বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

ফুটবল ইতিহাসে নতুন রেকর্ড, এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ড

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ফুটবল ইতিহাসে নতুন রেকর্ড, এক ম্যাচে ৫৩ লাল কার্ড

ফুটবল মাঠে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে ব্রাজিলে। দেশটির অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের একটি ম্যাচে খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাসহ মোট ৫৩ জনকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন রেফারি। ফুটবল ইতিহাসে এক ম্যাচে এতসংখ্যক লাল কার্ড দেখানোর ঘটনা এটিই প্রথম বলে দাবি করা হচ্ছে। এর আগে সর্বোচ্চ ৩৬টি লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড ছিল।

গত রবিবার ব্রাজিলের মিনাস জেরাইস অঞ্চলে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয়েছিল মামোরে ও উবেরলান্দিয়া। ম্যাচে মামোরে ৩-১ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে মাঠে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

ম্যাচ রেফারি ফার্নান্দো প্যাট্রিক তাঁর আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি শান্ত করতে তিনি ৪০ জন খেলোয়াড় ও আটজন কর্মকর্তাকে লাল কার্ড দেখান। এর আগে ম্যাচ চলাকালে আরও তিনজন খেলোয়াড় লাল কার্ড দেখেছিলেন। এ ছাড়া উবেরলান্দিয়ার পরিচালনা পর্ষদের দুই সদস্যকেও বহিষ্কারের তালিকায় রাখা হয়। সব মিলিয়ে লাল কার্ড পাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়ায় ৫৩।

দুই দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের কারণে প্রায় ৪০ মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। পরে পরিস্থিতি শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন রেফারি।

ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর দুই দলের পক্ষ থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, উবেরলান্দিয়ার কর্মকর্তারা প্রতিপক্ষ মামোরের খেলার সরঞ্জাম ভাঙচুর ও ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। অন্যদিকে মামোরের বিক্ষুব্ধ সদস্যরা স্বাগতিক দলের ড্রেসিংরুমে ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এর আগে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে আর্জেন্টিনার পঞ্চম বিভাগের একটি ম্যাচে অ্যাতলেটিকো ক্লায়পোলে ও ভিক্তোরিয়ানো আরেনাসের খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৬ জনকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নথিভুক্ত ওই ঘটনাটিই এত দিন এক ম্যাচে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখানোর রেকর্ড হিসেবে পরিচিত ছিল।

প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, তিন বছরে কেউ পাস না করা কলেজের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, তিন বছরে কেউ পাস না করা কলেজের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে টানা তিন বছর এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ না হওয়ায় আলোচনায় আসা আবুল কাসেম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেমের বিরুদ্ধে এবার প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ধার নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে।

আবুল কাসেম উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের নোয়াগাঁও এলাকায় অবস্থিত আবুল কাসেম স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। পাশাপাশি তিনি ছয়সূতী জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

আদালত-সংশ্লিষ্ট নথি সূত্রে জানা গেছে, কুলিয়ারচর বাজারের টিন ব্যবসায়ী মো. মুক্তার মিয়া বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৫-এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার নম্বর সিআর ৮৮(৪)/২০২৬।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১২ সালে আবুল কাসেম বাদী মো. মুক্তার মিয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ধার নেন। এ সময় লিখিত স্ট্যাম্পে দেনা স্বীকার করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধের অঙ্গীকার করেন তিনি। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও ওই টাকা ফেরত দেননি বলে অভিযোগ করেছেন বাদী।

অভিযোগে আরও বলা হয়, পাওনা টাকা ফেরত চেয়ে একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো সুরাহা পাননি মুক্তার মিয়া। একপর্যায়ে আবুল কাসেমের বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এমনকি লিখিত স্ট্যাম্পে টাকা গ্রহণের স্বীকারোক্তি থাকা সত্ত্বেও টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। পরে পাওনা টাকা আদায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন বাদী।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আবুল কাসেমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. মোবারক হোসেন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে, এর আগে আবুল কাসেম প্রতিষ্ঠিত কলেজটির এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল নিয়েও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। টানা তিন বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। ২০২৪ সালে দুজন, ২০২৫ সালে ছয়জন এবং ২০২৬ সালে সাতজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তিন বছরে মোট ১৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়।

