মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেছেন, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বয়সের বিষয়েও কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমও উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কয়েক দিন ধরে নানা আলোচনা হচ্ছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে নানা বিষয় ছড়িয়ে পড়ছে। এ বিষয়ে স্পষ্ট করে তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনের কোথাও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

তিনি বলেন, আগামীতে যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন, তাদের এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। ইউপি সদস্য, ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও কাউন্সিলর এবং সিটি করপোরেশনের মেয়র ও কাউন্সিলর—এসব পদে প্রার্থী হওয়ার জন্য কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই বা প্রয়োজন হবে না।

একই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই। সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি নিজে সংসদ সদস্য হলেও তাঁর ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন হয়নি।

তিনি জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। একই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাঁচটি আইনেও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনে নেই, সংবিধানেও নেই। যেহেতু সংসদ সদস্যদের যোগ্যতার ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রশ্ন ওঠে না, তাই স্থানীয় সরকারের পাঁচটি আইনেও শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তাঁর মতে, এটি রাখা হলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে। একজন সমাজসেবক প্রাতিষ্ঠানিকভাবে লেখাপড়া না করলেও স্বশিক্ষিত হতে পারেন।

মীর শাহে আলম বলেন, আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া না করেও কেউ স্বশিক্ষিত হতে পারেন। এমনও হতে পারে, কেউ কোনোদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাননি, কিন্তু তিনি মেধাবী এবং তাঁর মধ্যে আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞান রয়েছে। তাঁরও জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা রয়েছে।

সেই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে আলাদা বয়সের বাধ্যবাধকতাও নেই। ভোটার হলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাবে।

হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। একই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মাধবদী এলাকার মৃত ইল্লাল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশকে ঘেরাও করে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন।

রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একাধিক দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে, অর্থাৎ পালানোর প্রায় দশ ঘণ্টার মধ্যে, মাধবদী এলাকায় তাঁকে হাতকড়াসহ পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া, পুলিশের কাজে বাধা এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৫৩ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এসআই শরাফিন মিয়া, কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। পরে তাঁরা কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

রেনু মিয়াকে আটকের পর তাঁর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ সাতজন নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মোছা. ইতি আক্তার, মোছা. সাদিয়া, মোছা. আকলিমা আক্তার ও রত্নাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্য তিন নারীর বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ একজন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।

ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ২৯

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৬ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ২৯

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে রাতভর পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাং সদস্য এবং ২৬ মামলার আসামিসহ ২৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা থেকে ভোর পর্যন্ত ভৈরব শহরের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভৈরব সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এর আগে ১৫ জুন ও ১৩ আগস্ট পৃথক সাঁড়াশি অভিযানে একাধিক ছিনতাইকারী, ভবঘুরে ও কিশোর গ্যাং সদস্যসহ ৯২ জনকে আটক করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ২৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়। বাকিদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে ১৪ সেপ্টেম্বর মধ্যরাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও ২৯ জনকে আটক করা হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। এ সময় আটক ১৮ জনকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে হাজির করা হয়। তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করলে মাদক সেবন, বিক্রি ও বহনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, ভৈরব ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। একাধিকবার ভৈরবের অভিভাবকদের সচেতন করা হয়েছে, তাঁদের সন্তানরা যেন রাত ১২টার পর প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে না যায়। এর আগেও সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ভৈরবের বেশ কয়েকটি ঘটনা নিয়ে সারাদেশে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভৈরবের সুনাম নষ্ট হচ্ছে। সন্তানদের বিষয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে সন্তানদের ছাড়িয়ে নিতে থানার চত্বরে অভিভাবকেরা ভিড় করেন। এ সময় তাঁদের উদ্দেশে সচেতনতামূলক ও সতর্কতামূলক বক্তব্য দেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুছা শেখ। তিনি বলেন, রাত ১২টার পর গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে থাকা যাবে না। এর আগে দু’দফায় ৯২ জনকে আটকের পর মূল আসামিদের রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এখন থেকে থানায় এলে আর ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জানান, ২৬ মামলার আসামি সোহাগ মিয়া (৩২) ও চার মামলার আসামি হাসান মিয়াসহ (২৩) ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে। রাতভর বিশেষ অভিযানে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মাদক মামলায় একজন, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলায় দুজন, জিআর/সিআর পরোয়ানাভুক্ত চারজন ও সন্দেহভাজন চারজনসহ বিভিন্ন মামলায় ১৮ জন রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনলাইন জুয়া, মাদক সেবন ও মাদক রাখার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। আটক ১৮ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত দুই পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জে পৃথক দুটি অভিযান চালিয়ে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-১৪-এর সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জের পৃথক দুটি অভিযানে আদালতের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৪-এর সিপিসি-২-এর একটি আভিযানিক দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি মো. ফরিদ মিয়ার (৪৫) বর্তমান অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৭টা ৫০ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানার হাবিব নগর নাকভাঙ্গা বাজার বৌলাই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ফরিদ মিয়া বৌলাই এলাকার মন্নাফ মিয়ার ছেলে।

র‌্যাব জানায়, ফরিদ মিয়া কিশোরগঞ্জ সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-২৫(৬)১৪-এর আসামি। ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) সারণির ৭(ক) ধারায় আদালত তাঁকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনি ওই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

অপর একটি আভিযানিক দলও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি মো. রুবেল ফকিরের (৩৫) অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে একই দিন রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে কিশোরগঞ্জ সদর থানার লক্ষ্মীগঞ্জ বাজার মসজিদসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। রুবেল ফকির বেরুয়াইল কলাপাড়া এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিন ফকিরের ছেলে।

র‌্যাব জানায়, রুবেল ফকির কিশোরগঞ্জ সদর থানার মাদক মামলা নম্বর-৪৭(৫)১৯-এর আসামি। ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় আদালত তাঁকে দুই বছরের সাজা দেন। তিনিও ওই মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।

গ্রেপ্তার দুই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে র‌্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে।