বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রজন্ম নষ্টের অভিযোগ ফজলুর রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইউনূসের বিরুদ্ধে প্রজন্ম নষ্টের অভিযোগ ফজলুর রহমানের

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিন-চারটি প্রজন্ম নষ্ট করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তাঁকে এ মন্তব্য করতে শোনা যায়।

ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, ‘যাঁকে আমরা বাংলার মহান সন্তান মনে করেছিলাম, তিনিই সবকিছুর সর্বনাশ করে দিয়েছেন। একটা ছেলেকেও কেউ বিশ্বাস করে না। মানুষ থুথু দেয়, ঘৃণা করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন ঘৃণা করে, এটা অকল্পনীয়। পুলিশ ছাড়া কোথাও গেলে গণপিটুনি এমনভাবে খাবে যে তারা কুকুরের সঙ্গে রাস্তায় পড়ে থাকবে। কেউ টেনেও তুলবে না।’

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে এসব মন্তব্য করেন সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান।

নির্বাচনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে সংশয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচনে এগিয়ে নেতানিয়াহু, ক্ষমতায় ফেরা নিয়ে সংশয়

ইসরায়েলের নির্বাচনে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সমর্থন পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এতে তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর বিরোধীদের প্রচেষ্টা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবে তাঁর নেতৃত্বাধীন ডানপন্থী জোট সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় নতুন সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

আরব নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৮৬ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। দেশটির তিনটি প্রধান সম্প্রচারমাধ্যমের পূর্বাভাস বলছে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থী, কট্টর ডানপন্থী ও অতি-রক্ষণশীল ধর্মীয় দলগুলোর জোট ১২০ আসনের সংসদে ৫৩টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেতে পারে ৪৮টি আসন। আরব ইসরায়েলিদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো ১৯টি আসন পেতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ভোট গণনা শেষ না হওয়ায় চূড়ান্ত ফলাফলে পরিবর্তন আসতে পারে।

নতুন সরকার গঠনের জন্য দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলাকালে নেতানিয়াহু অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। আগামী বছর নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্তও তাঁকে এ দায়িত্বে থাকতে হতে পারে।

বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকট স্বীকার করেছেন, নেতানিয়াহু অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে তাঁর আশঙ্কা, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে নেতানিয়াহু নিরাপত্তার বিষয়টি ব্যবহার করতে পারেন। আইজেনকট নিরাপত্তা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা ও সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, নেতানিয়াহুর হাতে জনগণের নতুন কোনো ম্যান্ডেট নেই।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউটের গবেষক গাই লুরি বলেন, আইন অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষমতা নিয়মিত সরকারের মতোই। তবে এ ধরনের সরকারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত থাকতে হয় এবং কিছু বিষয়ে তাদের স্বাধীনতা সীমিত থাকে।

বুধবার গভীর রাতে নিজের দল লিকুদের সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন নেতানিয়াহু। তিনি ইসরায়েলে একটি শক্তিশালী ডানপন্থী জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান জানান এবং দেশটির সামরিক সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দেন তিনি।

নেতানিয়াহু বলেন, ইরানের হুমকি চিরতরে দূর করতে দুই দেশের সামনে ইতিহাসের একটি বিশেষ সুযোগ এসেছে। এর আগে ট্রাম্পও ইসরায়েলি ভোটারদের নেতানিয়াহুকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। নির্বাচনের ফল নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, নেতানিয়াহু খুব ভালো করেছেন। তাঁর দাবি, নেতানিয়াহুর এই ফল পেতে তাঁর সমর্থনও ভূমিকা রেখেছে।

সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার বিষয়টি ইসরায়েলের আর্থিক বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে দেশটির মুদ্রা শেকেলের দাম প্রায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি ডলারে ৩ দশমিক ১০ শেকেলে দাঁড়িয়েছে। তেল আবিবের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকগুলোও ৩ শতাংশের বেশি কমেছে।

নির্বাচনের ফল ইঙ্গিত দিচ্ছে, ইসরায়েলের ইহুদি ভোটারদের মধ্যে ডানপন্থী রাজনীতির সমর্থন বেড়েছে। দেশটির প্রায় সব ইহুদি রাজনৈতিক দলই স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে। অথচ ১৯৯০-এর দশক থেকে আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা।

এবারের নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশ, যা গত দুই দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলিদের মধ্যেও ভোট দেওয়ার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশটির মোট জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশের বেশি এই জনগোষ্ঠীর মানুষ।

নেতানিয়াহুর সরকারের নীতির প্রতিবাদ জানাতে অনেক আরব ভোটার ভোট দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, সরকারের কয়েকজন নেতা আরবদের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। আরব দলগুলোর জোট জয়েন্ট লিস্টের কার্যালয়ে বুথফেরত জরিপের ফল প্রকাশের পর সমর্থকেরা উল্লাস করেন। জোটটির প্রার্থী ফাতেন গাত্তাস বলেন, ‘আমরা দখলদারত্ব ও বর্ণবাদ প্রত্যাখ্যান করি। আমরা এখানেই থাকব।’

