মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, তবু ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন, তবু ন্যায্যমূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষক

কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হলেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় হতাশায় ভুগছেন কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জেলায় বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে। বিপরীতে আবাদ হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে ১ লাখ ৪ হাজার ৫৮১ হেক্টর এবং নন-হাওর এলাকায় ৬৩ হাজার ৬৮১ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৬ মেট্রিক টন চাল এবং ১১ লাখ ৯৫ হাজার ২৯ মেট্রিক টন ধান।

ধান কর্তনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বেড়েছে। জেলার প্রায় ৭০ শতাংশ জমির ধান কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে কাটা হচ্ছে। এ কাজে ৫৮০ থেকে ৬০০টি হারভেস্টার ব্যবহৃত হচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশ জমির ধান কাটছেন শ্রমিকরা।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ৬১ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে ৫০ শতাংশ এবং নন-হাওর এলাকায় ১১ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। এ কাজে ৫৬৯টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ২৬ হাজার ৮৮৫ জন শ্রমিক কাজ করছেন।

তবে ভালো ফলন হলেও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। হাওরাঞ্চলের কৃষক কনক রানী দাস বলেন, “আমি ১৫ একর জমিতে ধান চাষ করেছি। সার ও ডিজেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ অনেক বেশি হয়েছে। ফলন ভালো হলেও বাজারে ধানের দাম কম। সরকার নির্ধারিত মূল্য মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন হলে আমরা কিছুটা লাভবান হতে পারতাম।”

কৃষক হরবজন দাস জানান, বর্তমান বাজারদরে ধান বিক্রি করলে প্রতি একরে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে।

আরেক কৃষক বলেন, “৬৭৫ টাকা দরে ২০০ মণ ধান বিক্রি করেছি। উৎপাদন খরচ তুলতেই কষ্ট হচ্ছে। প্রতি মণ ধান উৎপাদনে খরচ পড়ছে প্রায় ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা। সরকার ১,৪৪০ টাকা দরে ধান কেনার ঘোষণা দিলেও সাধারণ কৃষকরা সেই সুবিধা পাচ্ছেন না।”

কৃষকদের দাবি, সরকার ঘোষিত মূল্য যেন প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছায়, সে ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে কৃষকরা ধান চাষে আগ্রহ হারাতে পারেন।

ভৈরবে চলন্ত ট্রেনের নিচে বাবা-ছেলে, অল্পের জন্য বেঁচে গেলো দুটি জীবন

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৬ অপরাহ্ণ
ভৈরবে চলন্ত ট্রেনের নিচে বাবা-ছেলে, অল্পের জন্য বেঁচে গেলো দুটি জীবন

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের নিচে পড়ে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেছেন এক বাবা ও তার শিশু সন্তান। মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) বিকেলে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে চরম আতঙ্কের সৃষ্টি করলেও শেষ পর্যন্ত অলৌকিকভাবে তারা অক্ষত থাকায় স্বস্তি ফিরে আসে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রাবিরতি শেষে ঢাকাগামী ‘তিতাস কমিউটার’ ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এ সময় এক দম্পতি চলন্ত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেন। নামার মুহূর্তে বাবার হাত ফসকে প্রায় এক বছরের শিশুটি ট্রেনের নিচে পড়ে যায়। সন্তানকে বাঁচাতে বাবা দ্রুত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে নামতে গিয়ে নিজেও গড়িয়ে ট্রেনের নিচে চলে যান।

এ সময় বাবা শিশুটিকে বুকে জড়িয়ে প্ল্যাটফর্মের পাশ ঘেঁষে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে থাকেন। ট্রেনটি তাদের ওপর দিয়ে অতিক্রম করে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, একে একে আটটি বগি তাদের ওপর দিয়ে চলে গেলেও আশ্চর্যজনকভাবে তারা দুজনই অক্ষত থাকেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি জানান, “আমরা মনে করেছিলাম বাবা ও ছেলে কেউই বাঁচবেন না। কিন্তু ট্রেন চলে যাওয়ার পর দেখা যায় তারা অক্ষত অবস্থায় পড়ে আছেন। এটি সত্যিই অবিশ্বাস্য।”

ভৈরব রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইয়িদ আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও আইনত নিরুৎসাহিত। এ ধরনের অসচেতনতা বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “যাত্রীদের অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। চলন্ত ট্রেনে ওঠানামা না করা, রেললাইন পারাপারের ক্ষেত্রে ওভারব্রিজ ব্যবহার করা এবং নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করা জরুরি।”

পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর বাবা ও শিশুটিকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা কটিয়াদি উপজেলার বাসিন্দা।

আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও দায়িত্বে ফিরতে পারছেন না ইউপি চেয়ারম্যান