এমন ফলাফলের পর প্রতিষ্ঠানটির পাঠদান কার্যক্রম, শিক্ষক কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং একাডেমিক তদারকি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জেসমিন আক্তার।

একদিকে নিজের প্রতিষ্ঠিত কলেজে টানা তিন বছর শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা, অন্যদিকে ব্যক্তিগত আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা- দুই ঘটনায় নতুন করে আলোচনায় এসেছেন আবুল কাসেম।

এ বিষয়ে আবুল কাসেমের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন বন্ধ থাকায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।

তাড়াইলে বড় পর্দায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন দেখল শিক্ষার্থী-খুদে খেলোয়াড়েরা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে বড় পর্দায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উদ্বোধন দেখল শিক্ষার্থী-খুদে খেলোয়াড়েরা

সারাদেশের ৫০৩টি উপজেলার সঙ্গে একযোগে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বড় পর্দায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্প্রচার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ক্ষুদে খেলোয়াড় ও অভিভাবকেরা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সময়ে তাড়াইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থাপিত বড় পর্দায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সরাসরি উপভোগ করেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিসান আলী, তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রদীপ মণ্ডল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) জাহিদুল হাসান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক খান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু এবং উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাসিফুর রহমান নাদিম। এ ছাড়া বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি, ক্ষুদে খেলোয়াড়, অভিভাবক ও ক্রীড়া সংগঠকেরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা স্টেডিয়ামে হাজারো শিশু-কিশোরের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি চীনের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ড্রাগন ও লায়ন ড্যান্স দর্শকদের মুগ্ধ করে। বড় পর্দায় এসব পরিবেশনা উপভোগ করেন তাড়াইল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত দর্শকেরা। প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী বক্তব্য চলাকালে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।

তৃণমূল পর্যায় থেকে শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা এবং খেলাধুলার প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ানোই ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মূল উদ্দেশ্য। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের আসরে সারাদেশ থেকে ১৬ লাখ ২৩ হাজার ২১৮ জন প্রতিযোগী অনলাইনে নিবন্ধন করেছেন।

প্রথম আসরের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার ভলিবল ও টেবিল টেনিস যুক্ত হয়েছে। ফলে মোট ১০টি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরেরা এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে। এবারের আসরের স্লোগান—‘খেলাধুলা পেশা, পরিবারের নিশ্চয়তা’।

তাড়াইল উপজেলাতেও ইউনিয়ন পর্যায় থেকে প্রতিযোগী বাছাই করে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এরপর জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে আগামী মে-জুন মাসের মধ্যে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের ফাইনাল আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন ও খাদ্যপণ্যে অনিয়ম, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন ও খাদ্যপণ্যে অনিয়ম, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে নকল ভূষি উৎপাদন করে নামী-দামি বিভিন্ন কোম্পানির নামে বাজারজাত, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের অপরাধে তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) উপজেলার নিয়ামতপুর বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত বাজার তদারকিমূলক অভিযানে এসব জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নকল ভূষি উৎপাদন করে নামী-দামি বিভিন্ন কোম্পানির নামে বাজারজাত করার অপরাধে মেসার্স ইভা এন্ড স্নিগ্ধা এন্টারপ্রাইজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অপরাধে তাইয়্যেবা সুইটসকে ২০ হাজার টাকা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণের অপরাধে মেসার্স সাফায়াত এন্টারপ্রাইজকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার তানজীনা বেবী এবং জেলা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জরিমানার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বাজার তদারকির পাশাপাশি জনস্বার্থে ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দামে পণ্য বিক্রি, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য বিক্রি থেকে বিরত থাকা এবং দোকানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন করা হয়েছে।

ভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং বাজারে অনিয়ম ও প্রতারণা প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।