বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩১ ১৪৩২

কুলিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের গাড়ির প্রচারণা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কুলিয়ারচরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের গাড়ির প্রচারণা

“দেশের চাবি আপনার হাতে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলাতেও ভোটের গাড়ির মাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে।

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে উপজেলার রামদী ইউনিয়নের আগরপুর বাসস্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে এ প্রচারণা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন ও গণভোট সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্যসমৃদ্ধ আলোকচিত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ভোটাধিকার, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং গণভোটের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

প্রদর্শিত আলোকচিত্র ও বার্তাগুলোতে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন, নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। এ সময় উপস্থিত সাধারণ মানুষ আগ্রহভরে প্রদর্শনী পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভোটাধিকার সংক্রান্ত নানা প্রশ্ন করেন।

অনুষ্ঠান পরিদর্শন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ ইয়াসিন খন্দকার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেফতাহুল হাসান, কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নূরুন্নবী, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মর্জিনা আক্তার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মুহাম্মদ মাসুদ রানা এবং রামদী ইউনিয়নের প্রশাসক ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা সুলতানা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবা সিদ্দিকী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওমর ফারুক, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী (বিএডিসি সেচ) শাওন মালাকার, উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মামুন মিয়াসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও ইউপি সদস্যগণ। তারা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রচারণার কার্যকারিতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

ইউএনও মোঃ ইয়াসিন খন্দকার বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। তাই ভোটারদের সচেতন করা এবং দায়িত্বশীলভাবে ভোট প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ভোটের গাড়ির মাধ্যমে এ ধরনের প্রচারণা মানুষের দোরগোড়ায় নির্বাচন সংক্রান্ত বার্তা পৌঁছে দিতে কার্যকর ভূমিকা রাখছে, বিশেষ করে তরুণ ও নতুন ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এটি সহায়ক।

উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তারাও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ ভোটারদের মাঝে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করছে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করছে।

প্রচারণায় অংশ নেওয়া স্থানীয়রা জানান, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে নতুন তথ্য জানতে পারছেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে আগ্রহ বাড়ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ভোটের গাড়ির মাধ্যমে এ ধরনের জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।

স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এই উদ্যোগ নির্বাচন ও গণভোট সম্পর্কে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হোসেনপুরে বিএনপি সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগ, ভোটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিএনপি সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগ, ভোটের মাধ্যমে জবাব দেওয়ার ঘোষণা

হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম মুবিনের ওপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম খান চুন্নুর ভাই মনোয়ার জিনারী ইউনিয়নের বোর্ড বাজার এলাকায় অতর্কিত হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোর্ড বাজার এলাকায় অবস্থানকালে হঠাৎ করেই এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে জহিরুল ইসলাম মুবিন শারীরিকভাবে আহত হন। ঘটনার পর তিনি মানসিকভাবেও গভীরভাবে মর্মাহত হন বলে জানা গেছে।

হামলার পরপরই স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। এ ঘটনার জেরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়ায় জহিরুল ইসলাম মুবিন বলেন, “আমি এই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা সহিংসতায় বিশ্বাস করি না। ভোটের মাধ্যমেই এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।”

এদিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, “এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র ও নির্বাচনী পরিবেশের জন্য হুমকি। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তবে অভিযুক্ত পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
বিদ্রোহী প্রার্থী ও জোটের দ্বন্দ্বে অস্বস্তি: কিশোরগঞ্জ–১ আসনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর) আসনে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীকে ঘিরে দুশ্চিন্তায় পড়েছে বিএনপি। ধানের শীষ প্রতীকের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন দলেরই এক ‘বিদ্রোহী’ নেতা। অন্যদিকে, প্রচারণা শেষ হলেও ঐক্য প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় স্বস্তিতে নেই ১১-দলীয় জোট। জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী প্রত্যাহার করলেও জোটের অন্য দুই শরিক দলের প্রার্থীরা কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। ফলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিস মনোনীত দুই প্রার্থীই নিজেদের জোটের প্রার্থী দাবি করে নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

