সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩

সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে উড়িয়ে তৃতীয় স্থান ইংল্যান্ডের

ক্রীড়া প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাকার হ্যাটট্রিকে ফ্রান্সকে উড়িয়ে তৃতীয় স্থান ইংল্যান্ডের

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোলবন্যার রোমাঞ্চে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর এই ম্যাচে দুই দলের আগ্রহ নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও মাঠের লড়াই ছিল উপভোগ্য ও আক্রমণাত্মক।

ম্যাচ শুরুর মাত্র আড়াই মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন ডেকলান রাইস। তার জোরালো শট জালে জড়ালে শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংলিশরা।

এরপর বুকায়ো সাকার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইংল্যান্ডকে। ম্যাচের ১৭তম মিনিটে কর্নার থেকে হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজরি কনসা।

প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের আক্রমণের ধার আরও বাড়তে থাকে। ৩৭তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের শট প্রথমে ফিরিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁ। তবে ফিরতি বলে কোনো ভুল করেননি বুকায়ো সাকা। সহজেই বল জালে পাঠিয়ে দলকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

বিরতির ঠিক আগে মাঝমাঠ থেকে আসা একটি সাধারণ পাস ফরাসি দুই ডিফেন্ডারের ভুল বোঝাবুঝিতে পৌঁছে যায় সাকার কাছে। প্রথম ছোঁয়াতেই গোল করে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করেন এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ইংল্যান্ডের ৪-০ গোলের দাপট নিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। মিশেল অলিসের নিখুঁত পাস থেকে ৫৩তম মিনিটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। কিছুক্ষণ পর দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্যবধান আরও কমান ব্র্যাডলি বারকোলা। স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৪-২।

এরপর আবারও গোল করেন এমবাপ্পে। তার জোড়া গোলে ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে ফ্রান্স।

তবে সেই সম্ভাবনায় পানি ঢেলে দেন বুকায়ো সাকা। পেনাল্টি থেকে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি এবং ইংল্যান্ডকে ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।

যোগ করা সময়ের ঠিক আগে দুর্দান্ত একক নৈপুণ্যে ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ গোলটি করেন জুড বেলিংহাম। রক্ষণভাগ থেকে বল কেড়ে নিয়ে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে অনবদ্য ফিনিশিংয়ে গোল করেন এই মিডফিল্ডার।

ম্যাচের যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে উপামেকানোর পাস থেকে উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে আরেকটি গোল শোধ করলেও শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

বিশ্বকাপের ব্রোঞ্জপদক নিশ্চিত করে টুর্নামেন্ট শেষ করল ইংলিশরা। অন্যদিকে শিরোপার লড়াইয়ে সোমবার রাত ১টায় নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

শিরোপার পর গোল্ডেন বলও স্পেনের, রদ্রির অনন্য অর্জন

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৫:০৫ পূর্বাহ্ণ
শিরোপার পর গোল্ডেন বলও স্পেনের, রদ্রির অনন্য অর্জন

বিশ্বকাপের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত ট্রফি জিতেছে স্পেন। আর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিতেও আধিপত্য দেখিয়েছে ইউরোপের নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শেষে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের মর্যাদাপূর্ণ গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের মিডফিল্ডের প্রাণভোমরা রদ্রি। ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি নিজের অসাধারণ ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কারও ঘরে তুলেছেন তিনি।

বিশ্বকাপজুড়ে স্পেনের মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ গড়ে তোলা এবং রক্ষণে ভারসাম্য বজায় রাখতে রদ্রির ভূমিকা ছিল অনন্য। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে তিনি ছিলেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ফুটবলার। ফাইনালেও নিজের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব দিয়ে স্পেনকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে এগিয়ে নেন।

এবারের সিলভার বল জিতেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বমঞ্চে দুর্দান্ত নৈপুণ্য দেখিয়ে দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। যদিও শেষ পর্যন্ত শিরোপা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, তবু পুরো টুর্নামেন্টে তার নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা এবং গুরুত্বপূর্ণ গোল-অ্যাসিস্ট তাকে সেরা খেলোয়াড়দের কাতারে রেখেছে।

অন্যদিকে ব্রোঞ্জ বল পেয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে। দল ফাইনালে উঠতে না পারলেও পুরো আসরে ১০ গোল করে তিনি জিতেছেন গোল্ডেন বুট। টানা দুই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে এমবাপ্পে গড়েছেন অনন্য এক ইতিহাস। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে তিনি ছিলেন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে ভয়ংকর আক্রমণভাগের ফুটবলার।

