বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩

নিকলীতে প্রায় এক দশক পর ঐতিহ্যের নৌকা বাইচ

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিকলীতে প্রায় এক দশক পর ঐতিহ্যের নৌকা বাইচ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় প্রায় এক দশক পর অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ। দীর্ঘ বিরতির পর আয়োজিত এ নৌকা বাইচকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলা সদরের সুয়াইজনি নদীসংলগ্ন চলিহাতি হাওরে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

২০১৭ সালের পর নিকলীতে এই প্রথম বড় পরিসরে নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজক ও স্থানীয়রা জানান। ভাটি অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত নৌকা বাইচ একসময় এ অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বিনোদন ও আনন্দের উৎস ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর সেই ঐতিহ্য ফিরে আসায় প্রতিযোগিতা দেখতে হাওরপাড়ে ভিড় করেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।

নৌকা বাইচের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিকলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম তালুকদার হেলিম, কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট এ এম সাজ্জাদুল হক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরিফসহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

প্রতিযোগিতায় তিন পর্বে বিভিন্ন নৌকা অংশ নেয়। প্রতিটি পর্বে প্রতিযোগীদের মধ্যে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। হাওরের পানিতে নৌকার ছন্দময় গতি, মাঝিদের সম্মিলিত বৈঠার টান এবং দর্শকদের উচ্ছ্বাসে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। প্রথম স্থান অধিকারীকে একটি ফ্রিজ, দ্বিতীয় স্থান অধিকারীকে একটি এলসিডি টেলিভিশন এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন পুরস্কার দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অন্যান্য নৌকার মাঝিদেরও আয়োজকদের পক্ষ থেকে সান্ত্বনা পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণ শেষে জেলা পরিষদের প্রশাসক ভিপি খালেদ সাইফুল্লাহ খান সোহেল বলেন, নৌকা বাইচ ভাটি অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের লোকজ সংস্কৃতি দীর্ঘদিন অবহেলিত না রেখে প্রতিবছর নৌকা বাইচের আয়োজন করা হবে।

তিনি বলেন, নৌকা বাইচের মতো ঐতিহ্যবাহী আয়োজনের মাধ্যমে ভাটি অঞ্চলের মানুষের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা সম্ভব।

নৌকা বাইচ শেষে উপজেলা সদরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে পুরোনো শহীদ মিনার সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে নৌকা বাইচের আয়োজনের পাশাপাশি স্থানীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের কার্যক্রমও শুরু হলো।

দীর্ঘ বিরতির পর নৌকা বাইচ দেখতে আসা স্থানীয় দর্শনার্থীরা জানান, নৌকা বাইচ শুধু একটি প্রতিযোগিতা নয়; এটি ভাটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িত। নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে নতুন প্রজন্মের মধ্যে স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।

গুরুদয়াল সরকারি কলেজে নতুন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফুন নাহার

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
গুরুদয়াল সরকারি কলেজে নতুন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফুন নাহার

কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী গুরুদয়াল সরকারি কলেজের নতুন উপাধ্যক্ষ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন প্রফেসর লুৎফুন নাহার। এর আগে তিনি একই কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রফেসর লুৎফুন নাহার বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের ২৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা। দীর্ঘ শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তিনি গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উপাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি কলেজটির সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষকতা ও প্রশাসনিক কাজে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নতুন দায়িত্বে তিনি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম, শৃঙ্খলা ও সার্বিক পরিবেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর নবাগত উপাধ্যক্ষ প্রফেসর লুৎফুন নাহার বলেন, কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষা, সংস্কৃতি, শৃঙ্খলা ও সার্বিক মানোন্নয়নে তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে চান।

তিনি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার দোয়া প্রত্যাশা করেন তিনি।

এদিকে, প্রফেসর লুৎফুন নাহারের নতুন দায়িত্ব গ্রহণে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাঁকে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

তাড়াইলে কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের দিনব্যাপী কর্মশালা

রুহুল আমিন প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৯ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের দিনব্যাপী কর্মশালা

শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শ্রেণিকক্ষে কার্যকর পাঠদান নিশ্চিত করতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে স্বতন্ত্র কওমি মাদরাসার শিক্ষকদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে তাড়াইলের স্বতন্ত্র কওমি মাদরাসা ঐক্য পরিষদ। কর্মশালায় উপজেলার বিভিন্ন স্বতন্ত্র কওমি মাদরাসার শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তানযীমুল মাদারিসিল কাওমিয়া আল আরাবিয়ার সাধারণ সম্পাদক শায়খুল হাদিস মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী, ইমাম উলামা পরিষদ, তাড়াইলের সভাপতি শায়খুল হাদিস মাওলানা ফয়েজ উদ্দিন, ইতমিনান বোর্ড বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হাফেজ মুফতি মুসা খান, ময়মনসিংহের নান্দাইলের পাঁচবাড়ীয়া নাদিয়াতুল কুরআন মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আমরুল্লাহ, তাড়াইলের সহিলাটি জামে মসজিদের খতিব ও শায়খুল হাদিস মাওলানা ছাদেকুর রহমান এবং কিশোরগঞ্জের বড়ভাগ এমদাদুল উলুম আলিম মাদরাসার প্রভাষক হাফেজ মাওলানা আতাউর রহমান শাহান।

স্বতন্ত্র কওমি মাদরাসা ঐক্য পরিষদ, তাড়াইল উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুর রউফের সভাপতিত্বে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা এমদাদুল্লাহ।

দিনব্যাপী কর্মশালায় কওমি মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থা, পাঠদান পদ্ধতি, শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে পাঠ উপস্থাপন, শিক্ষকদের দায়িত্ব ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণে শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শেখার উপযোগিতা বিবেচনায় নিয়ে পাঠকে সহজ, আকর্ষণীয় ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং পাঠদানের ক্ষেত্রে আধুনিক ও কার্যকর পদ্ধতি অনুসরণের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা বলেন, শিক্ষার গুণগত মান অনেকাংশেই শিক্ষকের দক্ষতা ও পাঠদানের পদ্ধতির ওপর নির্ভরশীল। তাই শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো গেলে কওমি মাদরাসার শিক্ষাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

তাঁরা আরও বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, শিক্ষকদেরও নিয়মিত শেখা ও নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতিকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মশালা আরও বিস্তৃত পরিসরে আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ৪৫ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ৪৫ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি

কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৪৫ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান।

একই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রকল্যাণ তহবিলের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর ওই তহবিল থেকে বিভাগের দুজন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য ড. জি এম শফিউর রহমান। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে উপউপাচার্য ড. জি এম শফিউর রহমান বলেন, নবীন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় অল্প সময়ের মধ্যেই শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে অগ্রগতির জানান দিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কমিটি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন তিনি।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপউপাচার্য বলেন, এ স্বীকৃতি শুধু উদযাপনের বিষয় নয়; বরং শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার জন্য এটি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পাওয়া এ স্বীকৃতির মর্যাদা ধরে রাখতে শিক্ষার্থীদের মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য ড. মো. হাবীবুর রহমান নিজের ছাত্রজীবনে বৃত্তি পাওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, বৃত্তির অর্থের পরিমাণের চেয়ে এর মাধ্যমে পাওয়া স্বীকৃতিটাই বড় সম্মানের। এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না। শিক্ষার্থীদের মার্জিত আচরণ, শালীনতা, মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহারসহ মানবিক গুণাবলিও অর্জন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে আচরণ ও চলাফেরায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসাও প্রকৃত শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তিনি আরও বলেন, পরিবার ও দেশের প্রতি প্রত্যেকের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সময়ের সঠিক ব্যবহার এবং নিজের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

এ সময় উপাচার্য কৃষক, শ্রমিক, কর্মকর্তা কিংবা শিক্ষক—সব পেশার মানুষকে সমান সম্মান করার মানসিকতা গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও অসচ্ছল ৪৫ শিক্ষার্থীর হাতে বৃত্তির অর্থ তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রকল্যাণ তহবিলের উদ্বোধন করা হয় এবং ওই তহবিল থেকে বিভাগের দুজন শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।