বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৮ ১৪৩২

বাজিতপুর পৌরশহরে বৈদ্যুতিক তার ও মিটার চুরির আতঙ্ক

বাজিতপুর প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বাজিতপুর পৌরশহরে বৈদ্যুতিক তার ও মিটার চুরির আতঙ্ক

কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার পৌরশহরে বৈদ্যুতিক সার্ভিস তার, এসির তার ও বৈদ্যুতিক মিটার চুরির হিড়িক পড়েছে। গত এক সপ্তাহে পৌরশহরের বাজার, আশপাশের আবাসিক এলাকা এবং মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে লক্ষাধিক টাকার তার ও ৮ থেকে ১০টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, উপজেলায় এমন কোনো জায়গা নেই যেখান থেকে প্রশিক্ষিত চোরচক্র বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বাড়িঘর থেকে সার্ভিস তার, মিটার ও ট্রান্সফরমার চুরি করছে না। ফলে সাধারণ মানুষ ও আবাসিক গ্রাহকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে সরকারি অফিস-আদালত, বাসাবাড়ি এবং মসজিদ-মাদ্রাসা থেকে এসির তার বেশি চুরি হচ্ছে।

স্থানীয়দের ধারণা, যারা এই চুরি করছে তারা হয় বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সম্পৃক্ত, নয়তো প্রশিক্ষিত কোনো চোরচক্র। কারণ বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে তার চুরি করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং সাধারণ চোরদের পক্ষে এটি সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা থানায় অভিযোগ না করে অনেক সময় নিজেরাই নতুন সংযোগ নিয়ে থাকেন, যা আইনগত ব্যবস্থায় বাধা সৃষ্টি করছে।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এক শ্রেণির প্রশিক্ষিত চোর থ্রি-ফেজ মিটার চুরি করে গ্রাহকদের ফাঁদে ফেলে বিকাশের মাধ্যমে টাকা আদায় করছে। গত এক মাসে ২০ থেকে ২৫টি বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাজিতপুর থানায় একাধিক মামলা হয়েছে।

বাজিতপুর পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মিল-কারখানা ও কৃষকের গভীর নলকূপে ব্যবহৃত থ্রি-ফেজ মিটার চুরি করছে একটি চক্র। চুরি করা মিটারের বোর্ডে তারা মোবাইল নম্বর লিখে রেখে যায় এবং ওই নম্বরে সাত হাজার থেকে দশ হাজার টাকা দিলে মিটার ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব দেয়। চলতি মাসেই এ ধরনের ঘটনায় থানায় ১০টির বেশি মামলা হয়েছে। তবুও চোরচক্রের তৎপরতা থামেনি। প্রায় প্রতিরাতেই কোথাও না কোথাও চুরি হচ্ছে।

পৌরশহরের বাসিন্দা মামুন জানান, গত সপ্তাহে তার বাড়ির বৈদ্যুতিক লাইন থেকে সব তার কেটে নিয়ে যায় চোরেরা। এতে তার প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়। পাগলারচর গ্রামের আবদুল করিমের মিটারও সম্প্রতি চুরি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা জানান, নতুন মিটার বসালেও পরদিন সেটিও চুরি হয়ে যায়। তবে চোরদের দেওয়া নম্বরে টাকা দিলে চুরি হওয়া মিটার আশপাশ থেকেই উদ্ধার করা যায় এবং পরবর্তীতে আর চুরি হয় না।

বাজিতপুর বিদ্যুৎ অফিসের আবাসিক প্রকৌশলী বলেন, “মিল-কারখানার থ্রি-ফেজ মিটার ও বৈদ্যুতিক তার চুরির ঘটনায় আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। প্রতিটি ঘটনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।”

এ বিষয়ে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম শহীদুল্লাহ বলেন, “চোরের রেখে যাওয়া মোবাইল নম্বরগুলো প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে গ্রাহকদেরও মিটার ও সংযোগ সংরক্ষণে আরও সতর্ক হতে হবে।”

কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ধানক্ষেতে উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৮:১০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে ধানক্ষেতে উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যাশিশু

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় ময়মনসিংহ–কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশের ধানক্ষেত থেকে সদ্যোজাত এক কন্যাশিশুকে উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৮টার দিকে উপজেলার ঈশ্বরগঞ্জ ইউনিয়নের খৈরাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর মহাসড়কের পাশের একটি ধানক্ষেত থেকে নবজাতকের কান্নার শব্দ শুনতে পান এক পথচারী। পরে বিষয়টি স্থানীয় অটোচালক হালিম মিয়াকে জানালে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে নতুন কাপড় পরিয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নবজাতকটিকে উদ্ধার করে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। উদ্ধারকালে শিশুটির শরীরে রক্তের চিহ্ন ছিল। চিকিৎসকদের ধারণা, শিশুটিকে জন্মের তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছিল।

অটোচালক হালিম মিয়া জানান, সন্ধ্যা ৭টার দিকে শিশুটিকে ধানক্ষেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। মানবিক কারণে তিনি শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে পরিচর্যা করেন এবং পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন।

খবর পেয়ে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা রহমান হাসপাতালে গিয়ে নবজাতকের খোঁজখবর নেন। তিনি শিশুটির চিকিৎসা, খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। বর্তমানে নবজাতকটি সুস্থ রয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে কটিয়াদীর সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ঈদ উপলক্ষে কটিয়াদীর সাড়ে ৪ হাজার পরিবারের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণ শুরু

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলাজালালপুর ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ভিজিএফ কর্মসূচির চাল বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৪ হাজার ৫৩৯টি কার্ডধারী দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে।

এ উপলক্ষে জালালপুর ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের জন্য মোট ৪৫ দশমিক ৩৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১২ মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত ভিজিএফ কার্ডধারীদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে থাকা কটিয়াদী উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম রবিন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা লিটন চন্দ্র পাল, কটিয়াদী প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ও কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মাইনুল হক মেনু, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক মোহাম্মদ নাজমুল হক, প্যানেল চেয়ারম্যান আবদুল মতিন আসাদ, ইউপি সদস্য মো. দিদারুল ইসলাম, মো. শাহাদাৎ হোসেন, মো. খোকন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগমসহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের ৪ হাজার ৫৩৯টি কার্ডধারী দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে জনপ্রতি ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম দিনে ইউনিয়নের ১, ২, ৩, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে ৪, ৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কার্ডধারীদের মাঝে চাল বিতরণ করা হবে।

উন্নয়ন ও বরাদ্দের খোলামেলা হিসাব: নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
উন্নয়ন ও বরাদ্দের খোলামেলা হিসাব: নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সরকারি বরাদ্দ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। তার এই উদ্যোগ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেক নাগরিক ও সাংবাদিক মনে করছেন, রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি নতুন সংস্কৃতির সূচনা হতে পারে এমন উদ্যোগের মাধ্যমে।

সম্প্রতি এক লাইভ উপস্থাপনায় তিনি নিজের নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা–৪ (দেবিদ্বার) আসনের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ এবং সেই অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। উন্নয়ন কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি, চলমান প্রকল্প এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি তথ্যভিত্তিক ব্যাখ্যা দেন।

এই উপস্থাপনা দেখে অনেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন স্বচ্ছ ও তথ্যসমৃদ্ধ উপস্থাপনা খুব কমই দেখা যায়। তাদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি যদি নিজেই তার এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পূর্ণ হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তাহলে ভোটারদের মধ্যে আস্থা বাড়ে এবং গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা শক্তিশালী হয়।

কিশোরগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও এনটিভির নিজস্ব প্রতিবেদক মারুফ আহমেদ তার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, “হাসনাত আব্দুল্লাহর পুরো প্রেজেন্টেশনটি আমি মনোযোগ দিয়ে একাধিকবার দেখেছি। নিজের নির্বাচনী এলাকার চলমান উন্নয়ন প্রকল্প, সরকারি বরাদ্দ ও ব্যয়ের বিষয়ে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দেখে আমিও অনেক কিছু নতুন করে জানতে পেরেছি। এতে নিজের সংসদীয় এলাকা নিয়েও একইভাবে জানার আগ্রহ তৈরি হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন কার্যক্রমের অর্থ কোথা থেকে আসে, কীভাবে ব্যয় হয় এবং সেই কাজের অগ্রগতি কী—এসব তথ্য জানা সাধারণ ভোটারদের অধিকার। একজন জনপ্রতিনিধি যখন স্বেচ্ছায় এসব তথ্য জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তখন তা গণতান্ত্রিক চর্চাকে শক্তিশালী করে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা দাবি-দাওয়া থাকলেও সেগুলোর বিস্তারিত আর্থিক হিসাব জনসমক্ষে খুব কমই উপস্থাপন করা হয়। ফলে সাধারণ মানুষ প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থা বা বরাদ্দের পরিমাণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পান না।

এই প্রেক্ষাপটে হাসনাত আব্দুল্লাহর তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনাকে অনেকেই একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, একজন জনপ্রতিনিধি যদি তার এলাকার প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, ব্যয় এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জনগণের সামনে তুলে ধরেন, তাহলে তা অন্য জনপ্রতিনিধিদের জন্যও একটি উদাহরণ হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, গণতন্ত্রে জনগণ শুধু ভোটার নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদের মালিক। তাই জনগণের অর্থ দিয়ে পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের হিসাব জনগণের কাছে তুলে ধরা রাজনৈতিক দায়িত্বের অংশ।

জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মতে, যদি দেশের অন্যান্য সংসদ সদস্যরাও নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও সরকারি বরাদ্দের বিস্তারিত তথ্য এভাবে জনগণের সামনে উপস্থাপন করেন, তাহলে রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

তাদের ভাষায়, “হাসনাত আব্দুল্লাহ হয়তো একটি নতুন ধারা শুরু করেছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অন্যরাও যদি একইভাবে জনগণের সামনে তাদের কাজের হিসাব তুলে ধরেন, তাহলে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের সূচনা ঘটতে পারে।”