এর আগে একটি ছোট আরব দলের সমর্থন নিয়ে গঠিত জোট নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পেরেছিল। এবার আইজেনকটের জোট প্রত্যাশার চেয়ে কম আসন পাওয়ায় সরকার গঠনের জন্য জয়েন্ট লিস্টের সমর্থন প্রয়োজন হতে পারে। তবে ইসরায়েলের অধিকাংশ ইহুদি রাজনৈতিক নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট গঠন এড়িয়ে চলেছেন। ফলে সরকার গঠনের আলোচনা আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন যোদ্ধাদের হামলার পর এটিই ছিল ইসরায়েলের প্রথম নির্বাচন। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপর ইসরায়েল গাজা, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় যুদ্ধে ৭৪ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এদিকে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তিনি অভিযোগগুলোকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেছেন। এ ছাড়া ইসরায়েলেও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা রয়েছে। নেতানিয়াহু এসব অভিযোগকে প্রভাবশালী মহলের ষড়যন্ত্র বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

লাল কার্ডের পর এবার দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ নেইমার

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:০৮ অপরাহ্ণ
লাল কার্ডের পর এবার দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ নেইমার

মাঠে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিবাদের সময় মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় এবার আরও বড় শাস্তি পেলেন ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার। এ ঘটনায় তাঁকে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ব্রাজিলের ক্রীড়া বিচারবিষয়ক সর্বোচ্চ আদালত (এসটিজেডি)। বুধবার এ শাস্তির ঘোষণা দেওয়া হয়।

শনিবার ব্রাজিলিয়ান সিরি আ-তে বাহিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে নেইমারের দল সান্তোস। ওই ম্যাচে বাহিয়ার মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে লাল কার্ড দেখেন নেইমার। এ সময় মুখ ঢেকে কথা বলার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয় আদালত।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ঘিরে আলোচনায় আসা নিয়ম অনুযায়ী, মাঠে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিতর্কের সময় মুখ ঢেকে কথা বলা নিষিদ্ধ। এই নিয়ম ভঙ্গের দায়ে নেইমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে এসটিজেডি।

আদালত আরও জানিয়েছে, লাল কার্ড দেখার পর প্রতিপক্ষের বেঞ্চের দিকে ছুটে যান নেইমার। সেখানে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে আবারও বিবাদে জড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি। পরে সতীর্থরা তাঁকে থামান।

এই শাস্তির ফলে সান্তোসের পরবর্তী তিনটি ম্যাচে খেলতে পারবেন না ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তিনটি হলুদ কার্ড দেখায় পালমেইরাসের বিপক্ষে আগে থেকেই নিষিদ্ধ ছিলেন তিনি। মুখ ঢেকে কথা বলার ঘটনায় পাওয়া দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে পরের দুই ম্যাচে।

তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন নেইমার ও সান্তোস। সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার কারণে নভেম্বরের শেষের আগে তাঁর মাঠে ফেরার সম্ভাবনা নেই।

পাঠ্যবই ছাপায় অগ্রগতি ৫৮ শতাংশ, পিছিয়ে মাধ্যমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
পাঠ্যবই ছাপায় অগ্রগতি ৫৮ শতাংশ, পিছিয়ে মাধ্যমিক

শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর হাতে নতুন পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তরের সব পাঠ্যবই উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। তবে মুদ্রণকাজে অগ্রগতি থাকলেও অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপায় পিছিয়ে রয়েছে বেশ কয়েকটি ছাপাখানা।

এনসিটিবির ২৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইবতেদায়ি ও মাধ্যমিক স্তর মিলিয়ে বই ছাপার অগ্রগতি ৫৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরে গড়ে ৯২ দশমিক ৯৪ শতাংশ বই ছাপা হয়েছে।

এবার ১১৩টি মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ৬২৩টি লটে বই ছাপার কাজ পেয়েছে। প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ি, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি এবং মাধ্যমিক স্তরে মোট ৩০ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ১০১টি বই ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার এক মাস আগে মুদ্রণকাজ শুরু হয়েছে।

এনসিটিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক-প্রাথমিক স্তরের ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪০টি বইয়ের মধ্যে ৫৬ লাখ ২৮ হাজার ১৫৩টি ছাপা হয়েছে। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৯৮ দশমিক ২১ শতাংশ।

প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৭ কোটি ৬০ লাখ ৯৭ হাজার ৯৬টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৬ কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ১৭৩টি। এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি ৮৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

ইবতেদায়ি স্তরের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার ৫৭৪টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ১০ হাজার ৭৮৪টি। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৬৪ দশমিক ১৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ১৭ কোটি ৯৫ লাখ ৪৩ হাজার ১৮টি বইয়ের মধ্যে ছাপা হয়েছে ৯ কোটি ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৫৬টি। এ স্তরে মুদ্রণ অগ্রগতি ৫১ দশমিক ১৮ শতাংশ।

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বই ছাপার গতি তুলনামূলক কম। কয়েকটি লটে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, কাজের গতি কম থাকায় ৩২টি ছাপাখানাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে পিছিয়ে থাকা ছাপাখানার কাজ বাতিল করে অন্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে।

বইয়ের মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে ৫৩টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। নিম্নমানের বই ও ফর্মা বাতিল করা হচ্ছে। এনসিটিবির তথ্যমতে, বিভিন্ন ছাপাখানার ৯ লাখ ফর্মা ও ১২ হাজার নিম্নমানের বই বাতিল করা হয়েছে।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবু নাসের টুকু জানান, নির্ধারিত রোডম্যাপ অনুযায়ী বই সরবরাহের কাজ চলছে। প্রাথমিক স্তরের বইয়ের মুদ্রণকাজ চলতি মাসের মধ্যে ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাধ্যমিক স্তরের বই ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ৯৫ শতাংশের বেশি সরবরাহের লক্ষ্য রয়েছে।

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, উপজেলা পর্যায়ে নিম্নমানের বই সরবরাহ বরদাশত করা হবে না। নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই সরবরাহে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।