শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না: অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

মো. আলী রহমান প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না: অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

“হাওরের একজন কৃষকও না খেয়ে থাকবে না। ক্ষুদ্র কৃষক ও বর্গাচাষিদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে সরকার।” — এমন আশ্বাস দিয়েছেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়ন-এর নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

নদীভাঙনের ভয়াবহতা সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, হাওরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড নদীভাঙন প্রতিরোধে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক স্রোতধারা ফিরিয়ে আনতে অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) খনন কার্যক্রম শুরু করবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “নদীভাঙন শুধু ঘরবাড়ি নয়, মানুষের জীবিকা ও ভবিষ্যৎকেও হুমকির মুখে ফেলে দিচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে এলাকাবাসীকে এই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে।”

হাওরাঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশ উন্নয়ন প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য বলেন, হাওরের খাল ও নদী পুনঃখননের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। এতে জলাবদ্ধতা কমবে, নৌযান চলাচল সহজ হবে এবং কৃষি উৎপাদনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বজ্রপাতের ঝুঁকি কমাতে হাওরাঞ্চলে কৃষক ও জেলেদের জন্য বিশেষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র বা শেড নির্মাণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে হাওরকে পরিবেশগতভাবে আরও সমৃদ্ধ করতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, হিজল, করচ ও তমালসহ দেশীয় জলজ বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান আরও বলেন, “হাওরাঞ্চলের টেকসই উন্নয়নের জন্য ৩৪টি উপজেলা নিয়ে পৃথক হাওর মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ মন্ত্রণালয় গঠিত হলে হাওরবাসীর উন্নয়নে আরও পরিকল্পিত ও কার্যকর কাজ করা সম্ভব হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা জানান, প্রতি বছর নদীভাঙন, অতিবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে হাওরাঞ্চলের মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। ফলে সরকারি উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন তারা।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উম্মে কুলসুম রেখা, সৈয়দ সাঈদ আহমদ, জাকির হোসেন মুকুল এবং সৈয়দ ফাইয়াজ হাসান বাবুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কুলিয়ারচরে যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে যুবককে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ, অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়ন-এ মো. হানিফ মিয়া (৩৪) নামে এক কাঠ ব্যবসায়ীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার(১৩ মে) গভীর রাতে নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার সকালে একটি পতিত জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটিয়েছে।

নিহত হানিফ মিয়া ফরিদপুর ইউনিয়নের আনন্দ বাজার এলাকার বাসিন্দা এবং মো. ইব্রাহিমের ছেলে। তিনি পেশায় ‘স’ মিল শ্রমিক ও কাঠ ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিবেশী লসকর মিয়ার ছেলে মো. জাকির হোসেন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

নিহতের স্ত্রী আয়েশা বেগম জানান, রাত প্রায় ১২টার দিকে হানিফ আতঙ্কিত কণ্ঠে মোবাইল ফোনে তাকে বলেন, “আমাকে বাঁচাও, জাকিররা আমাকে মেরে ফেলবে।” এ কথা শুনে পরিবারের সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে জাকিরদের বাড়িতে ছুটে যান। তবে সেখানে গিয়ে তারা বাড়ির গেট বন্ধ দেখতে পান। পরে আশপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে লসকর মিয়ার বাড়ির পূর্ব পাশে একটি পতিত ক্ষেতে হানিফের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।

খবর ছড়িয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকায় শোক ও উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত জাকির হোসেনের বাবা লসকর মিয়াকে পালিয়ে যাওয়ার সময় আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। তবে মূল অভিযুক্ত জাকিরসহ অন্যরা পালিয়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা লসকর মিয়ার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে একটি পাকা ঘর, ঘরের আসবাবপত্র এবং একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত জাকির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এলাকাবাসীর ধারণা, মাদকসংক্রান্ত বিরোধ বা পূর্বশত্রুতার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। তবে পুলিশ এখনও ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ নিশ্চিত করেনি।

কাজী আরীফ উদ্দিন জানান, বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ড ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন। সচেতন মহল বলছে, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ এবং মাদকবিরোধী কঠোর অভিযান জোরদার না হলে এ ধরনের সহিংসতা আরও বাড়তে পারে।

“চাঁদা না দেওয়ায় চাকরি গেল”—রেল কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
“চাঁদা না দেওয়ায় চাকরি গেল”—রেল কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) জুলহাসের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনে মামলা করেছেন তাঁর অধীনস্থ বাজিতপুরের E/38 গেটের গেটকিপার মো. তৌফিকুর রহমান। মামলায় আরও দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন—কিশোরগঞ্জ রেলওয়ের ভারপ্রাপ্ত হেড মিস্ত্রি উজ্জ্বল খান এবং কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী E/9 গেটের অস্থায়ী গেটকিপার সাদিকুর রহমান।

সোমবার (১১ মে) কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আমলগ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-কে নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী (পথ) জুলহাস তাঁর সহযোগী উজ্জ্বল খান ও সাদিকুর রহমানের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মচারীদের কাছ থেকে নিয়মিত মাসোহারা আদায় করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গেটকিপার তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকেও প্রতি মাসে ২ হাজার ২৫০ টাকা করে নেওয়া হতো।

তৌফিকুর রহমানের দাবি, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তিনি মাসোহারা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রথমে তাঁকে চাকরি হারানোর হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

তৌফিকুর রহমান বলেন, “চাঁদা না দেওয়ায় আমাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। স্যার (জুলহাস) উজ্জ্বল ও সাদিকুরের মাধ্যমে আমাকে খবর দেন। পরে আমি নরসিংদীতে তাঁর অতিরিক্ত কর্মস্থলের পিডব্লিউ অফিসে গিয়ে দেখা করি। সেখানে তিনি বকেয়া মাসোহারা এবং চাকরি টিকিয়ে রাখতে আরও ২ লাখ টাকা দাবি করেন।”

এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুলহাস ও তাঁর দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়।

জানা গেছে, ২০২১ সালে অস্থায়ী গেটকিপার হিসেবে চাকরি পান তৌফিকুর রহমান। চাকরি হারিয়ে বর্তমানে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও সহকর্মীরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, রেলওয়েকে দুর্নীতিমুক্ত করা এবং তৌফিকুর রহমানের চাকরি পুনর্বহালের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কটিয়াদীতে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কটিয়াদীতে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও সরকারি খাদ্য মজুদ শক্তিশালী করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন ও সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কনক কান্তি দেবনাথ, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মিজানুর রহমান স্বপন, মো. শহিদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু, শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলীসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন রাইস মিল মালিক, মিল মালিক সমিতির সদস্য এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে কটিয়াদী উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন ধান এবং মিল মালিকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি নির্ধারিত দরে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা দরে ক্রয় করা হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ।

বক্তারা বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি সহায়ক হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করতে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।