বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে পোশাকশিল্পের নতুন সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব উৎপাদনে পোশাকশিল্পের নতুন সম্ভাবনা

বিশ্বের পোশাকশিল্পে দ্রুত পরিবর্তন আসছে। পরিবেশগত বিধিনিষেধ, সরবরাহব্যবস্থার রূপান্তর এবং নৈতিকভাবে কাঁচামাল সংগ্রহের বিষয়ে ক্রেতাদের বাড়তি আগ্রহ উৎপাদনকারীদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহার, পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের গুরুত্ব বাড়ছে।

বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক বাংলাদেশও এ পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে দেশের পোশাকশিল্পে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনশক্তি এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থায় বিনিয়োগ প্রয়োজন।

এ প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদি উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে এমএএস হোল্ডিংস (MAS Holdings)। তিন দশকের বেশি সময় ধরে পোশাকশিল্পে কাজ করা প্রতিষ্ঠানটি স্পোর্টসওয়্যার, পারফরম্যান্স পোশাক ও বিশেষায়িত পণ্য উৎপাদনে দক্ষতা অর্জন করেছে।

বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমএএস সুমান্ত্রার জেনারেল ম্যানেজার আদিত্য বান্দারা বলেন, পোশাক উৎপাদনের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি ও টেকসই উৎপাদনের ওপর নির্ভর করবে। তাঁর মতে, বাংলাদেশের জন্য এটি শুধু প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার বিষয় নয়; বরং দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বমানের উৎপাদনের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়ানোর সুযোগ।

পোশাক কারখানায় বর্জ্য কমানো, উৎপাদনদক্ষতা বাড়ানো এবং সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রযুক্তির ভূমিকা বাড়ছে। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা, তথ্যভিত্তিক উৎপাদন পরিকল্পনা, ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এমএএসের বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন কৌশল ‘প্ল্যান ফর চেইঞ্জ’-এর আওতায় টেকসই পণ্য তৈরি, পুনর্ব্যবহার, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানিসম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এর একটি উদাহরণ এমএএস সুমান্ত্রা ও প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম রিভার্স রিসোর্সেসের (Reverse Resources) অংশীদারি। ২০২০ সালের জুলাইয়ে শুরু হওয়া এ উদ্যোগের আওতায় কাপড় কাটার পর তৈরি হওয়া অবশিষ্টাংশ পুনর্ব্যবহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১৫৬ টনের বেশি বস্ত্রের অবশিষ্টাংশ পুনর্ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয় সুতা উৎপাদকেরা এসব উপকরণ থেকে সুতা তৈরি করেন। পরে ইমপ্রেস-নিউটেক্স কম্পোজিট টেক্সটাইলস সেই সুতা দিয়ে কাপড় তৈরি করে, যা সংগ্রহ করে এমএএস সুমান্ত্রা। এ প্রক্রিয়ায় উৎপাদনবর্জ্য কমানোর পাশাপাশি সম্পদের পুনর্ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে

বাংলাদেশে এমএএসের পাঁচ হাজারের বেশি কর্মী রয়েছেন। পাশাপাশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যক্রমে যুক্ত আছেন আরও প্রায় চার হাজার কর্মী। প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারের জন্য ক্রীড়াপোশাক, সেলাইবিহীন পোশাক ও অন্তর্বাস তৈরি হয়।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের পাশাপাশি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরিতেও গুরুত্ব দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ‘বিয়ন্ড বর্ডারস’ কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মীরা বিভিন্ন দেশের কার্যক্রমে অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন এবং নেতৃত্বের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পান।

এমএএস সুমান্ত্রার জেনারেল ম্যানেজার আদিত্য বান্দারা বলেন, প্রযুক্তি ও টেকসই উৎপাদন পোশাকশিল্পের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের জন্য এ বিষয়গুলো প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার পাশাপাশি দক্ষতা, আধুনিক প্রযুক্তি ও বিশ্বমানের উৎপাদনের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এমএএস এ পরিবর্তনকে এমন কারখানা গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে দেখে, যেগুলো দক্ষতার পাশাপাশি ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণেও প্রস্তুত।

বাংলাদেশে এমএএসের কার্যক্রম কারখানার বাইরেও বিস্তৃত। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি এতিমখানার ১৩০ শিশুর জন্য মাসিক শুকনো খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের উদ্যোগেও যুক্ত হয়েছে।

পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে ১৫টির বেশি স্কুলে বর্জ্য পৃথকীকরণ, বৃক্ষরোপণ, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং সম্পদের দায়িত্বশীল ব্যবহার বিষয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে উৎপাদন সক্ষমতার পাশাপাশি স্বচ্ছতা, পরিবেশগত কার্যকারিতা ও শ্রমিককল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং টেকসই উৎপাদনব্যবস্থায় বিনিয়োগ এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় সক্ষমতার সমন্বয়ে এমএএসের কার্যক্রম বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের রূপান্তরের একটি উদাহরণ। ভবিষ্যতে এ ধরনের উদ্যোগ দেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি দায়িত্বশীল উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখতে পারে।

হোসেনপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসোনা খাতুন।

সভায় উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। এ সময় ইভ টিজিং, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাং, যানজট ও মাদক নির্মূলে করণীয় নির্ধারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় গরুচুরি, জুয়া ও ছিনতাই প্রতিরোধের বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এসব অপরাধ দমনে বিট পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করার পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক সভা-সমাবেশ আয়োজনের প্রস্তাব দেন কমিটির সদস্যরা। একই সঙ্গে অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং অপরাধ প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, সাংবাদিক, শিক্ষক এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ
৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এ জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে পরীক্ষা করাতে হবে। নির্ধারিত তারিখের আগে করা কোনো মেডিকেল পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ অক্টোবরের আগে কোনো মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ ধরনের পরীক্ষার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াকরণও করা হবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর তালিকা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্দেশনা পরিপালন ও সক্ষমতার ভিত্তিতে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে তালিকা থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান বাদ পড়তে পারে, আবার নতুন প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। তবে কিছু দালাল ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমতি ছাড়াই মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।

এ পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দিতে কর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করা, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত করা এবং মন্ত্রণালয়ের দেওয়া অনুমোদন বাতিল করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এ ছাড়া অবৈধ বা অনুমোদনহীন মেডিকেল পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ secretary@probashi.gov.bd ইমেইল ঠিকানায় জানানোর জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে।

কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ইংলিশ লিগ কাপে বড় অঘটনের শিকার হয়েছে আর্সেনাল। ইংল্যান্ডের চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড টাউনের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার পর টাইব্রেকারে জয় তুলে নেয় ফ্লিটউড।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইংল্যান্ডের ফ্লিটউডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পেনাল্টি শুটআউটে আর্সেনালের হয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারায়েস। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ফ্লিটউডের গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। এরপর কোনর হগি জয়সূচক পেনাল্টিতে গোল করলে উল্লাসে মেতে ওঠেন স্বাগতিক সমর্থকেরা।

ম্যাচের ২১ মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে এগিয়ে যায় ফ্লিটউড। বিরতির পর ৫০ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেস গোল করে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান। এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি।

ম্যাচের শেষ দিকে ৮৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হ্যারিসন নিলকে লাথি মারার ঘটনায় লাল কার্ড দেখেন আর্সেনালের ১৬ বছর বয়সী তরুণ ফুটবলার ম্যাক্স ডাওম্যান। ফলে ম্যাচের শেষ সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্সেনালকে।

রবিবার লিভারপুলের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নিয়মিত একাদশে বড় পরিবর্তন এনেছিলেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। এভারটনের বিপক্ষে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে নয়জনকে বদলে মাঠে নামান তিনি। তবে এই সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হলো লিগ কাপ থেকে বিদায়ের মধ্য দিয়ে।

চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড লিগ টুতে ১৮তম স্থানে থাকলেও শক্তিশালী আর্সেনালের বিপক্ষে শুরু থেকেই লড়াই করেছে। গোলরক্ষক জে লিঞ্চের দৃঢ়তা এবং টাইব্রেকারে খেলোয়াড়দের সাফল্যে স্মরণীয় জয় পায় দলটি। জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফ্লিটউডের কোচ ম্যাট ললর। মাঠে নেমে উল্লাসে যোগ দেন সমর্থকেরাও।

এই হার আর্সেনালের জন্য বড় ধাক্কা। এর আগে শনিবার এভারটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সমান পয়েন্টে পৌঁছেছিল দলটি। কিন্তু লিগ কাপে অপেক্ষাকৃত নিচের বিভাগের দলের কাছে হেরে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে আর্তেতার শিষ্যদের।