সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

হানিফসহ চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হানিফসহ চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ

কুষ্টিয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ চার আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে প্রসিকিউশন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তাঁদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা দাবি করা হয়। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

যুক্তিতর্ক শেষে গাজী এমএইচ তামিম বলেন, হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলার কার্যক্রম শেষ হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে কিছু অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। যুক্তিতর্ক শেষে চার আসামিরই সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করা হয়েছে।

হানিফের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের অভিযোগ তুলে ধরে তামিম বলেন, মাহবুবউল আলম হানিফ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের অংশ হিসেবে তিনি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন এবং অধীনস্তদের মাধ্যমে আন্দোলন দমনে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছিলেন বলে প্রসিকিউশনের দাবি। তিনি একজন বেসামরিক নেতা হওয়ায় অধীনস্তদের নির্দেশ এবং টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তামিম আরও বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমকেও একই অপরাধে ট্রাইব্যুনাল সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন। একই অবস্থানে থেকে মাহবুবউল আলম হানিফও একই শাস্তি পাবেন বলে প্রসিকিউশন আশা করছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, একটি দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে হানিফ দলের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে তিনি উসকানি ও সহায়তা করেছেন বলে প্রসিকিউশনের অভিযোগ। এ ছাড়া ওবায়দুল কাদেরের বিভিন্ন বৈঠকে উপস্থিত থেকে তিনি সমর্থন করেছেন বলেও দাবি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে হানিফ কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি), জেলা ও উপজেলা চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। এসব টেলিফোন কথোপকথনের রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মামলায় মাহবুবউল আলম হানিফ ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চার আসামিই বর্তমানে পলাতক।

এর আগে, গত ১০ জুন এ মামলায় প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের যুক্তি এবং পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তার জেরার মধ্য দিয়ে মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত প্রমাণাদি দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়।

গত বছরের ২ নভেম্বর চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ৫ অক্টোবর ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে এবং পরদিন ৬ অক্টোবর তা আমলে নেওয়া হয়। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ভিটা আছে, ঘর নেই: চার মেয়েকে নিয়ে আশ্রয়হীন সুফিয়া

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
ভিটা আছে, ঘর নেই: চার মেয়েকে নিয়ে আশ্রয়হীন সুফিয়া

বিশ্বজুড়ে যখন নিরাপদ আবাসন ও বাসস্থানের অধিকার নিয়ে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হচ্ছে, ঠিক সেই সময়ে কিশোরগঞ্জে নিজের ভিটেমাটিতেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছেন সুফিয়া আক্তার নামে এক বিধবা। স্বামী ও একমাত্র ছেলেকে হারানো এই নারী অভিযোগ করেছেন, নিজের নামে জমির রেকর্ড থাকার পরও দেবর ও স্বজনদের বাধা, হুমকি ও দখলের কারণে তাঁকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে চার মেয়ের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত এলাকার বাসিন্দা সুফিয়া আক্তারের দাবি, দীর্ঘ আট বছর ধরে জমি নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। একপর্যায়ে তাঁর বসতঘর ভেঙে মালামাল সরিয়ে তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। বর্তমানে নিজের ভিটায় ফিরতে পারছেন না তিনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, সুফিয়ার বসতঘরটি যেখানে ছিল, সেখানে একটি নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। সুফিয়ার অভিযোগ, তাঁর দেবর নিজাম উদ্দিন ওই ঘরটি নির্মাণ করেছেন। বাড়ির প্রবেশপথে টিনের গেট তৈরি করে তাতে তালা দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি নিজের বসতভিটায় প্রবেশ করতে পারছেন না।

স্থানীয় সূত্র ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রের তথ্য অনুযায়ী, চৌদ্দশত মৌজার ১১৭০ নম্বর খতিয়ানের বিভিন্ন দাগে সুফিয়ার প্রয়াত স্বামী নুরুন্নবী, দেবর নিজাম উদ্দিনসহ অন্য ওয়ারিশদের মোট ১ একর ২৭ শতাংশ জমি ছিল। নুরুন্নবী ও তাঁর ছেলে মবিনের মৃত্যুর পর বিআরএস ২৫-২৪৯৩ নম্বর খতিয়ানে সুফিয়া ও তাঁর চার মেয়ে রেবা সুলতানা, মালা আক্তার, রত্না আক্তার ও স্বপ্নার নামে মোট ৩০ শতাংশ জমি রেকর্ডভুক্ত হয়।

সুফিয়া আক্তার বলেন, “কাগজে আমার নামে ৩০ শতাংশ জমি থাকলেও বাস্তবে মাত্র ২ শতাংশ জায়গায় একটি ঘর করার সুযোগও পাচ্ছি না। আমার ঘর ভেঙে মালামাল নিয়ে গেছে। বাড়িতে ঢুকতে গেলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।”

