বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নঃ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শোলাকিয়ায় শুরু হলো দৃষ্টিনন্দন ফটক নির্মাণ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নঃ জেলা পরিষদের উদ্যোগে শোলাকিয়ায় শুরু হলো দৃষ্টিনন্দন ফটক নির্মাণ

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে দৃষ্টিনন্দন প্রধান ফটক নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে এই নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল।

জেলা পরিষদের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পকে ঘিরে শোলাকিয়া এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, প্রশাসনের কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

জানা গেছে, চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে অনুষ্ঠিত ১৯৯তম শোলাকিয়া ঈদের জামাতে লাখো মুসল্লির সামনে জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, পরবর্তী ঈদের আগেই ঈদগাহ ময়দানে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক ফটক নির্মাণ করা হবে। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই দ্রুত সময়ের মধ্যে দরপত্র প্রক্রিয়া ও বাজেট অনুমোদন সম্পন্ন করে নির্মাণকাজ শুরু করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঈদুল ফিতরের পরপরই দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দুই মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলামের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি। পরে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, হোসেনপুর উপজেলায় পূর্বনির্ধারিত অন্য একটি কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় সময়মতো উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন ঈদের জামাতস্থল হিসেবে পরিচিত। কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই ঈদগাহে ২৬৫টি কাতারে লক্ষাধিক মুসল্লি একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন।

ইতিহাসবিদদের তথ্যমতে, ১৮২৮ সালে সুফি সৈয়দ আহমেদের উদ্যোগে এখানে প্রথম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই শতাব্দীর ঐতিহ্য বহনকারী এই ঈদগাহে প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার জামাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশ নেন। ঈদের জামাতকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে।

স্থানীয়দের মতে, নতুন এই ফটক নির্মিত হলে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও প্রবেশব্যবস্থা আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে এটি দেশের অন্যতম ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনার মর্যাদা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও মনে করছেন তারা।

দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মিছিলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহাব্বুর রহমান মাহাবুব, আবু বাক্কার সিদ্দিক বাক্কার, আবুল হাসিম সবুজ, ফরিদ আহম্মেদ, সাদ্দাম হোসেন চাঁন মিয়া, রবিউল আলম রবিন, এ আই খান শিবলু, মোস্তাফিজ রহমান টুটুল, হোসেনপুর পৌর বিএনপি র সভাপতি এ কে এম শফিকুল হক শফিক, সাধারণ সম্পাদক মানছুরুল হক রবিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

আয়োজকেরা জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চিংড়ি মাছে ক্ষতিকর জেলি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভৈরবের পুলতাকান্দা এলাকার নৈশকালীন মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে একটি দল পুলতাকান্দা নৈশকালীন মৎস্য আড়তে অভিযান চালায়।

অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রির দায়ে আড়ত মালিক ফরহাদ মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে অন্তর ফিস এন্টারপ্রাইজ থেকে জেলি মেশানো ৩৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক অন্তর বর্মণকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ১০ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আড়ত মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে ভৈরব উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হোসেন, ভৈরব নৌপুলিশের উপপরিদর্শক মো. রহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক জানান, মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ কেজি ক্ষতিকর জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এসব চিংড়ি বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান শেষে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ, গরিব ও অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও গৃহহীন ১২৪টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক ও গৃহ নির্মাণ উপকরণ হিসেবে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সায়েদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজনু মিয়া, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়িত মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অষ্টগ্রাম উপজেলার ১২৪টি পরিবারের মধ্যে ২৫টি পরিবারের প্রত্যেককে দুই বান্ডেল করে ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাকি ৯৯টি পরিবারের প্রত্যেককে চার হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।