সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

‘স্বপ্নসারথী’ কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘স্বপ্নসারথী’ কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে হাঁস-মুরগি পালন প্রশিক্ষণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে কিশোরীদের আত্মকর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্র্যাকের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কিশোরীদের মুরগি পালন, পরিচর্যা, রোগ প্রতিরোধ ও খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ব্র্যাক করিমগঞ্জ এরিয়া অফিসের হলরুমে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি এবং ব্র্যাক মাইক্রোফিন্যান্স কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রকল্পভুক্ত ‘স্বপ্নসারথী’ ২০ জন কিশোরী অংশগ্রহণ করেন।

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন করিমগঞ্জ উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মুকছুদুল হক। তিনি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালনকে একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় উদ্যোগ হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন কৌশল, রোগব্যাধি প্রতিরোধ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং খামার পরিচালনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির জোনাল ম্যানেজার প্রশান্ত কুমার দে, জেলা কো-অর্ডিনেটর সাফরিনা জান্নাত, জেলা ব্যবস্থাপক গোলাম শফিউল আলম, আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (প্রগতি) আশরাফ হোসেন এবং শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. মোবারক হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী কিশোরীদের শুধু হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক কারিগরি জ্ঞানই দেওয়া হয়নি, বরং তাদের কর্মমুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণ, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, নেতৃত্বের বিকাশ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ আলোচনা করা হয়।

বক্তারা বলেন, কিশোরীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা গেলে তারা পরিবার ও সমাজে আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার মাধ্যমে বাল্যবিবাহ, ঝরে পড়া এবং সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করা সহজ হবে।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ তাদের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে এবং ভবিষ্যতে ছোট পরিসরে খামার গড়ে তুলে আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

ব্র্যাক সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর কর্মসূচির আওতায় দেশের ৩৩টি জেলার ২৬৩টি উপজেলায় মোট ৭ হাজার ৫৬০ জন কিশোরীকে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ে সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া ২০০ জন কিশোরীকে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হবে।

আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে কিশোরীদের দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে এবং তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) শেয়ালের কামড়ে ৯ জন এবং বিড়ালের কামড়ে আরও ৩ জন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে একদিনে প্রাণীর কামড়ে আহত ১২ জন চিকিৎসা নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শেয়ালের কামড়ে আহতরা হলেন—সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা মাছিমপুর গ্রামের নারগিস আক্তার (৩৯), মেহেরা বানু (৭০) ও পেয়ারা বানু (৬৫); ফরিদপুর ইউনিয়নের নলবাইদ গ্রামের ফারুক (৫০), আবির (৯), মোশাররফ (৩৫), দিপালী রানী (২৯), মুসানা (৩২) ও সিয়াম (২২)।

এ ছাড়া বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ভাটি জগৎচর গ্রামের মুক্তা (২০), ছয়সূতি ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি গ্রামের ফারহান (৩) এবং মানিকদী গ্রামের সাকিবুল (১২)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দিনের বেলাতেও শেয়ালকে বসতিপূর্ণ এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার বলেন, ‘রোববার শেয়ালের কামড়ে সাতজন এবং এর আগের দুই দিনে আরও পাঁচজন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয় এবং কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘শেয়াল, বিড়াল বা অন্য যেকোনো প্রাণীর কামড়কে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। আক্রান্ত স্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু চিকিৎসা ছাড়া প্রাণঘাতী রোগ। তাই প্রাণীর কামড়ের ঘটনা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি উদ্বেগজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা মজুত রয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে লোকালয়ে বন্য প্রাণীর বিচরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য কটিয়াদী সফরকে সামনে রেখে সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল, উন্মুক্ত জলাশয় ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালা উদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। রোববার (২৬ জুলাই) এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীজুড়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিকেলে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় প্রথমে উপজেলার জালালপুর ও লোহাজারী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিয়ার কাটা খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন। পরে তারা চারিপাড়া সরকারি মৎস্য হ্যাচারি ঘুরে দেখেন এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসমাগম ধারণক্ষমতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সার্বিক আয়োজনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির স্থান হিসেবে উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের বেতাল দিঘিও পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. রুহুল আমিন আকিল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. রেজাউল করিম, ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসারসহ জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য অনুষ্ঠানস্থল ও উন্মুক্ত জলাশয় পরিদর্শন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির উদ্বোধন করবেন। একই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাঁচ হাজার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে সোয়েব উদ্দিন শরীফ (৩৫) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোয়েব উদ্দিন শরীফ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের কয়ারখালী গ্রামের আবদুল বারিকের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে শরীফ পাকুন্দিয়া উপজেলার ঠুটারজঙ্গল এলাকায় গাঁজা সেবন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে গাঁজাসহ আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41