মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

হুতি হামলার শঙ্কা, মার্কিন কর্মীদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হুতি হামলার শঙ্কা, মার্কিন কর্মীদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ

ইরান-সমর্থিত হুতি বাহিনীর সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কারণে সৌদি আরবে নিরাপত্তাঝুঁকি বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন, এমন মার্কিন সরকারি কর্মী এবং তাঁদের সঙ্গে সৌদি আরবে অবস্থানরত যোগ্য পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। হামলার ফলে বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার পাশাপাশি যাতায়াতব্যবস্থায়ও বিঘ্ন ঘটেছে।

হুতি বাহিনীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, তাঁদের বাহিনী সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, জ্বালানি অবকাঠামো, তেল শোধনাগারসহ বেশ কয়েকটি বিমান চলাচল ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার প্রেক্ষাপটেই মার্কিন কর্মীদের সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হুতি বাহিনীর ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে ধ্বংস করার দাবি করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি সৌদি রাজধানী রিয়াদকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল।

রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি বিন সালেহ আল-মালিকি বলেন, হুতি বাহিনীর রিয়াদ লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিহত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে চলা সংঘাত পুরো অঞ্চলে আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, জরুরি দায়িত্বে নিয়োজিত নন, এমন মার্কিন সরকারি কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সৌদি আরব ছাড়তে বলা হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, ইরানের সমর্থনপুষ্ট হুতিদের হামলায় সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতির কারণে উচ্চপর্যায়ের অনুমতি ছাড়া মার্কিন কূটনৈতিক কর্মীদের দেশের অভ্যন্তরে বিমানপথে যাতায়াতেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সংঘাত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে তাৎক্ষণিক সংঘাতপূর্ণ এলাকার বাইরেও পৌঁছাতে পারে। সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর দেশটিতে কর্মরত মার্কিন সরকারি কর্মীদের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহারের আগে মিশনপ্রধানের বিশেষ অনুমতি নিতে হবে।

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। সতর্কবার্তায় বলা হয়, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ২৫ অক্টোবর থেকে আংশিকভাবে চালুর ঘোষণা দিয়েছে। সেখান থেকে অভ্যন্তরীণ ও সৌদি জাতীয় বিমান সংস্থাগুলোর পরিচালিত কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলবে। কিং খালিদ বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত কিছু ফ্লাইট কাসিমের প্রিন্স নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এদিকে, জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম চালু রয়েছে। তবে এসব বিমানবন্দরে কিছু ফ্লাইট বিলম্বিত হতে পারে কিংবা বাতিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে মার্কিন দূতাবাস।

সৌদি আরবে বসবাসরত বা দেশটির মধ্য দিয়ে যাতায়াতকারী মার্কিন নাগরিকদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরে সম্ভাব্য হামলা, আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফ্লাইট বাতিল ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট বিমান সংস্থা ও বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা যাচাই করতে বলা হয়েছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা তথ্য উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা তথ্য উপদেষ্টার

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। এ সময় তিনি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতিও তুলে ধরেন।

পিরোজপুরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সামনে যে তথ্য এসেছে, তা খুবই দুঃখজনক। একটি রাজনৈতিক দল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত হয়ে কাজগুলো করেছে। এর পরিণতি তারা ভোগ করবে।’

মৃত্যুর পর কোনো ব্যক্তির মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন।

অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, কিছু ব্যক্তির বিচার হওয়ার পর তাঁদের মরদেহের সঙ্গেও এমন আচরণ করা হয়েছিল।

এদিকে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে ফিরলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তবে তাঁকে কোনো ধরনের গণপিটুনি বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে।

তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে যুবদল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে যুবদল: রিজভী

দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদল নিজেদের বিএনপির ইস্পাতকঠিন অগ্রবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ৪৮ বছর আগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংগঠনটি দীর্ঘ পথপরিক্রমায় দেশের অন্যতম বৃহৎ যুব সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতনের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, সংগ্রাম, সাহস, ঐক্য ও বীরত্বের প্রতীক যুবদলকে রাজপথে বহুবার দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে নেতাকর্মীদের মাসের পর মাস কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নিজেদের দায়িত্ব থেকে পিছপা হননি বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উৎপাদন, উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার যে নতুন রাজনীতির সূচনা করেছেন, তা বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের গঠনমূলক ও পুনর্গঠনমূলক কাজ এবং মানুষের আর্থিক উন্নয়নে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।

যুবদলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ছাত্রজীবন থেকেই ত্যাগ ও তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন। তাঁদের নেতৃত্ব যুবদলের ঐক্য সুসংহত করেছে। ফ্যাসিবাদ ও একনায়কতন্ত্রের পতনেও তাঁদের সাহসী নেতৃত্ব ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় আবুধাবিতে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ‘এমিরেটস ইন্টারন্যাশনাল কোরআন অ্যাওয়ার্ড’-এর চূড়ান্ত পর্ব। দেশটির জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় পবিত্র কোরআনের হাফেজ, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কোরআনের সেবায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মাননা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের চেয়ারম্যান ড. ওমর হাবতুর আল দারঈ বলেন, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া চূড়ান্ত পর্বটি প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাইয়ের ধারাবাহিকতা। এ পর্যায়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শীর্ষস্থানীয় কারিদের অংশগ্রহণ, স্বীকৃত কিরাতের দক্ষতা যাচাই, সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ, সুমধুর তিলাওয়াতের প্রতিভা অন্বেষণ এবং আমিরাতের তরুণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

আল দারঈ জানান, প্রেসিডেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা পবিত্র কোরআনের সেবা, এর শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রচার এবং দেশি-বিদেশি হাফেজদের সম্মানিত করার প্রতি আমিরাতের নেতৃত্বের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের আদর্শ অনুসরণ করে এ উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দেশে ও দেশের বাইরে কোরআন শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোরআনের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

এবারের প্রতিযোগিতায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাড়া পাওয়া গেছে। স্থানীয় বিভিন্ন বিভাগে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৪৬৪ জন প্রতিযোগী। প্রাথমিক মূল্যায়নের ধাপ পেরিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮৯ জন চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছেন।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিভাগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১১২ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়। ২৭টি দেশের ধর্মীয় ও কোরআনবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আবেদন জমা পড়ে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও শর্ত পূরণ করে তাঁদের মধ্যে প্রায় ১১ জন আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে বিশেষায়িত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিচারক প্যানেলের ৮০ শতাংশ সদস্যই আমিরাতি নারী। কোরআন শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের বিষয়টিও এ উদ্যোগে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

আল দারঈ আরও বলেন, আমিরাতের কোরআনভিত্তিক প্রতিভা বিকাশ, পবিত্র কোরআন শুদ্ধভাবে পাঠ ও মুখস্থ করার চর্চা জোরদার এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন শিক্ষার প্রসারে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।