রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

চাঁদা না দেওয়ায় এক মাস ধরে বন্ধ মাদরাসা!

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
চাঁদা না দেওয়ায় এক মাস ধরে বন্ধ মাদরাসা!

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা ইউনিয়নের স্থল হাজীবাড়ি জামে মসজিদের ইমামের কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় স্থানীয় এক যুবক মসজিদ ও সংলগ্ন হেফজখানা বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায় এক মাস ধরে ইমামশূন্য অবস্থায় মসজিদটিতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ে চরম বিঘ্ন ঘটছে এবং হেফজখানার ২০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনা ও থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থল গ্রামের আবু ইসলাম সাদ্দাম নামের এক ব্যক্তি মসজিদের ইমাম হাফেজ হাসান আলীর কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তিনি হেফজখানার বৈদ্যুতিক লাইনের মূল সুইচ বন্ধ করে দেন। এতে ভীত হয়ে ইমাম হাসান আলী প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে চলে যান। এর ফলে মসজিদে নামাজ ও হেফজখানার পাঠ কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্রটি একসময় পুরো এলাকার শিশুদের কুরআন শিক্ষা ও নৈতিক প্রশিক্ষণের মূল কেন্দ্র ছিল। কিন্তু ব্যক্তিগত শত্রুতা ও চাঁদাবাজির কারণে আজ সেটি কার্যত অচল হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বলেন, সম্প্রতি আমেরিকা প্রবাসী আখতারুজ্জামান জুগলু দেশে এলে তার কাছেও ২৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাপে পড়ে তিনি নির্ধারিত সময়ের আগেই আমেরিকায় ফিরে যান। এই প্রবাসীই মাদ্রাসা ও মসজিদের ইমাম, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সব আর্থিক খরচ বহন করে আসছিলেন।

ইমাম হাফেজ হাসান আলী মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের বলেন,

“গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাতে আমার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। আমি বিষয়টি নিয়ে ভয়ে ছিলাম, তাই পরদিনই মাদ্রাসা ছেড়ে চলে আসি।”

প্রতিষ্ঠানের সার্বিক দায়িত্বে থাকা আল আমিন জানান, দীর্ঘদিন মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। তিনি দ্রুত হেফজখানাটি পুনরায় চালুর দাবি জানান এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান রাশেদ বলেন,

“ঘটনাটি আমরা শুনেছি, তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের ঘটনা উদ্বেগজনক। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার ধর্মীয় পরিবেশ ও সামাজিক স্থিতিশীলতা আরও বিঘ্নিত হতে পারে।

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে শতাধিক হেফজ বিভাগের মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ ভাস্করখিলা এলাকার মিছবাহুল উলুম মাদরাসায় হেফজ বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতারের আগে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. ফাইজুল ইসলাম এবং জিয়া সাইবার ফোর্স কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাহফুজুল হক খান জিকু।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাজন আহমেদ পাপন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি খায়রুল ইসলাম এবং সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুল আলম নজরুল।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কিশোরগঞ্জ মডেল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুদ মিয়া এবং বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আসাউজ্জামান জুয়েল।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএমইউজে হোসেনপুর উপজেলা সভাপতি এস. কে. শাহীন নবাব, তাড়াইল উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রিপন, দৈনিক নওরোজ-এর তাড়াইল প্রতিনিধি মজিবুল হক চুন্নু। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহিনন্দ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. উজ্জ্বল, সদস্য হাবিবুর রহমান, দুলাল, বাবুল ও অলিউল্লাহসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা।

ইফতার মাহফিলে মাদরাসার শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অতিথিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাসের নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাস। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাকুন্দিয়া থানা এবং পৌরসদর বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ রিফাত জাহান, পাকুন্দিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রোভার স্কাউটের সদস্যরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজিতপুরে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজিতপুরে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমন্বিত পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় মশা নিধন মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটিয়ে মশা দমন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে উপজেলা চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, বাজিতপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. সোহাগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজাহান সিরাজসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অভিযান চলাকালে কর্মকর্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে না রাখার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।