কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কটিয়াদীতে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও সরকারি খাদ্য মজুদ শক্তিশালী করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন ও সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কনক কান্তি দেবনাথ, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মিজানুর রহমান স্বপন, মো. শহিদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু, শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলীসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় উপজেলার বিভিন্ন রাইস মিল মালিক, মিল মালিক সমিতির সদস্য এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে কটিয়াদী উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন ধান এবং মিল মালিকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি নির্ধারিত দরে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা দরে ক্রয় করা হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ।
বক্তারা বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করতে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।







