শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে বাজিতপুরে সাহিত্যপ্রেমীদের মিলনমেলা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে বাজিতপুরে সাহিত্যপ্রেমীদের মিলনমেলা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর সাধারণ গ্রন্থাগারে ‘মানুষ নজরুল ও নজরুল মানস’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্রোহ, সাম্য, মানবতা ও প্রেমের চিরন্তন কবি নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, দর্শন ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাহিত্যপ্রেমী, শিক্ষক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী ও সুধীজনদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল।

রবিবার(৩১ মে) সন্ধ্যা ৭টায় অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নাজিরুল ইসলাম কলেজিয়েট স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলাম মাস্টার। অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক ও নজরুল গবেষক মোহাম্মদ জাকীর হোসেন।

আলোচনায় তিনি জাতীয় কবির জীবনসংগ্রাম, সাহিত্যকর্ম, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, সাম্যবাদী দর্শন এবং মানবিক মূল্যবোধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নজরুল কেবল বিদ্রোহের কবি নন; তিনি ছিলেন মানবতার কবি, সাম্যের কবি এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মুক্তি ও মর্যাদার কণ্ঠস্বর। তাঁর সাহিত্য আজও অন্যায়, বৈষম্য ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের প্রেরণা জোগায়।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর সাবেক ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মনোজ কান্তি রায়, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-এর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, বাজিতপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ দাস, পাবনার সাঁথিয়া সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ কে এম শওকত আলী খান, হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামান, নাজিরুল ইসলাম কলেজিয়েট স্কুলের সাবেক শিক্ষক ভূপেন্দ্র চন্দ্র দাস, বাজিতপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক ফারুক আহমেদ, এমাদ উদ্দিন এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার মোবারক আজাদ।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, সংস্কৃতিকর্মী, শিক্ষার্থী ও সুধীজনদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ও সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস. এ. খান নোমান। তিনি বলেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে নজরুলের সাহিত্য, চিন্তা ও মানবিক দর্শন তুলে ধরতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাজিতপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক অঞ্জুমান আরা ক্যামি।

আলোচনা সভার শেষ পর্বে মানবিক চিকিৎসক ডা. এস. এ. খান নোমান জাতীয় কবির কালজয়ী কবিতা ‘বিদ্রোহী’ আবৃত্তি করেন। তাঁর আবেগঘন ও প্রাণবন্ত পরিবেশনা উপস্থিত শ্রোতাদের গভীরভাবে মুগ্ধ করে এবং পুরো অনুষ্ঠানকে এক ভিন্ন মাত্রা দেয়।

বাজিতপুর সাধারণ গ্রন্থাগারের পাঠকবৃন্দের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. এস. এ. খান নোমান। সহযোগিতায় ছিলেন সাংবাদিক মো. ফারুক, ফুল ফারছু পাঠাগারের কো-অর্ডিনেটর এম. আর. রাজিব এবং সাব্বির।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য, সংগীত ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে নিয়মিত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক আয়োজন প্রয়োজন। তাঁরা নজরুলের সাম্য, মানবতা, দেশপ্রেম ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমাজে প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

সার্বিকভাবে অনুষ্ঠানটি বাজিতপুরের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটি প্রাণবন্ত, ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয় আয়োজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। উপস্থিত অনেকেই মত প্রকাশ করেন যে, দীর্ঘদিন পর এ ধরনের উচ্চমানের সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে তাঁরা আনন্দিত। তাঁদের মতে, এমন আয়োজন স্থানীয় সংস্কৃতি চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং নতুন প্রজন্মকে সাহিত্য ও মানবিক মূল্যবোধের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।

হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অগ্নিকাণ্ডে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরান মিয়ার দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ বিস্কুট ও খাদ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে নতুন করে ব্যবসা শুরু করা এই তরুণের স্বপ্ন আগুনে অনেকটাই ভস্মীভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধনকুড়া গ্রামের হেলিপ্যাডসংলগ্ন একটি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া উপজেলার নিরাহারগাতী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাস থেকে দেশে ফিরে প্রায় তিন মাস আগে অলিম্পিক ও হক নামের দুটি কোম্পানির বিস্কুটসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর ডিলারশিপ নেন ইমরান মিয়া। তাঁর দোকান থেকে হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা দোকানে এসব পণ্য সরবরাহ করা হতো।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে তালা দিয়ে বাড়ি চলে যান ইমরান। পরে গভীর রাতে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক রিকশাচালক দোকানে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। বিষয়টি তিনি দোকানের মালিককে জানালে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া বলেন, “দুটি কোম্পানির প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল দোকানে ছিল। কিছু মালামাল উদ্ধার করা গেলেও অধিকাংশই পুড়ে গেছে। নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আগুনে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসার পুঁজি ও পণ্যসামগ্রীর বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শামসুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা মূল্যায়নের পর আরও স্পষ্ট হবে।

তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক র‍্যালি বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে একত্রিত হয়।

সাচাইল শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, তাড়াইল শ্রীশ্রী কেন্দ্রীয় কালী মন্দির এবং বরুহা শ্রীশ্রী পঞ্চতত্ত্ব মন্দিরের যৌথ আয়োজনে এ র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের উদ্যোগে নিজ নিজ এলাকা থেকে বের হওয়া র‍্যালিগুলো তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে মিলিত হয়। পরে কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পাল আগত ভক্তদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর সম্মিলিত র‍্যালিটি কেন্দ্রীয় কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালনা আখড়ায় গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‍্যালিতে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, কীর্তন ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট তাড়াইল উপহোজেলা শাখার সভাপতি অজয় সরকার ও সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মুকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক সামির সেন সাকি, কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অজয় সরকার বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী সত্য, ন্যায়, মানবতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।

ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ মানুষের মধ্যে মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতিই সমাজের সৌন্দর্য। জন্মাষ্টমীর এ আয়োজনের মাধ্যমে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।

র‍্যালি শেষে কালনা আখড়ায় ধর্মীয় আলোচনা, নামসংকীর্তন ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটে ইতিহাসের পাতায় লেখা দুটি মহাকাব্যিক ইনিংস—তামিম ইকবালের ৩৩৪ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০। বিস্ময়করভাবে, দুই ঐতিহাসিক কীর্তির সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে রেজাউর রহমান রাজার নাম।

২০২০ সালে তামিম ইকবালের ৩৩৪ রানের অবিস্মরণীয় ইনিংসের পর মাঠে দাঁড়িয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার গৌরবময় মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন রাজা। সময়ের স্রোত পেরিয়ে এবার নিজেই হয়ে উঠলেন আরেক ইতিহাসের অংশ- তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসে ছিলেন তাঁর ব্যাটিং সঙ্গী, দৃঢ় হাতে সামলেছেন অন্য প্রান্ত।

একবার ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, আরেকবার ইতিহাসের পাশে দাঁড়িয়ে গড়েছেন স্মরণীয় মুহূর্ত।

তামিমের ৩৩৪ থেকে হৃদয়ের ৩৫০—দুই প্রজন্মের দুই মহাকাব্য, আর দুটির মাঝখানে এক রাজা।
বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটের এই গল্পে রেজাউর রহমান রাজা তাই শুধু একজন ক্রিকেটার নন—তিনি হয়ে থাকলেন ইতিহাসের দুই স্মরণীয় অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী ও সহযাত্রী।