মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

হোসেনপুরে সাড়া ফেলেছে আদর্শ বীজতলা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:২৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হোসেনপুরে সাড়া ফেলেছে আদর্শ বীজতলা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় আদর্শ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করায় কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। এতে সময় ও খরচ উভয়ই কম লাগছে। পাশাপাশি সুস্থ চারা উৎপাদনের নিশ্চয়তা পাওয়া যাচ্ছে এবং কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকিও কম থাকছে বলে কৃষি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। তাদের মতে, কমিউনিটি ও আদর্শ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরিই বর্তমানে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।

জানা যায়, ধানের চারা মূল জমিতে রোপণের আগে যে স্থানে চারা উৎপাদন করা হয়, তাকেই বীজতলা বলা হয়। কৃষকরা সাধারণত অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণে বীজ ছিটিয়ে বীজতলা তৈরি করেন, যা সনাতন পদ্ধতি হিসেবে পরিচিত। এ পদ্ধতিতে অতিরিক্ত বীজ ব্যবহারের কারণে চারাগুলো দুর্বল ও লিকলিকে হয় এবং সহজেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়।

বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আদর্শ বীজতলা স্থাপন করা হয়েছে। সরেজমিনে জগদল ব্লকের ডাহরা গ্রামসহ বিভিন্ন ব্লক পরিদর্শনে কৃষক মো. আরিফুল ইসলাম, মো. জলিল মিয়া, আশরাফুল, ফরিদ উদ্দিন, খোকন, পংকজ, কাঞ্চন মিয়া, চান মিয়া এবং বর্শিকুড়া গ্রামের কৃষক মো. কিরন মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী আদর্শ বীজতলা তৈরি করেছেন।

কৃষকরা জানান, উপজেলা কৃষি অফিসের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তারা জানতে পেরেছেন—বীজতলার চারপাশে ছয় ইঞ্চি গভীর ও ৫০ সেন্টিমিটার চওড়া নালা রাখতে হয়। প্রতি বেড ১.০০–১.২৫ মিটার প্রস্থ ও ১০ মিটার লম্বা করতে হয় এবং দুই বেডের মাঝখানে ৩০ সেন্টিমিটার নালা রাখতে হয়। প্রতি বর্গমিটার বেডে ৮০ গ্রাম বীজ বপনের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সমন্বিতভাবে আদর্শ বীজতলা তৈরি করেছেন।

তারা আরও জানান, আদর্শ পদ্ধতিতে বীজ বপন করলে ৫০–৬০ শতাংশ পর্যন্ত বীজের অপচয় রোধ হয়। চারা হয় সতেজ ও সবল। কম বয়সী চারা মূল জমিতে রোপণ করলে কুশি বেশি হয় এবং ফলনও বৃদ্ধি পায়। এ ছাড়া এ পদ্ধতিতে বীজতলার পরিচর্যা করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

এ বিষয়ে জগদল ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুদাসিল হায়দার আলমগীর বলেন, দিন দিন এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিভাগীয় নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ফলে এ মৌসুমে অধিকাংশ কৃষকই আদর্শ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করেছেন। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত চারা সুস্থ হয় এবং কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকি কম থাকে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ মাসুমা আক্তার বলেন, উপজেলার পৌরসভাসহ ছয়টি ইউনিয়নে কমিউনিটি ও আদর্শ বীজতলা স্থাপন করা হয়েছে। অন্যান্য কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে প্রতি বিঘায় প্রায় সাড়ে ছয় কেজি বীজ সাশ্রয় হচ্ছে, যা থেকে সরকারের বিপুল অর্থ সাশ্রয় হবে। এছাড়া রাতে বেডে পানি দিয়ে দিনে নিষ্কাশন করলে শীতজনিত কোল্ড ইনজুরির আশঙ্কা কমে যায়। ফলে এ উপজেলায় আদর্শ বীজতলার প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ণ
নেপালের ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার এক শোকবার্তায় তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। এ দুর্যোগে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই অপূরণীয় ক্ষতির ভার বহন করা মানুষগুলোর প্রতি বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও প্রার্থনা রয়েছে।

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সঙ্গে রয়েছে, যাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।”

তিনি নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ ও দেশটির জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ নেপালের পাশে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংকটময় এ পরিস্থিতিতে নেপালের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় নেপালের প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা করতে বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শোক ও সহায়তার প্রস্তুতির এই বার্তার তথ্য রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনেও নিশ্চিত করা হয়েছে।

নেপালের সাম্প্রতিক এই ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শোকবার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় নিহত ব্যক্তিদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জানান।

আন্তর্জাতিক ফুটবল দুর্নীতি: ঘুষের দায় স্বীকার দুই আর্জেন্টাইন নির্বাহীর

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২১ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক ফুটবল দুর্নীতি: ঘুষের দায় স্বীকার দুই আর্জেন্টাইন নির্বাহীর