এ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম খান (চুন্নু) স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোরগ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে নেমেছেন। তিনি এর আগে নৌকার বিপরীতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। দুই প্রার্থীই সদর ও হোসেনপুর উপজেলায় ভোটারদের কাছে উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।

১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোসাদ্দেক ভূঁইয়া প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদী এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী কেউই সরে দাঁড়াননি। দুজনই নিজ নিজভাবে জোটের প্রার্থী দাবি করে মাঠে দৌড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন। বিষয়টি সমাধানে কেন্দ্রীয় পর্যায়েও সমঝোতা সম্ভব হয়নি।

রিকশা প্রতীকের প্রার্থী হেদায়েতুল্লাহ হাদীর পক্ষে স্থানীয় জামায়াত সমর্থন জানালেও দেয়াল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী আহমদ আলী কাসেমী তা মেনে নিতে নারাজ। আহমদ আলীর দাবি, তিনিও জোটের বৈধ প্রার্থী, সে কারণেই তিনি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে রয়েছেন। এই দ্বন্দ্বের কারণে জামায়াতের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি—কাকে সমর্থন দেওয়া হবে, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন সমর্থকেরা।

১১-দলীয় ঐক্যের কারণে জামায়াতের গোছানো সাংগঠনিক মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোটের দুই প্রার্থীর টানাপোড়েনে জামায়াতের ভোটারদের মধ্যে হযবরল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যা বিরোধীদের জন্য সুবিধাজনক হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১-দলীয় জোটের এই অস্বস্তির সুযোগে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। ফলে ধানের শীষ ও মোরগ প্রতীকের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে। বিএনপি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম দলীয় কোন্দল অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন। দলীয় ভাবমূর্তি রক্ষা এবং বহিষ্কারের আশঙ্কায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বও তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে কাজ করছেন।

মনোনয়ন নিয়ে শুরুতে কিছু বিরোধিতা থাকলেও শেষ সময়ে দলের একাংশ নেতা-কর্মী তাঁর পক্ষে এককাট্টা হয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ধানের শীষের প্রার্থীই জয়ী হবেন বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।

অন্যদিকে, বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল করিম খান এলাকার পরিচিত মুখ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি অল্প সময়ের প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছিলেন। সে সময়ের নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় তিনি পরাজিত হলেও এবার ব্যক্তিগত ইমেজের কারণে চমক দেখাতে পারেন বলে মনে করছেন ভোটারদের একাংশ।

ধানের শীষের প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ভোটার ও নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে জাগরণ তৈরি হয়েছে, তাতে তিনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন বলে শতভাগ আশাবাদী।

অন্যদিকে, বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রেজাউল করিম খান বলেন, দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণির মানুষ তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এবং মোরগ প্রতীক নিয়েই তিনি বিজয়ের হাসি হাসবেন।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ। অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন—বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের মো. এনামুল হক, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্ক্সবাদী) কাঁচি প্রতীকের আলাল মিয়া, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আম প্রতীকের তারেক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মই প্রতীকের মো. মাসুদ মিয়া।

সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকাল

গাজী টিভি ও আমার দেশ পত্রিকার কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতা আসাদুজ্জামান খান চৌধুরী আজ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা সোয়া একটার দিকে জেলা শহরের নগুয়া এলাকার ‘জামান ম্যানশন’-এ বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।

তিনি নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

আজ বাদ এশা শহীদী মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে হয়বতনগর সাহেববাড়ি গোরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে।

এদিকে তাঁর মৃত্যুতে জাতীয় দৈনিক সকালবেলা ও আঞ্চলিক দৈনিক কিশোরগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।

সাংবাদিক মুনিরুজ্জামান খান চৌধুরী সোহেলের পিতার ইন্তেকালে কিশোরগঞ্জের সাংবাদিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেছেন।