মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ পেয়েও বঞ্চিত ২৭০০ প্রার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ পেয়েও বঞ্চিত ২৭০০ প্রার্থী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র পাননি শত শত চাকরিপ্রার্থী। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় গোয়েন্দা সংস্থার নেতিবাচক প্রতিবেদনের কারণে অনেকের নিয়োগ আটকে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। আগামী ১ অক্টোবর তাঁদের যোগদানের কথা রয়েছে। তবে নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া অনেক প্রার্থীর নাম নিয়োগপত্রপ্রাপ্তদের তালিকায় নেই।

চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের মোর্চার দাবি, ৬১ জেলার মধ্যে ৫৫ জেলার তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।

তবে এই সংখ্যার স্বাধীনভাবে যাচাই সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, ১১ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব জেলায় অন্তত ৫৫৪ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার মো. জাহিদ হাসানও চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের একজন। ৮৩ জনের তালিকায় তাঁর মেধাক্রম ছিল ৫৪তম। শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটায় সুপারিশ পেলেও তিনি এখনো নিয়োগপত্র পাননি।

জাহিদের অভিযোগ, যাচাই-বাছাইয়ের নামে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগপত্র না পাওয়ার খবরে তাঁর পরিবারও ভেঙে পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, পুলিশের পাশাপাশি একটি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমেও প্রার্থীদের যাচাই করা হয়েছে। ওই সংস্থার নেতিবাচক প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই সুপারিশপ্রাপ্তদের একটি অংশকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে রাজনৈতিক পরিচয় বা পরিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে কাউকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া বৈষম্যমূলক।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, নিয়োগপত্র পাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

তিনি বলেন, “১ অক্টোবর পর্যন্ত উত্তীর্ণ কোনো প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেয়ে থাকলে বিষয়টি পরবর্তী সময়ে যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে।”

তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভেরিফিকেশন বা যাচাই-বাছাই একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া।

সরকারি চাকরিবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়ার মতে, সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই। পুলিশের যাচাইয়ে কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের তথ্য পাওয়া গেলে তা বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, “গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রাজনৈতিক বিবেচনায় চাকরিপ্রার্থীকে বাদ দেওয়ার সংস্কৃতি জনপ্রশাসনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।”

চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন অনেক চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের আশঙ্কা, যাচাই-বাছাইয়ের নামে বাদ পড়লে ভবিষ্যতেও সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে জটিলতায় পড়তে হতে পারে।

এদিকে সুপারিশপ্রাপ্তদের বাদ পড়ার কারণ, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

পাকুন্দিয়ায় এক সপ্তাহে ১৮ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় এক সপ্তাহে ১৮ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১৮ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত পর্যন্ত এক সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পাকুন্দিয়া থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী মো. তোফাজ্জল হোসেন সুজন (৪০), চরফরাদী ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী রাজন মিয়া (২৭), বুরুদিয়া ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের কর্মী শারমিন আক্তার (৩০) ও মোছা. ইয়াছমিন (৩৫)।

এ ছাড়া রয়েছেন চণ্ডীপাশা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য মো. ইসমাইল হোসেন সুজন (২৫), চরফরাদী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম দুলাল (৭২), সুখিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন (৪৬), পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কফিল উদ্দীন (৪৭) এবং পাকুন্দিয়া পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য সৈয়দ আলী (৬০)।

অন্যদের মধ্যে রয়েছেন চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মো. জাহেদুল হক রেজভী (২১), এগারসিন্দুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈকত মিয়া (৩৪), নারান্দী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য লিখন চন্দ্র বিশ্বাস (৪০), হোসেন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শফিক (৪০) এবং পাটুয়াভাঙ্গা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ মিয়া (৫৬)।

এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে বুরুদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের মো. রফিকুল ইসলাম (৬৪), চরফরাদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আজহার আলী রতন (৫৫), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক মাঈনুল হক সেলিম (৫০)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পার্শ্ববর্তী হোসেনপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কর্মী মো. আরমান মিয়াও (৩১) রয়েছেন।

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে ইজিবাইকের মনোগ্রাম নবায়ন ও মিশুকের পৃথক মনোগ্রামের দাবি

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ইজিবাইকের মনোগ্রাম নবায়ন ও মিশুকের পৃথক মনোগ্রামের দাবি

কিশোরগঞ্জ শহরে ইজিবাইকের পৌর মনোগ্রাম দীর্ঘদিন ধরে নবায়ন না হওয়া এবং মনোগ্রামবিহীন মিশুকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় যানজট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পৌর ইজিবাইক মালিক সমিতি। এ অবস্থায় ইজিবাইকের পৌর মনোগ্রাম পুনঃনবায়ন এবং মিশুকের জন্য পৃথক ও সুনির্দিষ্ট মনোগ্রাম চালুর দাবিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সমিতির নেতৃবৃন্দ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে পৃথকভাবে এ স্মারকলিপি দেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে কিশোরগঞ্জ পৌরসভা থেকে ইজিবাইকের জন্য মনোগ্রাম দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেটি নবায়ন করা হয়। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ইজিবাইকের মনোগ্রাম আর নবায়ন করা হয়নি। এ বিষয়ে গত বছরের ২৬ অক্টোবর পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন সমিতির নেতারা।

সমিতির অভিযোগ, ইজিবাইকের মনোগ্রাম নবায়নের জন্য মালিকদের আগ্রহ ও আবেদন থাকা সত্ত্বেও কোনো নোটিশ না দিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নতুন করে ইজিবাইক নিবন্ধনের জন্য মাইকিং করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ধরে মনোগ্রাম নবায়নের অপেক্ষায় থাকা ইজিবাইক মালিকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, কিশোরগঞ্জ শহরে অনুমোদনহীন ও মনোগ্রামবিহীন মিশুকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এসব যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো মনোগ্রাম না থাকায় বৈধ ও অবৈধ যান শনাক্তকরণ এবং নিয়ন্ত্রণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে শহরের বিভিন্ন সড়কে যানজট ও বিশৃঙ্খলাও বাড়ছে বলে দাবি করা হয়।

যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সমিতির ২২ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন বলেও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ অবস্থায় দ্রুত ইজিবাইকের পৌর মনোগ্রাম নবায়ন, মিশুকের জন্য পৃথক ও সুনির্দিষ্ট মনোগ্রাম চালু এবং শহরের যানজট ও পরিবহন ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সমিতির নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপির সঙ্গে পৌর প্রশাসকের কাছে দেওয়া আগের আবেদনের অনুলিপি এবং আইনশৃঙ্খলা কমিটির রেজুলেশনের কপিও জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে জমা দেওয়া হয়।

এ সময় কিশোরগঞ্জ পৌর অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মো. কামাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, মহিলা সদস্য রহিমা খাতুন, উপদেষ্টা মো. আনোয়ার হোসেন, মহি উদ্দিন লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।