এবারের বিশ্বকাপে গোলরক্ষকদের মধ্যে সেরা নির্বাচিত হয়েছেন স্পেনের উনাই সিমন। গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে তিনি জিতেছেন গোল্ডেন গ্লাভ। আর টুর্নামেন্টের সেরা তরুণ খেলোয়াড় হয়েছেন স্পেনের উদীয়মান ডিফেন্ডার পাও কুবার্সি, যিনি পুরো আসরে পরিণত ফুটবল উপহার দিয়ে নজর কেড়েছেন।

স্পেনের বিশ্বকাপ জয় এবং ব্যক্তিগত পুরস্কারে রদ্রি, উনাই সিমন ও পাও কুবার্সির সাফল্য প্রমাণ করেছে, দলীয় শক্তির পাশাপাশি ব্যক্তিগত নৈপুণ্যেও এবারের বিশ্বকাপে স্প্যানিয়ার্ডরাই ছিলেন সবচেয়ে এগিয়ে। অন্যদিকে শিরোপা না জিতেও মেসি ও এমবাপ্পে আবারও দেখিয়ে দিয়েছেন কেন তারা বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে প্রভাবশালী দুই তারকা।

টানা দুই বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে ইতিহাস গড়লেন এমবাপ্পে

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ
টানা দুই বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে ইতিহাস গড়লেন এমবাপ্পে

বিশ্ব ফুটবলে নিজের আধিপত্য আরও একবার প্রমাণ করলেন ফ্রান্সের তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১০ গোল করে টানা দ্বিতীয় আসরে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। এর আগে কাতার বিশ্বকাপ ২০২২-এ ৮ গোল করে প্রথমবারের মতো এই পুরস্কার জিতেছিলেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্স শিরোপা জিততে না পারলেও এমবাপ্পের গোলবন্যা ছিল পুরো আসরের অন্যতম বড় আকর্ষণ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেন তিনি। সেই ম্যাচেই বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার কীর্তিও গড়েন ফরাসি অধিনায়ক।

ফাইনালের আগে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে এমবাপ্পের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। তবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে গোল করতে না পারায় মেসি ৮ গোলেই শেষ করেন টুর্নামেন্ট। ফলে দুই গোলের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো সেরা গোলদাতার পুরস্কার নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে।

মাত্র ২৭ বছর বয়সেই বিশ্বকাপের তিনটি আসরে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২। ২০১৮ বিশ্বকাপে করেছিলেন ৪ গোল, ২০২২ সালে ৮ গোল এবং ২০২৬ সালে ১০ গোল। এই ধারাবাহিকতায় তিনি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সফল গোলস্কোরার হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমবাপ্পের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু গোল করা নয়, বড় ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করার অসাধারণ সক্ষমতা। ২০২২ সালের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করার পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন তিনি। যদিও দলকে শিরোপা এনে দিতে পারেননি, তবু ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে এটি তার ক্যারিয়ারের আরেকটি স্মরণীয় মাইলফলক।

ফুটবল ইতিহাসে টানা দুই বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ের নজির অত্যন্ত বিরল। এমবাপ্পের এই কীর্তি তাকে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা ফরোয়ার্ড হিসেবে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তার বয়স ও ধারাবাহিকতা বিবেচনায় ভবিষ্যতের বিশ্বকাপগুলোতেও আরও নতুন নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা দেখছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

ক্রীড়া প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ
অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের গোলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন

শেষ পর্যন্ত ফুটবল বিশ্বকাপ স্পেনের। ১২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস লড়াই শেষে অতিরিক্ত সময়ে ফেররান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফিফা বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে লা রোহা। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৫তম মিনিটে আসে ম্যাচের একমাত্র গোল।

শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণের ধার এবং ট্যাকটিক্যাল আধিপত্য- সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল স্পেন। তবে এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্দান্ত গোলকিপিং এবং আর্জেন্টিনার দৃঢ় রক্ষণ প্রথম ১০৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচকে গোলশূন্য রেখেছিল।

শুরু থেকেই স্পেনের চাপ

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে স্পেন। বক্সের ডান প্রান্তে লামিন ইয়ামালের জোরালো শট দুর্দান্তভাবে ফিরিয়ে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

এরপর একের পর এক আক্রমণে আর্জেন্টিনাকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে স্প্যানিশরা। ইয়ামালের নিচু ক্রস, মিকেল ওইয়ারসাবালের দূরপাল্লার শট এবং মার্ক কুকুরেয়ার প্রচেষ্টা—সবই প্রতিহত করেন মার্তিনেজ।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা প্রথমার্ধজুড়ে নিজেদের স্বাভাবিক ছন্দ খুঁজে পায়নি। মাঝমাঠে রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি ওলমোর দাপটে লিওনেল মেসিদের আক্রমণভাগ ছিল অনেকটাই বিচ্ছিন্ন।

চোট ও কার্ডে বিপাকে আর্জেন্টিনা

৪০ মিনিটে ট্যাকটিক্যাল ফাউলের দায়ে হলুদ কার্ড দেখেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। কয়েক মিনিট পরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন অভিজ্ঞ নিকোলাস ওতামেন্দি।

গোলশূন্য অবস্থায় প্রথমার্ধ শেষ হয়।

দ্বিতীয়ার্ধেও স্পেনের আধিপত্য

বিরতির পর লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে মাঠে নামিয়ে মাঝমাঠে ভারসাম্য ফেরানোর চেষ্টা করেন লিওনেল স্কালোনি। কিন্তু স্পেনের নিয়ন্ত্রিত ফুটবলের সামনে তাতেও খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি।

৫১ মিনিটে ওইয়ারসাবালকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন পারেদেস। কিছুক্ষণ পর অভিনয়ের অভিযোগে আরেকটি হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ।

৭৫ মিনিটে স্পেন কোচ মাঠে নামান দুই কার্যকর বদলি—মিকেল মেরিনো ও নিকো উইলিয়ামস। এরপর থেকেই আক্রমণের গতি আরও বাড়ে স্পেনের।

নাটকীয় মুহূর্তের পর অতিরিক্ত সময়

৮০ মিনিটের দিকে দানি ওলমোর দারুণ আক্রমণ শেষ মুহূর্তে ক্লিয়ার করে দেন গনসালো মন্তিয়েল।

কিছুক্ষণ পর বক্সের বাইরে ফ্রি-কিক থেকে লামিন ইয়ামালের দুর্দান্ত শট আবারও রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

নির্ধারিত সময়ে গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।

লাল কার্ডে দশজনের আর্জেন্টিনা

অতিরিক্ত সময়ের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। বল দখলের লড়াইয়ে পাউ কুবারসিকে বিপজ্জনক ট্যাকল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

একজন বেশি খেলোয়াড়ের সুবিধা কাজে লাগিয়ে আক্রমণের তীব্রতা আরও বাড়ায় স্পেন।

১০৫ মিনিটে বিশ্বকাপ নির্ধারণী গোল

অবশেষে ১০৫তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল।

বাম দিক থেকে নিকো উইলিয়ামস বল নিয়ন্ত্রণে রেখে বক্সের ভেতরে ফেররান তোরেসের দিকে পাস বাড়ান। ফাঁকায় বল পেয়ে কোনো ভুল করেননি স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। ডান পায়ের শক্তিশালী শটে এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে পরাস্ত করে স্পেনকে এগিয়ে দেন তিনি।

এর আগে মিকেল মেরিনোর একটি হেড অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। আরেকবার নিকো উইলিয়ামস বল জালে জড়ালেও মেরিনোর ফাউলের কারণে গোল বাতিল করেন রেফারি।

শেষ চেষ্টা ব্যর্থ আর্জেন্টিনার

গোল হজমের পর শেষ মুহূর্তে সর্বশক্তি দিয়ে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় আর্জেন্টিনা। তবে আইমেরিক লাপোর্তে, পাউ কুবারসি, কুকুরেয়া এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ়তায় কোনো সুযোগই কাজে লাগাতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা।

শেষ বাঁশি বাজতেই উল্লাসে ফেটে পড়ে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপের ট্রফি জিতে বিশ্ব ফুটবলের সিংহাসনে ফিরল লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

ম্যাচের উল্লেখযোগ্য ঘটনাপ্রবাহ
  • ৫’ : ইয়ামালের শট দারুণভাবে রুখে দেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
  • ৪০’ : লিসান্দ্রো মার্তিনেজ হলুদ কার্ড দেখেন।
  • ৪৪’ : চোটে মাঠ ছাড়েন লিসান্দ্রো, নামেন ওতামেন্দি।
  • ৪৫’ : প্রথমার্ধ শেষ, স্কোর ০-০।
  • ৪৬’ : পারেদেস মাঠে নামেন।
  • ৫১’ : পারেদেস হলুদ কার্ড।
  • ৬০’ : এনজো অভিনয়ের দায়ে হলুদ কার্ড।
  • ৭৫’ : স্পেনের হয়ে মেরিনো ও নিকো উইলিয়ামস মাঠে নামেন।
  • ৯০’ : নির্ধারিত সময়ে গোলশূন্য, ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে।
  • ৯৭’ : দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ।
  • ১০৫’ : নিকো উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেররান তোরেসের জয়সূচক গোল।
  • ১২০’ : স্পেন ১-০ আর্জেন্টিনা; বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন।

Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41