মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না: অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

মো. আলী রহমান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না: অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

“হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না। ক্ষুদ্র কৃষক ও বর্গাচাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।” — এমন আশ্বাস দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন-এর নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নদীভাঙনের ভয়াবহতা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক স্রোতধারা ফিরিয়ে আনতে অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) খনন কার্যক্রম শুরু করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “নদীভাঙন শুধু ঘরবাড়ি নয়, মানুষের জীবিকা ও ভবিষ্যৎকেও হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে এলাকাবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে।”

হাওরাঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়ন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, হাওরের খাল ও নদী পুনঃখননের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এতে জলাবদ্ধতা কমবে, নৌযান চলাচল সহজ হবে এবং কৃষি উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরাঞ্চলে কৃষক ও জেলেদের জন্য বিশেষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা শেড নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে হাওরকে পরিবেশগতভাবে আরও সমৃদ্ধ করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হিজল, করচ ও তমালসহ দেশীয় জলজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান আরও বলেন, “হাওরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের জন্য ৩৪টি উপজেলা নিয়ে পৃথক হাওর মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ মন্ত্রণালয় গঠিত হলে হাওরবাসীর উন্নয়নে আরও পরিকল্পিত ও কার্যকর কাজ করা সম্ভব হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতি বছর নদীভাঙন, অতিবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাওরাঞ্চলের মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। ফলে সরকারি উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উম্মে কুলসুম রেখা, সৈয়দ সাঈদ আহমদ, জাকির হোসেন মুকুল এবং সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কটিয়াদীতে ক্রিকেট ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে ক্রিকেট ফাইনাল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

‘ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ড্রিম হলি মডেল একাডেমির উদ্যোগে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে তারা মিয়া স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটন্ত কলি সোশ্যাল অর্গানাইজেশন রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

রোববার বিকেলে উপজেলার উত্তর চরপুক্ষিয়া ৮৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে মাঠের চারপাশে স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের ভিড় জমে। ফাইনাল খেলাকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

ড্রিম হলি মডেল একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন ফুলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অনুষ্ঠানে বক্তব্যও দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, খেলাধুলা তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একটি মাদকমুক্ত দেশ ও সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু হবে। এ উপলক্ষে কটিয়াদী উপজেলায় কটিয়াদী, বোয়ালিয়া, আচমিতা, মসূয়া ও বনগ্রাম—এই পাঁচটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে তোলার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তিনি কটিয়াদীর তরুণ ও যুবসমাজকে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্য নয়, খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের গুণাবলি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যবোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে। তাই প্রতিটি এলাকায় খেলার মাঠ সংরক্ষণ ও নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজনের প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, মো. আতিকুর রহমান আতিক, উত্তর চরপুক্ষিয়া ৮৮ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এম. এ. আমিন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহাবুবুল আলম মাসুদ ও সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, জালালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম ভূঞা শ্যামল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু নায়েম বাবুল, জালালপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. আরিফুল ইসলাম সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম হিমেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, ক্রীড়ানুরাগী এবং বিপুলসংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

ফাইনাল খেলায় শুরু থেকেই দুই দল জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে লড়াই করে। দুই দলের খেলোয়াড়দের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মাঠে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ খেলায় তারা মিয়া স্মৃতি সংসদ চ্যাম্পিয়ন এবং ফুটন্ত কলি সোশ্যাল অর্গানাইজেশন রানার্সআপ হয়।

খেলা শেষে বিজয়ী ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আয়োজকেরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখা হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কর্মসূচি

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে কিশোরগঞ্জে যুবদলের পরিচ্ছন্নতা ও মশকনিধন কর্মসূচি

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ মোকাবিলায় জনসচেতনতা সৃষ্টি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও মশকনিধন কর্মসূচি পালন করেছে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদল।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের নগুয়া এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশকনিধন ওষুধ ছিটানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোশতাক আহমেদ শাহীন। তিনি বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থেকে মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি নিজেদের বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি।

মোশতাক আহমেদ শাহীন বলেন, “ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ থেকে মানুষকে রক্ষা করতে আমরা জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করছি। একই সঙ্গে পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ ও মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলে ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশকনিধন ওষুধ ছিটানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের নির্দেশনা অনুযায়ী ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সারাদেশে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জেও ধারাবাহিকভাবে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো হবে।

সচেতনতামূলক লিফলেটে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া, ফুলের টব ও বিভিন্ন পাত্রের পানি নিয়মিত পরিবর্তন করা, পানি সংরক্ষণের পাত্র ঢেকে রাখা, মশারি ও মশা নিরোধক ব্যবহার এবং পুরোনো টায়ার, প্লাস্টিকের পাত্র, নারিকেলের খোসা ও ভাঙা পাত্রসহ যেসব স্থানে পানি জমতে পারে, সেগুলো অপসারণের পরামর্শ দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাইরে বের হলে শরীরের অধিকাংশ অংশ ঢেকে রাখে—এমন পোশাক পরা এবং হঠাৎ জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা শরীরব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৫২ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। স্থানীয় প্রতিবেদনে এটিকে চলতি বছরে এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের সংখ্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোশতাক আহমেদ শাহীন এর আগেও জেলা যুবদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন।

জমি বিরোধে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৯ অপরাহ্ণ
জমি বিরোধে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আবুল বাশার (৪৬) নামে এক ব্যক্তির কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি, বসতবাড়ির বারান্দায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আবুল বাশার কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে মো. কাউছার (২৯), মোছা. জাহানারা (৫৪), এসতাক (৩৮) ও হিমেলকে (২৪)। তারা সবাই কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের নিউটাউন এলাকার বাসিন্দা।

অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর বক্তব্য সূত্রে জানা যায়, জেলা শহরের নিউটাউন এলাকায় আবুল বাশারের দুই শতক জমি রয়েছে। ওই জমি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এ বিরোধের জেরে ২০২৩ সালে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন আবুল বাশার। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।

আবুল বাশারের অভিযোগ, মামলা দায়েরের পর থেকেই অভিযুক্তরা বিভিন্ন সময় মামলা থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য তাকে চাপ ও হুমকি দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে মামলায় জামিনসহ বিভিন্ন কাজে তাদের প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে দাবি করে ওই টাকা পরিশোধের জন্যও তাকে চাপ দেওয়া হচ্ছে।

আবুল বাশার জানান, দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে ক্রয়কৃত বসতবাড়িতে প্রবেশ করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ সেপ্টেম্বর সকালে অভিযুক্তরা তার বসতবাড়ির বারান্দার গ্রিলে তালা লাগিয়ে দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পরে বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে অভিযুক্তদের তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন আবুল বাশার। এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন জানিয়ে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. কাউছার তা অস্বীকার করে বলেন, আবুল বাশারের করা অভিযোগ সঠিক নয়। জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। ৫ লাখ টাকা দাবি এবং বাড়িতে তালা দেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।