সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

তাড়াইলে শিশুর মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনে পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশ

রুহুল আমিন প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তাড়াইলে শিশুর মৃত্যুরহস্য উদ্ঘাটনে পুনঃময়নাতদন্তের নির্দেশ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে কবর থেকে মুদাচ্ছির (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ আদালতের নির্দেশে উত্তোলন করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের রাহেলা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

লাশ উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিসান আলী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) নাজিমউদ্দীন এবং তাড়াইল থানা পুলিশের সদস্যরা।

মুদাচ্ছির তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের রাহেলা গ্রামের জিয়াউর রহমানের ছেলে। সে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী এলাকার মাদরাসাতুল ইতকান লি উলুমিল কোরআন মাদরাসার আবাসিক শিক্ষার্থী ছিল। এজাহারে বলা হয়েছে, প্রায় তিন বছর ধরে সে ওই মাদরাসার হিফজ বিভাগে পড়াশোনা করছিল।

শিশুটির বাবা জিয়াউর রহমানের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ক্বারী আনিছুর রহমান তাঁকে ফোন করে দ্রুত মাদরাসায় যেতে বলেন। পরে তিনি স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মাদরাসায় গিয়ে দেখতে পান, চতুর্থ তলার শিক্ষকদের টয়লেটের ভেন্টিলেটরের গ্রিলের সঙ্গে গামছা পেঁচানো অবস্থায় তাঁর ছেলে ঝুলছে। এ সময় শিশুটির দুই পা মেঝের সঙ্গে বাঁকা অবস্থায় লাগানো ছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে উপস্থিত লোকজন ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় শিশুটিকে নিচে নামানো হয়। এজাহারে শিশুটির বাবা দাবি করেন, নাড়ি ও শ্বাস-প্রশ্বাস পরীক্ষা করে তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর ছেলে মারা গেছে। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার পরদিন ২১ ডিসেম্বর শিশুটির বাবা জিয়াউর রহমান যাত্রাবাড়ী থানায় এজাহার দায়ের করেন। এতে মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা ক্বারী আনিছুর রহমান, শিক্ষক হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম ও হাফেজ মোহাম্মদ উল্লাহসহ অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

এজাহারে শিশুটির বাবা অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলের সঙ্গে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিল অথবা সে কোনো ঘটনা দেখে ফেলেছিল—এমন কারণে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি টয়লেটের ভেন্টিলেটরের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

আদালতের আদেশনামা থেকে জানা যায়, এজাহারকারী পরবর্তীতে জানতে পারেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডের পরিবর্তে আত্মহত্যা হিসেবে প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এজাহারকারীর দাবি, আসামিদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের ভালো সম্পর্ক থাকায় মৃত্যুর ঘটনাকে ভিন্নমুখী করার লক্ষ্যে ময়নাতদন্তকারী সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করা হয়েছে। এতে তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ চেয়ে তিনি আদালতে আবেদন করেন।

আদালতের আদেশনামায় বলা হয়েছে, এজাহারকারীর পক্ষ থেকে দাখিল করা কাগজপত্র ও নথি পর্যালোচনা করে ন্যায়বিচারের স্বার্থে ভিকটিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন প্রয়োজন বলে আদালত মনে করেন। পরে আবেদনটি মঞ্জুর করে ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’-এর ১৭৬ (২) ধারার বিধান অনুযায়ী কিশোরগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সিভিল সার্জন ও পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে পুনরায় ময়নাতদন্তের মাধ্যমে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজিমউদ্দীন, পিবিআই ঢাকা মেট্রো (দক্ষিণ)-কে আদালতের আদেশের আলোকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পাদনের ক্ষেত্রে নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।

ভিটা আছে, ঘর নেই: চার মেয়েকে নিয়ে আশ্রয়হীন সুফিয়া

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
ভিটা আছে, ঘর নেই: চার মেয়েকে নিয়ে আশ্রয়হীন সুফিয়া

বিশ্বজুড়ে যখন নিরাপদ আবাসন ও বাসস্থানের অধিকার নিয়ে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে কিশোরগঞ্জে নিজের ভিটেমাটিতেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন সুফিয়া আক্তার নামে এক বিধবা। স্বামী ও একমাত্র ছেলেকে হারানো এই নারী অভিযোগ করেছেন, নিজের নামে জমির রেকর্ড থাকার পরও দেবর ও স্বজনদের বাধা, হুমকি ও দখলের কারণে তাঁকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে চার মেয়ের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত এলাকার বাসিন্দা সুফিয়া আক্তারের দাবি, দীর্ঘ আট বছর ধরে জমি নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। একপর্যায়ে তাঁর বসতঘর ভেঙে মালামাল সরিয়ে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে নিজের ভিটায় ফিরতে পারছেন না তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, সুফিয়ার বসতঘরটি যেখানে ছিল, সেখানে একটি নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সুফিয়ার অভিযোগ, তাঁর দেবর নিজাম উদ্দিন ওই ঘরটি নির্মাণ করেছেন। বাড়ির প্রবেশপথে টিনের গেট তৈরি করে তাতে তালা দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি নিজের বসতভিটায় প্রবেশ করতে পারছেন না।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, চৌদ্দশত মৌজার ১১৭০ নম্বর খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে সুফিয়ার প্রয়াত স্বামী নুরুন্নবী, দেবর নিজাম উদ্দিনসহ অন্য ওয়ারিশদের মোট ১ একর ২৭ শতাংশ জমি ছিল। নুরুন্নবী ও তাঁর ছেলে মবিনের মৃত্যুর পর বিআরএস ২৫-২৪৯৩ নম্বর খতিয়ানে সুফিয়া ও তাঁর চার মেয়ে রেবা সুলতানা, মালা আক্তার, রত্না আক্তার ও স্বপ্নার নামে মোট ৩০ শতাংশ জমি রেকর্ডভুক্ত হয়।

সুফিয়া আক্তার বলেন, “কাগজে আমার নামে ৩০ শতাংশ জমি থাকলেও বাস্তবে মাত্র ২ শতাংশ জায়গায় একটি ঘর করার সুযোগও পাচ্ছি না। আমার ঘর ভেঙে মালামাল নিয়ে গেছে। বাড়িতে ঢুকতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।”

তাঁর অভিযোগ, দেবর নিজাম উদ্দিন, চাচাতো দেবর হারিছ মিয়া ও নিজাম উদ্দিনের জামাতা মামুন মিয়া তাঁর বসতঘর ভেঙে তাঁকে উচ্ছেদ করেছেন।

তবে সুফিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিজাম উদ্দিন। তাঁর দাবি, তাঁর ভাই ও ভাতিজা মারা গেছেন এবং ওই জমিতে সুফিয়ার কোনো অধিকার নেই। সুফিয়া বর্তমানে যে জায়গায় অবস্থান করছেন, সেটিও তাঁর বলে দাবি করেন তিনি।

নিজাম উদ্দিনের জামাতা মামুন মিয়া বলেন, “সুফিয়া আইন-আদালতের পেছনে ঘুরে কী করবেন।” সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুফিয়ার প্রতি এত মায়া থাকলে তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেওয়া হোক।

বিষয়টি একাধিকবার গণমাধ্যমে আসার পর কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ সরেজমিনে সুফিয়ার বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিতে বলেন।

চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী বলেন, স্বামী ও সন্তান হারিয়ে সুফিয়া সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। চার মেয়েকে নিয়ে তিনি মানবিক সংকটে পড়েছেন। জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সুফিয়ার পক্ষেও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা সেই সিদ্ধান্ত মানেননি বলে তিনি জানান।

জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান জানান, উভয় পক্ষকে জেলা পরিষদে ডেকে তাঁদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় আদালতের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সুফিয়াকে বর্তমান অবস্থানেই থাকতে বলা হয়েছিল।

তবে সুফিয়ার অভিযোগ, কারও কথা না শুনে তাঁকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করে সেখানে নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী দোলন কুমার আচার্য্য বলেন, সুফিয়ার পক্ষে কয়েকবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র অনুযায়ী সুফিয়া জমির মালিক। কিন্তু তাঁর দেবররা সেখানে তাঁকে ঘর তুলতে দিচ্ছেন না।

বর্তমানে নিজের কোনো নিরাপদ আশ্রয় না থাকায় প্রবাসী মেয়ের দুই শিশুকন্যা (নাতনি) নিয়ে খোলা আকাশের নিচেই দিন-রাত কাটছে সুফিয়ার। বিবাহিত মেয়েদের সংসারে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেখানে স্থায়ীভাবে থাকতে চান না তিনি। তাঁর একমাত্র চাওয়া, নিজের ভিটায় ফিরে ছোট্ট একটি ঘর তুলে শান্তিতে বসবাস করা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুফিয়া আক্তার বলেন, “নিজের জায়গায় ছোট একটা ঘর করে শান্তিতে থাকতে চাই। আর কিছু চাই না।”

সুফিয়ার এই দুর্দশা শুধু একজন অসহায় বিধবার ব্যক্তিগত কষ্টের ঘটনা নয়; এটি গ্রামীণ জনপদে জমি নিয়ে বিরোধ, দীর্ঘ আইনি জটিলতা এবং সামাজিক ক্ষমতার অসমতারও একটি প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব বসতি দিবসে যখন সবার জন্য নিরাপদ আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে, তখন নিজের নামে জমির রেকর্ড থাকার দাবি করা একজন নারী কেন নিজের ভিটায় আশ্রয় পাচ্ছেন না, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে আদালত ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুফিয়ার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁর মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদ ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

ভৈরবে ইয়াবার বড় চালানসহ আটক ১

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ইয়াবার বড় চালানসহ আটক ১

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ জাকির হোসেন (৫৩) নামে একজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের সদস্যরা।

জাকির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানাধীন সোনারামপুর (কলাবাগান) এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম পাশে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে জাকির হোসেনকে আটক করা হয়। আটকের পর তাঁর দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে বিশেষ কায়দায় রাখা দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আটক জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা।

তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ২টায় তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সামছুন্নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন্নাহার মাকসুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।

প্রধান অতিথি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন্নাহার মাকসুদা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভেজাল খাদ্য চেনার উপায়, ফাস্টফুড ও রঙিন খাবারের ক্ষতিকর দিক, হাত ধুয়ে খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং খাদ্য সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে এবং নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের শপথ নেয়। এ সময় তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।