রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

তাড়াইলে কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পার্চিং পদ্ধতি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তাড়াইলে কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পার্চিং পদ্ধতি

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে আমন ধানের ক্ষেতে পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। ধানখেতে গাছের ডাল, খুঁটি, বাঁশের কঞ্চি ও ধইঞ্চার ডাল পুঁতে দেওয়া হয়। এসবের ওপর বিভিন্ন প্রজাতির পাখি বসে ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় এ প্রাকৃতিক পদ্ধতিই পার্চিং নামে পরিচিত।

শনিবার সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমন ধানের ক্ষেতে বিঘাপ্রতি পাঁচ থেকে ছয়টি করে ডাল বা কঞ্চি পুঁতে ক্ষতিকারক পোকা দমন করছেন চাষিরা। জমিতে উঁচু স্থানে পাখি বসার সুযোগ তৈরি করে দেওয়াই এ পদ্ধতির মূল উদ্দেশ্য। ডাল বা কঞ্চির ওপর পাখি বসে পোকামাকড় ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলায় কীটনাশকের ব্যবহার কমানো সম্ভব হচ্ছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, পার্চিং পদ্ধতি পরিবেশবান্ধব ও তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল। এ পদ্ধতিতে কীটনাশকের ব্যবহার ও ফসল উৎপাদন খরচ কমে। একই সঙ্গে বালাইনাশকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখা এবং পোকার বংশবিস্তার কমানো যায়। এ ছাড়া পাখির বিষ্ঠা জমিতে জৈব পদার্থ যোগ করে মাটির উর্বরতা বাড়াতে সহায়তা করে।

পার্চিং পদ্ধতিতে বসে পাখিরা বিভিন্ন ক্ষতিকারক পোকা ধরে খায়। এর মধ্যে রয়েছে মাজরা পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, চুঙ্গি পোকা, ধানের স্কিপা পোকার মথ, শিষ কাটা লেদা পোকা, সবুজ শুঁড় লেদা পোকা, শুঁড় ঘাসফড়িং, লম্বা শুঁড় ঘাসফড়িং ও উড়চুঙ্গা।

সাধারণত জমিতে সার দেওয়ার পর রোপা-আমনের ফসলি জমিতে বাদামি ঘাসফড়িং বা কারেন্ট পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, চুঙ্গি ও মাজরাসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক পোকার আক্রমণ দেখা দেয়। এতদিন এসব পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় কৃষকেরা কীটনাশকসহ বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে আসছিলেন। এখন পোকা দমনে প্রাকৃতিক পার্চিং পদ্ধতি কৃষকদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রান্তিক চাষি হাবিবুর রহমান, ফজলুর রহমান, আল আমিন, সুশান্ত কুমার, মাহফুজুর রহমান, শাহিন আলম ও মাহবুবুর রহমানসহ আরও অনেকে বলেন, এলাকার কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তাদের পরামর্শে তাঁরা জমিতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন। ফসলি জমিতে পোঁতা ডালগুলোর ওপর পাখি বসে ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। ফলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায় এবং কম খরচে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

তাঁরা আরও বলেন, সব ধরনের পাখি পার্চিংয়ে বসে না। মূলত ফিঙে, শালিক, বুলবুলি, শ্যামা, দোয়েল ও সাতভায়রা পাখি পার্চিংয়ে বসে পোকা ধরে খায়। এ কারণে তাঁরা কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও পরিবেশবান্ধব এ পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাড়াইলে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৮২৩ হেক্টর। এর মধ্যে হাইব্রিড ৫৪০ হেক্টর, উফশী ৭ হাজার ২৮০ হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ৩ হেক্টর। বিপরীতে আবাদ হয়েছে হাইব্রিড ৫০০ হেক্টর, উফশী ৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৩ হেক্টর। সব মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৪৫৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বিকাশ রায় বলেন, পার্চিং পদ্ধতি ফসলের পোকা দমনের জন্য অত্যন্ত কম ব্যয়বহুল ও পরিবেশবান্ধব। এ পদ্ধতিতে ফসল উৎপাদন খরচ ও কীটনাশকের ব্যবহার কমে যাওয়ায় এটি উপজেলার কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনেক কৃষক আমন ফসলের ক্ষেতে কীটনাশক পরিহার করে পোকা দমনে সহজ ও লাভজনক পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছেন।

তিনি আরও বলেন, একটি ফিঙে পাখি সারা দিনে কমপক্ষে ৩০টি মাজরা পোকার মথ, ডিম ও পুত্তলি খেয়ে থাকে। ফসল রোপণের পরপরই পার্চিং স্থাপন করতে হয়।

কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের বত্রিশ, বড়বাজার, বৌলাইসহ বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, সিভিল সার্জন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফসহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু অভিযান নয়, প্রয়োজন প্রতিদিনের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা। বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে প্রত্যেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জে ‘গ্রন্থাগারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান (ভিপি সোহেল)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. ইয়াসমিন আহমেদ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহকারী পরিচালক আজিজুল হক সুমন এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. ইকরামুল কবির।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিনন্দ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পাঠাগারের সভাপতি আমিনুল হক সাদী এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা বর্তমান বাস্তবতায় একটি আদর্শ গ্রন্থাগার কেমন হওয়া উচিত, বেসরকারি গ্রন্থাগার নির্দেশিকা, সফটওয়্যার ও অনুদানের জন্য আবেদন এবং গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়- সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, বই আদান-প্রদান, রেফারেন্স ও সাময়িকী ব্যবস্থাপনা, গ্রন্থাগারে পাঠোপকরণ সংরক্ষণ, ছাঁটাইকরণ ও প্রতিষেধক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তরুণ প্রজন্মকে গ্রন্থ ও গ্রন্থাগারমুখী করতে গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় এবং বেসরকারি গ্রন্থাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিটিং বিষয়েও বক্তারা আলোচনা করেন।

কর্মশালায় হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন, হাওরে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি ও বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য ও জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ১৩টি উপজেলার ৬০ জন গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি, বিদ্যুৎ সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে অনুমোদিত ৭৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৬৩৮ জন। ফলে ১০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শূন্য পদ পূরণসহ চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনবল সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামের ঘাটতিও রয়েছে।

বর্তমানে হাসপাতালে তিন শিফটে ডায়ালাইসিস সেবা চালু রয়েছে। তবে প্রায় ২০০ রোগী ডায়ালাইসিসের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন। রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও ডায়ালাইসিস মেশিন প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে এমআরআই, সি-আর্ম, এন্ডোস্কোপি, কলোনোস্কপি, অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ, ইউরোলজি অপারেশন সেট, ল্যারিঙ্গোস্কোপ, ওপিজি ডেন্টাল এক্স-রে ও ল্যাপারোস্কোপিক মেশিন প্রয়োজন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি হৃদরোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণে ক্যাথল্যাব স্থাপনের দাবিও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া বার্ন ইউনিট, ইউরোলজি, নিউরোসার্জারি, ইমার্জেন্সি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। এসব বিভাগ চালু হলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হাসপাতালটিতে ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন না থাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে পৃথক বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, হাসপাতালের সামনের রাস্তা প্রশস্তকরণ, ইনসিনারেটর ও ইটিপি চালু, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং আনসার সদস্য বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রোগীসেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে হাসপাতালটিকে অটোমেশনের আওতায় আনার কথাও জানানো হয়।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলাল উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুর রহমান, হাসপাতালের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীদের সেবার মান আরও উন্নত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনস্বার্থে হাসপাতালের সার্বিক সেবাব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা হাসপাতালের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমস্যা, রোগীসেবা, চিকিৎসা কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে।