বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ ১৪৩২

আদমপুরে ২০ বছর ধরে পরিত্যক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলে, চিকিৎসা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আদমপুরে ২০ বছর ধরে পরিত্যক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলে, চিকিৎসা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

চারপাশে সারি সারি টিনের দোকান। জমজমাট বেচাকেনা। দোকানগুলোর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ দোতলা ভবন—জানালা-দরজাহীন, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে, বেরিয়ে এসেছে মরিচাধরা রড। ভেতরে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা। অথচ একসময় এই ভবনটিই ছিল লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা। বর্তমানে অবহেলা, তদারকির অভাব ও দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

১৯৬৫ সালে অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪২ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তবে প্রায় দুই দশক ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ধীরে ধীরে এটি দখল করে নেয় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. শিবির আহমেদ অবসরে যাওয়ার পর আর কোনো কর্মকর্তা নিয়োগ না হওয়ায় কেন্দ্রটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। সেই সুযোগে প্রথমে অস্থায়ীভাবে দোকান বসানো হলেও পরে স্থায়ীভাবে দখল নিয়ে ব্যবসা শুরু করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আদমপুর ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার, যা হাওরাঞ্চলের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয়। এ কারণে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিই ছিল এলাকাবাসীর একমাত্র চিকিৎসা ভরসা। পাশের আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নেও কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্র না থাকায় সেখানকার মানুষও এখানে চিকিৎসা নিতে আসতেন। বর্তমানে কেন্দ্রটি দখল হয়ে যাওয়ায় ভেতরে আবর্জনা জমে রয়েছে, এমনকি মানুষের মলত্যাগের কারণে দুর্গন্ধে ভেতরে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কামরুল হাসান, মহসিন, রাসেল মিয়া, মজিবর মিয়া, কেবল মিয়া, বুলবুল মিয়া, সোহেল মিয়া, মোহাম্মদ মিয়া, মিজান মিয়া ও শওকত আলী জানান, তারা কেউ কেউ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল করিম বাদলকে মাসিক এক হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। আবার অনেকেই নিজ উদ্যোগে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া ছাড়াই ব্যবসা চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল করিম বাদল বলেন, “৪২ শতাংশ জমি সরকারের নামে জরিপে রয়েছে। এর মধ্যে ৩ শতাংশ জমি নিয়ে আমাদের ক্রয়সূত্রে মালিকানার দাবি রয়েছে, যা আদালতে বিচারাধীন। সরকার চাইলে আমরা জমি ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, একটি পক্ষ আদালতের রায়ে প্রায় ১৭ শতাংশ জমি ভোগদখল করছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রইস উদ্দিন (৭৫) বলেন, “আগে আমরা এই কেন্দ্র থেকেই চিকিৎসা পেতাম। এখন চিকিৎসার জন্য অষ্টগ্রাম, হবিগঞ্জ বা কিশোরগঞ্জ যেতে হয়। বর্ষায় নৌকায় এবং শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে বা ছোট যানবাহনে যেতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”

আদমপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হারিস মিয়া বলেন, “স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও ৫০ কিলোমিটার দূরে হবিগঞ্জ যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে তাদের ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে।”

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোন্নাফ বলেন, “স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বিষয়টি সংসদ সদস্যকেও জানানো হয়েছিল, তবে প্রভাবশালী মহলের কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।”

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রবীন বিশ্বাস জানান, কেন্দ্রটির জমি দখলকে কেন্দ্র করে মামলা চলমান রয়েছে। তবে আদমপুরে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউবি) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলভিয়া স্নিগ্ধা বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি দ্রুত পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

এদিকে, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, কেন্দ্রটি এখনো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়নি। মামলা নিষ্পত্তি হলে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, পাশের আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ট একটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মিত হলেও এখনো সেখানে চিকিৎসা কার্যক্রম চালু হয়নি।

চন্দিপাশায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হামলার অভিযোগে উত্তেজনা

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
চন্দিপাশায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও হামলার অভিযোগে উত্তেজনা

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (মেম্বার) আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অসদাচরণের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলেছেন একই ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সরকারিভাবে ৩০ কেজি চালের কার্ড দেওয়ার কথা থাকলেও মেম্বার আব্দুল হাই প্রতিজন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ১৩,৭০০ টাকা করে আদায় করেছেন। এছাড়া, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে তিনি মারমুখী ও অশোভন আচরণ করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