আলোচিত দুর্নীতি কেলেঙ্কারিতে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্মকর্তাদের ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন আর্জেন্টিনার দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী হুগো জিনকিস ও তাঁর ছেলে মারিয়ানো জিনকিস। লাভজনক বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের সম্প্রচার ও বিপণনস্বত্ব পেতে ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটরদের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছেছেন তাঁরা।

গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে জমা দেওয়া নথিতে বাবা-ছেলের এই স্বীকারোক্তির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। হুগো ও মারিয়ানো দুজনই আর্জেন্টিনার ক্রীড়া বিপণন প্রতিষ্ঠান ‘ফুল প্লে’র সহ-মালিক।

২০১৫ সালে ফিফা ও উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশনগুলোকে ঘিরে শুরু হওয়া ব্যাপক দুর্নীতি তদন্তের পর তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল। ওই তদন্ত বিশ্ব ফুটবল প্রশাসনে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করে। এর অংশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযানও চালানো হয়।

আদালতের নথি অনুযায়ী, বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব, কোপা আমেরিকাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচের লাভজনক মিডিয়া ও বিপণনস্বত্ব পেতে জিনকিসরা ফিফা, কনকাকাফ ও কনমেবলের কর্মকর্তাদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করেন। এ জন্য তাঁরা পরিকল্পিতভাবে ঘুষের লেনদেনে জড়ান।

নথিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন ফুটবল টুর্নামেন্টের সম্প্রচার ও বিপণনস্বত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিশ্চিত করতে জিনকিসরা কয়েক কোটি ডলার বাণিজ্যিক ঘুষ দিয়েছেন এবং আরও ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রসিকিউটরদের সঙ্গে করা সমঝোতা চুক্তির আওতায় জিনকিসদের বিরুদ্ধে আনা জালিয়াতির অভিযোগ প্রত্যাহার করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে চুক্তির অংশ হিসেবে ৫ কোটি ডলার বাজেয়াপ্ত করতে সম্মত হয়েছেন হুগো ও মারিয়ানো।

বিচার স্থগিতের চুক্তি বা ডিফার্ড প্রসিকিউশন অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় তাঁরা ফিফা, কনকাকাফ ও কনমেবলকে প্রতারণার উদ্দেশ্যে একটি পরিকল্পনা করার কথাও স্বীকার করেছেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ও কোপা আমেরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টের সম্প্রচারস্বত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রেও ঘুষের আশ্রয় নেওয়ার কথা আদালতের নথিতে উঠে এসেছে।

২০১৫ সালের তদন্তের পর ফিফা, কনমেবল ও কনকাকাফের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। তদন্তের ধারাবাহিকতায় একাধিক গ্রেপ্তার, বিচার, দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং আদালতে অপরাধ স্বীকারের ঘটনাও ঘটে।

সেই বহুল আলোচিত দুর্নীতি তদন্ত শুরুর এক দশকের বেশি সময় পর এবার ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করলেন আর্জেন্টিনার এই দুই ক্রীড়া বিপণন নির্বাহী।

হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
হাতকড়াসহ আওয়ামী নেতা পালানোর ঘটনায় পুলিশের মামলা, ওসি ক্লোজড

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা রেনু মিয়া পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছে। মামলায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। একই ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং মাধবদী এলাকার মৃত ইল্লাল মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, রেনু মিয়াকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দুই হাতে হাতকড়া পরানো হয়। এ সময় তাঁর পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাঁরা পুলিশকে ঘেরাও করে ধস্তাধস্তির মাধ্যমে রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেন বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হন।

রেনু মিয়াকে পুনরায় গ্রেপ্তারে পরে অভিযান শুরু করে পুলিশ। একাধিক দল নিয়ে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাত আনুমানিক ৯টা ৫০ মিনিটে, অর্থাৎ পালানোর প্রায় দশ ঘণ্টার মধ্যে, মাধবদী এলাকায় তাঁকে হাতকড়াসহ পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়।

রেনু মিয়াকে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া, পুলিশের কাজে বাধা এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরাফিন মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ১৮৬, ৩৩২, ২২৪, ২২৫, ৩৫৩ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে এসআই শরাফিন মিয়া, কনস্টেবল বাবলু মিয়া ও কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। পরে তাঁরা কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

রেনু মিয়াকে আটকের পর তাঁর পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ সাতজন নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে মোছা. ইতি আক্তার, মোছা. সাদিয়া, মোছা. আকলিমা আক্তার ও রত্নাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

অন্য তিন নারীর বিরুদ্ধে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় তাঁদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের হেফাজত থেকে হাতকড়াসহ একজন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দিনকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক কারণে তাঁকে ক্লোজড করা হয়েছে।