মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

পাকুন্দিয়ায় সড়ক সংস্কারকাজ উদ্বোধন করলেন এমপি জালাল উদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পাকুন্দিয়ায় সড়ক সংস্কারকাজ উদ্বোধন করলেন এমপি জালাল উদ্দিন

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি নিরসনে ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ২ কিলোমিটার পাকুন্দিয়া-পুলেরঘাট (আদর্শপাড়া) সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সড়কটির কাজের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ‘ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সড়কটির উন্নয়নকাজ শেষ হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতের দুর্ভোগ কমবে এবং যানবাহন চলাচল আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সোমবার দুপুরে পাকুন্দিয়া মডেল মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সড়কটির কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এস এ এম মিনহাজ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, পাকুন্দিয়া সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের কর্নার থেকে আদর্শপাড়া হয়ে পুলেরঘাট পর্যন্ত সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণকাজের প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কার ও উন্নয়নের দাবি ছিল স্থানীয় মানুষের। জনসাধারণের যাতায়াতের দুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে এ কাজ শুরু করা হয়েছে।

তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতি নির্ধারিত প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজের মান বজায় রেখে যথাসময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন।

সড়কটির আগের রক্ষণাবেক্ষণকাজের প্রসঙ্গ তুলে সংসদ সদস্য বলেন, অতীতে একাধিকবার সড়কটি মেরামত করা হলেও কিছুদিনের মধ্যেই বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে সেতুর সংযোগস্থলে বারবার সমস্যা দেখা দিয়েছে। এবার কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করে সড়কটিকে টেকসই করতে হবে, যাতে অল্প সময়ের মধ্যে আবারও সংস্কারের প্রয়োজন না হয়।

কাজের মান তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও বলেন, সড়ক রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ধরনের অনিয়ম বা নিম্নমানের কাজ করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। কাজ চলাকালে কোথাও অনিয়ম কিংবা নিম্নমানের কাজ চোখে পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী অথবা তাঁকে বিষয়টি জানানোর জন্য তিনি এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় সড়কটির ৭ হাজার ২০০ মিটার অংশে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারকাজ করা হবে। এ জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১২ কোটি ৫৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।

কিশোরগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম জানান, সড়কটির ৭ দশমিক ২ কিলোমিটার অংশের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাড়ে ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যথাযথভাবে কাজ সম্পন্ন ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে আগামী চার বছর সড়কটি ভালো অবস্থায় রাখা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পাকুন্দিয়া-পুলেরঘাট সড়কটি স্থানীয় মানুষের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত থাকায় যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। বিশেষ করে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়া এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সড়কটির বেহাল অবস্থা ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সড়কটি সংস্কার হলে এসব ক্ষেত্রে স্বস্তি ফিরবে বলে প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এরশাদ উদ্দিন ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম জজ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান মাসুদ ও আবদুস সাত্তার, কিশোরগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, পাকুন্দিয়া উপজেলা প্রকৌশলী দশরথ চন্দ্র দে, পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুল আলম ছোটন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম উজ্জ্বলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা তথ্য উপদেষ্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২৩ অপরাহ্ণ
বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা তথ্য উপদেষ্টার

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে একটি রাজনৈতিক দল জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। এ সময় তিনি সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতিও তুলে ধরেন।

পিরোজপুরে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের সামনে যে তথ্য এসেছে, তা খুবই দুঃখজনক। একটি রাজনৈতিক দল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত হয়ে কাজগুলো করেছে। এর পরিণতি তারা ভোগ করবে।’

মৃত্যুর পর কোনো ব্যক্তির মরদেহের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেউ পছন্দ করেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা এমন কাজ করেন, শেষ পর্যন্ত তারা সমাজে নিন্দিত হবেন।

অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে উল্লেখ করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, কিছু ব্যক্তির বিচার হওয়ার পর তাঁদের মরদেহের সঙ্গেও এমন আচরণ করা হয়েছিল।

এদিকে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণা প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, দেশে ফিরলে তাঁকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তবে তাঁকে কোনো ধরনের গণপিটুনি বা বেআইনি পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে।

তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে যুবদল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৯ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবে যুবদল: রিজভী

দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদল নিজেদের বিএনপির ইস্পাতকঠিন অগ্রবাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। তিনি বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যুবদলের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবন উৎসর্গ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ৪৮ বছর আগে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে সংগঠনটি দীর্ঘ পথপরিক্রমায় দেশের অন্যতম বৃহৎ যুব সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নির্যাতনের কথা স্মরণ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, সংগ্রাম, সাহস, ঐক্য ও বীরত্বের প্রতীক যুবদলকে রাজপথে বহুবার দমন-পীড়নের শিকার হতে হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে নেতাকর্মীদের মাসের পর মাস কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। অনেকের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও নেতাকর্মীরা গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নিজেদের দায়িত্ব থেকে পিছপা হননি বলে মন্তব্য করেন রিজভী।

বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান উৎপাদন, উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষার যে নতুন রাজনীতির সূচনা করেছেন, তা বাস্তবায়নে জাতীয়তাবাদী যুবদল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশের গঠনমূলক ও পুনর্গঠনমূলক কাজ এবং মানুষের আর্থিক উন্নয়নে তারেক রহমানের সহায়ক শক্তি হিসেবে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।

যুবদলের বর্তমান নেতৃত্বের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ছাত্রজীবন থেকেই ত্যাগ ও তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে আজকের অবস্থানে এসেছেন। তাঁদের নেতৃত্ব যুবদলের ঐক্য সুসংহত করেছে। ফ্যাসিবাদ ও একনায়কতন্ত্রের পতনেও তাঁদের সাহসী নেতৃত্ব ভূমিকা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব শুরু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের পৃষ্ঠপোষকতায় আবুধাবিতে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় ‘এমিরেটস ইন্টারন্যাশনাল কোরআন অ্যাওয়ার্ড’-এর চূড়ান্ত পর্ব। দেশটির জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের আয়োজনে এ প্রতিযোগিতায় পবিত্র কোরআনের হাফেজ, বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কোরআনের সেবায় অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মাননা দেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ওয়ামের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির জেনারেল অথরিটি অব ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, এনডাউমেন্টস অ্যান্ড জাকাতের চেয়ারম্যান ড. ওমর হাবতুর আল দারঈ বলেন, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া চূড়ান্ত পর্বটি প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাইয়ের ধারাবাহিকতা। এ পর্যায়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শীর্ষস্থানীয় কারিদের অংশগ্রহণ, স্বীকৃত কিরাতের দক্ষতা যাচাই, সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ, সুমধুর তিলাওয়াতের প্রতিভা অন্বেষণ এবং আমিরাতের তরুণ নাগরিকদের জন্য বিশেষ তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

আল দারঈ জানান, প্রেসিডেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা পবিত্র কোরআনের সেবা, এর শিক্ষা ও মূল্যবোধের প্রচার এবং দেশি-বিদেশি হাফেজদের সম্মানিত করার প্রতি আমিরাতের নেতৃত্বের অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

তিনি বলেন, আমিরাতের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের আদর্শ অনুসরণ করে এ উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে। তিনি দেশে ও দেশের বাইরে কোরআন শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কোরআনের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

এবারের প্রতিযোগিতায় স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাড়া পাওয়া গেছে। স্থানীয় বিভিন্ন বিভাগে অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৪৬৪ জন প্রতিযোগী। প্রাথমিক মূল্যায়নের ধাপ পেরিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায় ৮৯ জন চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছেন।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বিভাগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১১২ জন প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ করা হয়। ২৭টি দেশের ধর্মীয় ও কোরআনবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক মনোনয়নের ভিত্তিতে এসব আবেদন জমা পড়ে। নির্ধারিত মানদণ্ড ও শর্ত পূরণ করে তাঁদের মধ্যে প্রায় ১১ জন আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে বিশেষায়িত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হয়েছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, বিচারক প্যানেলের ৮০ শতাংশ সদস্যই আমিরাতি নারী। কোরআন শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বের বিষয়টিও এ উদ্যোগে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

আল দারঈ আরও বলেন, আমিরাতের কোরআনভিত্তিক প্রতিভা বিকাশ, পবিত্র কোরআন শুদ্ধভাবে পাঠ ও মুখস্থ করার চর্চা জোরদার এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন শিক্ষার প্রসারে কর্তৃপক্ষ কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রতিও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।