একটি বিদ্যালয়ের দপ্তরীকে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করার অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগকারী পক্ষ আরও দাবি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন অভিযোগ করেন, “মেম্বার, তার ছেলে এবং তাদের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।”

আরেক স্থানীয় বাসিন্দা জমশেদ বলেন, “মেম্বার ও তার সহযোগীরা নিজেদের স্বার্থে বাধা পেলেই মারমুখী আচরণ করে। সম্প্রতি ঘাগড়া নদীর পাড়ের ঈদগাহ মাঠে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে আমি আহত হয়েছি।”

৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি কামাল মিয়া জানান, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আব্দুল কাইয়ুমের সঙ্গে আব্দুল হাইয়ের রাজনৈতিক বিরোধ রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও এমপিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে আব্দুল হাই এখনও প্রভাব বিস্তার করছেন এবং বিএনপি নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করছেন। দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। এছাড়া তার আর্থিক লেনদেন নিয়ে এলাকায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিশ হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অভিযুক্ত মেম্বার আব্দুল হাইয়ের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “দলীয় লোকদের সমন্বয় করে আমি কার্ড বিতরণ করেছি।”

এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি করেছেন।

বাজিতপুরে তীব্র পেট্রোল সংকট: লাইনে ১৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় ২০০ টাকার জ্বালানি

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে তীব্র পেট্রোল সংকট: লাইনে ১৭ ঘণ্টা অপেক্ষায় ২০০ টাকার জ্বালানি

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় তীব্র পেট্রোল সংকটের কারণে মোটরসাইকেল চালকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। উপজেলার পৈলানপুর এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, এমনকি ১৭ ঘণ্টা থেকে দেড় দিন পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকেই মাত্র ২০০ টাকার জ্বালানি পাচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাম্পটিকে কেন্দ্র করে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে অবস্থান করেও অনেক চালক কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাননি। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে তারা দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে থাকছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রেখে পেট্রোল বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না।

পাম্পের মালিক আরাফাত বাপ্পি জানান, “আগে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ১২০০ থেকে ১৫০০ লিটার পেট্রোল বিক্রি হতো। বর্তমানে চাহিদা বেড়ে ২০০০ থেকে ৩০০০ লিটারে দাঁড়িয়েছে। পাশের উপজেলাগুলোর পাম্প বন্ধ থাকায় কুলিয়ারচর ও নিকলীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এখানে ভিড় করছেন। বিশেষ ক্ষেত্রে কিছু ব্যাংক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে।”

পেট্রোল নিতে আসা সরারচর বাজারের ব্যবসায়ী মো. সফিক মিয়া বলেন, “৩১ মার্চ সকাল ৯টা থেকে সারাদিন লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পেট্রোল পাইনি। পরদিন ১ এপ্রিল সকাল ৭টায় আবার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রায় ৫-৬ ঘণ্টা অপেক্ষার পর মাত্র ২০০ টাকার জ্বালানি পাই। পরিচিতদের তুলনামূলক বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে, সাধারণ মানুষ সীমিত পরিমাণ পাচ্ছে।”

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “উপজেলায় পেট্রোল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করছে। দ্রুতই আরেকটি পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ চালু করা হবে, এতে চাপ কমবে। নির্ধারিত মূল্যের বাইরে বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। খুচরা দোকানে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাময়িক এই সংকট দ্রুতই স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করছি।”

কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: দেড় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পেট্রোল মজুদ করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ ২০২৬) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আফরোজ মারলিজ এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযানের সময় বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের দায়ে করগাঁও ইউনিয়নের আলমগীরকে ১ লাখ টাকা এবং একই অপরাধে মো. কবির মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানকালে চান্দপুর ইউনিয়নের মানিকখালী বাজারে পেট্রোল মজুদ করে বেশি দামে বিক্রি করার অপরাধে ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯-এর ৪০ ধারায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানার টাকা আদায়ের পাশাপাশি জব্দকৃত পেট্রোল ন্যায্য মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা করেন।

কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, “বিনা অনুমতিতে বালু ও মাটি উত্তোলন এবং পেট্রোল মজুদের মাধ্যমে জনস্বার্থহানি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা যায় এবং সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত থাকে।”

অভিযান চলাকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন এবং স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।