জন্য সে প্রায়ই আমাদের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করে। গত রাতের ঘটনায় ঘরবাড়ি, কাপড়চোপড়, আসবাব সব পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। আমি বাবা হয়ে তার শাস্তি চাইতে বাধ্য হচ্ছি।’

তিনি পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

পুলিশের হেফাজতে থাকা ফুল মিয়া পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তাঁকে নির্যাতনের অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি করেন এবং তিনি কাজ করেন না বলে বকাঝকা করেন।

ঘরে আগুন দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘরে তাঁরও অংশ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বকাঝকা করায় তিনি এমন করেছেন বলে জানান।

কুলিয়ারচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইলিয়াস ভূঁইয়া বলেন, খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অভিযুক্ত ফুল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

মাদকের ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট, তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ
মাদকের ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট, তরুণকে ডেকে নিয়ে মারধরের অভিযোগ

মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করার পর কিশোরগঞ্জের এক তরুণকে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা দিয়ে তাঁকে মারধর এবং মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ফেসবুকে দেওয়া ওই ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের হাজিরগল এলাকার বাসিন্দা শাহীন (২২) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার রাতে তিনি অভিযোগটি দেন। অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন হাজিরগল এলাকার সুলতানের ছেলে আহাম্মদ (৩৫), বিপ্লবের ছেলে রোমন (২০), জয়নাল (৪১), আব্দুল বারিকের ছেলে সাইদুল (৩৫) এবং জয়নালের ছেলে শফিকুল (১৯)।

শাহীন অভিযোগে বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করেন। প্রায়ই তাঁর বাড়ির সামনে মাদক বিক্রি করা হয়। একপর্যায়ে তিনি বাড়ির সামনে আহাম্মদকে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শাহীন।

পরে মাদক বিক্রির দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করে ফেসবুকে পোস্ট করেন শাহীন। অভিযোগে তিনি বলেন, ওই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে নিতে তাঁকে চাপ দেওয়া হয়। ভিডিওটি মুছে না ফেললে তাঁকে ‘ছাড় দেওয়া হবে না’ বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

শাহীন অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আহাম্মদ ও রোমন তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে রাউতের বাজার এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকেই কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। পরে তাঁরা লোহার রড, ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার একপর্যায়ে তাঁর মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয়। পরে ওই ফোন থেকে ফেসবুকে পোস্ট করা মাদক বিক্রির ভিডিওটি মুছে ফেলা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে মাদক বিক্রিতে বাধা না দিতে এবং এ বিষয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ না করতেও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন শাহীন।

শাহীন আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে কারও কাছে অভিযোগ করলে তাঁকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ক্ষতি করার হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তিনি হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পান বলে জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মিছিলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহাব্বুর রহমান মাহাবুব, আবু বাক্কার সিদ্দিক বাক্কার, আবুল হাসিম সবুজ, ফরিদ আহম্মেদ, সাদ্দাম হোসেন চাঁন মিয়া, রবিউল আলম রবিন, এ আই খান শিবলু, মোস্তাফিজ রহমান টুটুল, হোসেনপুর পৌর বিএনপি র সভাপতি এ কে এম শফিকুল হক শফিক, সাধারণ সম্পাদক মানছুরুল হক রবিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

আয়োজকেরা জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।