তাঁর অভিযোগ, দেবর নিজাম উদ্দিন, চাচাতো দেবর হারিছ মিয়া ও নিজাম উদ্দিনের জামাতা মামুন মিয়া তাঁর বসতঘর ভেঙে তাঁকে উচ্ছেদ করেছেন।

তবে সুফিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন নিজাম উদ্দিন। তাঁর দাবি, তাঁর ভাই ও ভাতিজা মারা গেছেন এবং ওই জমিতে সুফিয়ার কোনো অধিকার নেই। সুফিয়া বর্তমানে যে জায়গায় অবস্থান করছেন, সেটিও তাঁর বলে দাবি করেন তিনি।

নিজাম উদ্দিনের জামাতা মামুন মিয়া বলেন, “সুফিয়া আইন-আদালতের পেছনে ঘুরে কী করবেন।” সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সুফিয়ার প্রতি এত মায়া থাকলে তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেওয়া হোক।

বিষয়টি একাধিকবার গণমাধ্যমে আসার পর কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ সরেজমিনে সুফিয়ার বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্থানীয় চেয়ারম্যানকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নিতে বলেন।

চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী বলেন, স্বামী ও সন্তান হারিয়ে সুফিয়া সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় রয়েছেন। চার মেয়েকে নিয়ে তিনি মানবিক সংকটে পড়েছেন। জমি নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিকবার সালিশ হয়েছে। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সুফিয়ার পক্ষেও সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা সেই সিদ্ধান্ত মানেননি বলে তিনি জানান।

জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান জানান, উভয় পক্ষকে জেলা পরিষদে ডেকে তাঁদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় আদালতের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সুফিয়াকে বর্তমান অবস্থানেই থাকতে বলা হয়েছিল।

তবে সুফিয়ার অভিযোগ, কারও কথা না শুনে তাঁকে বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করে সেখানে নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী দোলন কুমার আচার্য্য বলেন, সুফিয়ার পক্ষে কয়েকবার আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাগজপত্র অনুযায়ী সুফিয়া জমির মালিক। কিন্তু তাঁর দেবররা সেখানে তাঁকে ঘর তুলতে দিচ্ছেন না।

বর্তমানে নিজের কোনো নিরাপদ আশ্রয় না থাকায় প্রবাসী মেয়ের দুই শিশুকন্যা (নাতনি) নিয়ে খোলা আকাশের নিচেই দিন-রাত কাটছে সুফিয়ার। বিবাহিত মেয়েদের সংসারে আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেখানে স্থায়ীভাবে থাকতে চান না তিনি। তাঁর একমাত্র চাওয়া, নিজের ভিটায় ফিরে ছোট্ট একটি ঘর তুলে শান্তিতে বসবাস করা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুফিয়া আক্তার বলেন, “নিজের জায়গায় ছোট একটা ঘর করে শান্তিতে থাকতে চাই। আর কিছু চাই না।”

সুফিয়ার এই দুর্দশা শুধু একজন অসহায় বিধবার ব্যক্তিগত কষ্টের ঘটনা নয়; এটি গ্রামীণ জনপদে জমি নিয়ে বিরোধ, দীর্ঘ আইনি জটিলতা এবং সামাজিক ক্ষমতার অসমতারও একটি প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব বসতি দিবসে যখন সবার জন্য নিরাপদ আবাসনের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হচ্ছে, তখন নিজের নামে জমির রেকর্ড থাকার দাবি করা একজন নারী কেন নিজের ভিটায় আশ্রয় পাচ্ছেন না, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে আদালত ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সুফিয়ার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করে তাঁর মাথার ওপর একটি নিরাপদ ছাদ ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

ভৈরবে ইয়াবার বড় চালানসহ আটক ১

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ইয়াবার বড় চালানসহ আটক ১

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দুই হাজার পিস ইয়াবাসহ জাকির হোসেন (৫৩) নামে একজনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের সদস্যরা।

জাকির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানাধীন সোনারামপুর (কলাবাগান) এলাকার তাজুল ইসলামের ছেলে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর পশ্চিম পাশে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ভৈরব কার্যালয়ের পরিদর্শক চন্দন গোপাল সুর বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু সংলগ্ন এলাকা থেকে জাকির হোসেনকে আটক করা হয়। আটকের পর তাঁর দেহ তল্লাশি করে পরিহিত প্যান্টের পকেট থেকে বিশেষ কায়দায় রাখা দুই হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় আটক জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ওই কর্মকর্তা।

তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালা

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ২টায় তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের হলরুমে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সামছুন্নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন্নাহার মাকসুদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম তালুকদার।

প্রধান অতিথি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সামছুন্নাহার মাকসুদা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভেজাল খাদ্য চেনার উপায়, ফাস্টফুড ও রঙিন খাবারের ক্ষতিকর দিক, হাত ধুয়ে খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং খাদ্য সংরক্ষণের সঠিক নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীরা নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করে এবং নিরাপদ খাদ্য গ্রহণের শপথ নেয়। এ সময় তাড়াইল সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সব শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।