মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

নিরাপত্তা ছাড়াই তাইপেই ১০১ জয় করে ইতিহাস গড়লেন হনল্ড

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিরাপত্তা ছাড়াই তাইপেই ১০১ জয় করে ইতিহাস গড়লেন হনল্ড

বিশ্বখ্যাত মার্কিন রক ক্লাইম্বার অ্যালেক্স হনল্ড তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইয়ের আইকনিক ‘তাইপেই ১০১’ এর চূড়ায় আরোহণ করে ইতিহাস গড়েছেন। তবে সাধারণ পর্বতারোহীদের মতো নয়, কোনো নিরাপত্তা দড়ি বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই (ফ্রি সলো) ১,৬৬৭ ফুট উচ্চতার এই দানবীয় কাঠামো জয় করেছেন তিনি। খবর এপি।

সকাল ৯টার দিকে যখন হনল্ড আরোহণ শুরু করেন, নিচে হাজার হাজার মানুষ রুদ্ধশ্বাসে তাকিয়ে ছিল। তার পরনে ছিল একটি লাল টি-শার্ট, যা বিশাল ভবনের দেয়ালে একটি ছোট বিন্দুর মতো দেখাচ্ছিল।

আরোহণের সবচেয়ে কঠিন অংশ ছিল ‘ব্যাম্বু বক্স’ বা বাঁশ আকৃতির মধ্যবর্তী ৬৪টি তলা। এখানে ভবনটি বাইরের দিকে ঝুঁকে থাকায় প্রতি পদক্ষেপে ছিল ছিটকে পড়ার ভয়। হনল্ড মূলত ভবনের কোণ এবং ছোট ছোট এল-আকৃতির খাঁজগুলোকে আঁকড়ে ধরে নিজেকে ওপরের দিকে টেনে তোলেন।

এই সম্পূর্ণ ফ্রি সলো অভিযান সরাসরি সম্প্রচার করেছে নেটফ্লিক্স। বৃষ্টির কারণে অভিযান একদিন পিছিয়ে গেলেও, রোববার আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় হনল্ড মাত্র ১ ঘণ্টা ৩১ মিনিটে চূড়ায় পৌঁছে যান। নিচে জড়ো হওয়া শত শত মানুষ উল্লাসে ফেটে পড়েন, যখন হনল্ড চূড়ায় দাঁড়িয়ে দুই হাত তুলে বিজয় উদযাপন করেন। এটিই বিশ্বের ইতিহাসে কোনো দড়ি ছাড়া উচ্চতম ভবনে আরোহণের রেকর্ড।

হনল্ডের এই কৃতিত্ব বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তবে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। কোনো সুরক্ষা ছাড়াই এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ লাইভ সম্প্রচার করার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। হনল্ডের মতে, এটি তার দীর্ঘদিনের সাধনা। এর আগে তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার এল ক্যাপিটান পাহাড় জয় করে বিশ্বজুড়ে সাড়া ফেলেছিলেন, যা নিয়ে ‘ফ্রি সলো’ নামক অস্কারজয়ী তথ্যচিত্রও নির্মিত হয়েছে।

(খবরঃ অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস)

ভৈরবে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, নৌকা চুরির বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, নৌকা চুরির বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছুরিকাঘাতে সাজ্জাদ মিয়া (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার। সোমবার (৩ আগস্ট) রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার ইউসুফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সাজ্জাদকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান।

নিহত সাজ্জাদ মিয়া লক্ষ্মীপুর এলাকার আরমান মিয়ার ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগে সাজ্জাদ মিয়ার মামা স্বপন মিয়ার একটি নৌকা চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুর এলাকায় সাজ্জাদের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে পরিচিত আনার ওরফে ‘কাইল্যা’ নামে এক ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাজ্জাদকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সাজ্জাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আনারের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তারা জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে সংঘটিত একটি আলোচিত তিন হত্যার মামলায় তিনি আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন কারাভোগের পর প্রায় এক বছর আগে এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর তিনি আবারও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিহতের বাবা আরমান মিয়া বলেন, “আমার সম্বন্ধী স্বপন মিয়ার নৌকা কয়েকদিন আগে চুরি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।”

নিহতের মা শিউলি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “রাতে ছেলে মাছ ধরতে বের হয়েছিল। পরে খবর পাই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমি আমার সন্তানের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর বলেন, “রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাজ্জাদ মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার বাম কাঁধে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৌকা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের অগ্রগতি মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল ফিতরের সময় শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল মাঠটির সার্বিক উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এর ধারাবাহিকতায় সরকার প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে।

প্রকল্পের আওতায় ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট করে ভূমি উঁচু করা, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং চারপাশে সুরক্ষামূলক স্লোপ নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে পুরো মাঠ ঘিরে দৃষ্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর ও নতুন প্রবেশদ্বার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আগত লাখো মুসল্লির অজুর সুবিধার্থে ঈদগাহ সংলগ্ন পুকুরের তিন পাশে ঘাটলা নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় সংলগ্ন মসজিদকে তিনতলা ভবনে উন্নীত করার পাশাপাশি আধুনিক ওজুখানা, ওয়াশরুম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধাও নির্মাণ করা হবে।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ বলেন, ‘আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই মাঠ ভরাট, সীমানা প্রাচীর এবং পুকুরের ঘাটলা নির্মাণের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রকল্পের অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কিশোরগঞ্জ সফরকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠকে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দনভাবে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ঐতিহাসিক মর্যাদা আরও সমুন্নত হবে। পাশাপাশি ঈদের জামাতে অংশ নিতে আসা লাখো মুসল্লির জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

তাড়াইলে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যা, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যা, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করা এক বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত হাবুল মিয়া (৫২) তাড়াইল উপজেলার বরুহা (রাজঘাট) গ্রামের মৃত মন্নাছ মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় তাড়াইল সিএনজি স্ট্যান্ডে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে নিজ বাড়ির সামনের কাঁচা সড়কে অবস্থান করছিলেন হাবুল মিয়া। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুই থেকে তিনজন দুর্বৃত্ত কাঠ দিয়ে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। হামলার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় হাবুল মিয়া চিৎকার করে সাহায্য চাইতে পারেননি। পরে তাঁর গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।

আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর ২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হাবুল মিয়ার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকেন। তিনি গ্রামের বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

এ ঘটনায় নিহতের খালাতো ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে তাড়াইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41