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও দায়িত্বে ফিরতে পারছেন না ইউপি চেয়ারম্যান

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারছেন না কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার শিমুলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রিপন। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কেএম মামুনুর রশীদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি প্যানেল চেয়ারম্যান খুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগও করেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ভৈরব বাজার প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান রিপন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গত বছরের ২৬ মার্চ একটি মামলায় জামিনে থাকা অবস্থায় তাকে বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হয় এবং থানা ভাঙচুরের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় আরও চারটি মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়। এ অবস্থায় তার অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খুরশেদ আলমকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তিনি জানান, পরবর্তীতে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর সব মামলায় জামিন পেয়ে মুক্তি লাভ করেন এবং পরদিন ১৮ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে ইউএনওকে লিখিতভাবে অবহিত করেন। একই সঙ্গে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের আইডি পুনরায় সক্রিয় করার জন্য আবেদন করেন। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মিজানুর রহমান রিপন আরও বলেন, প্যানেল চেয়ারম্যান খুরশেদ আলম ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দাখিল করেন। তদন্ত শেষে ১৯ নভেম্বর মন্ত্রণালয় তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে এবং দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সে অনুযায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তিনি জানান, পরে বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট করলে গত ২ এপ্রিল আদালত চার সপ্তাহের জন্য প্যানেল চেয়ারম্যানের কার্যক্রম স্থগিত করে এবং তাকে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়। ১৯ এপ্রিল ইউএনও কার্যালয় আদালতের আদেশ গ্রহণ করলেও এখন পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব নিতে পারেননি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের আইডি প্রদান না করায় তিনি পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছেন না। এ সুযোগে প্যানেল চেয়ারম্যান বেআইনিভাবে দায়িত্ব পালন করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যানের ভাই জিল্লুর রহমান ভূইয়া বলেন, স্থানীয় সরকার আইনের ৩৩(২) ধারা অনুযায়ী চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতেই কেবল প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করতে পারেন। চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালনে সক্ষম হলে প্যানেল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের সুযোগ থাকে না। তিনি তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

অভিযোগের বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান খুরশেদ আলম বলেন, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে সরকারিভাবে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। মিজানুর রহমান রিপন একাধিক মামলার আসামি এবং তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। সরকার নির্দেশ দিলে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াবেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা গাফিলতির অভিযোগ সঠিক নয়। প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করেছেন। হাইকোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের। তিনি জানান, এ বিষয়ে চেয়ারম্যানকে করণীয় সম্পর্কে ২৮ এপ্রিল চিঠির মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে।

টানা বৃষ্টিতে কুলিয়ারচরের ফসলি জমি পানির নিচে, কৃষকের মুখে অনিশ্চয়তা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
টানা বৃষ্টিতে কুলিয়ারচরের ফসলি জমি পানির নিচে, কৃষকের মুখে অনিশ্চয়তা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় টানা বৃষ্টিতে শত শত একর ফসলি জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আকস্মিক এ প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। একদিকে পানিতে তলিয়ে যাওয়া ধান দ্রুত কাটতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি মজুরি, অন্যদিকে বাজারে ধানের প্রত্যাশিত মূল্য না থাকায় লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, হঠাৎ বৃষ্টিতে নিচু এলাকার অধিকাংশ ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি আরও বাড়ার আশঙ্কায় অনেক কৃষক আধাপাকা ধান তড়িঘড়ি করে কেটে ফেলছেন। তবে এ সংকটময় সময়ে এলাকায় তীব্র শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে শ্রমিকরা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি মজুরি দাবি করছেন। বর্তমানে একেকজন শ্রমিককে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা পর্যন্ত মজুরি দিয়ে জমিতে নামাতে হচ্ছে, যা সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক বিঘা জমির ধান কাটতে যে পরিমাণ খরচ হচ্ছে, বর্তমান বাজারদরে সেই ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তোলা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিজের দুর্দশার কথা জানিয়ে এক কৃষক বলেন, “ধার-দেনা করে ফসল ফলিয়েছি। এখন সেই ফসল পানির নিচে। ১২০০-১৩০০ টাকা দিয়ে শ্রমিক এনে ধান কাটছি, কিন্তু বাজারে নিলে দাম নেই। আমাদের কপালে এখন দুশ্চিন্তা ছাড়া কিছু নেই।”

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, কুলিয়ারচরের কৃষি অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করে সরকারি প্রণোদনা প্রদান এবং ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা না গেলে অনেক কৃষক বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়বেন।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের সক্রিয় নজরদারি ও দ্রুত সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন কুলিয়ারচরের হাজারো কৃষক।