বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ভূমি প্রচারে ৪৯ জেলার ডিসিদের ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভূমি প্রচারে ৪৯ জেলার ডিসিদের ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ

ভূমি সংক্রান্ত প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ৪৯ জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) অনুকূলে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৪ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত সরকারি মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়।

বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে নেত্রকোনা জেলা—৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১১০ টাকা। এরপর ফেনীতে ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭ টাকা, টাঙ্গাইলে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩১৫, রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬, রাজবাড়ীতে ৯ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮০ এবং নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা জেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৬ হাজার ৮২০ টাকা। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৮৮৭, মানিকগঞ্জে ৪ লাখ ২৯ হাজার ৫২, গাজীপুরে ৭৩ হাজার ৫০০, নরসিংদীতে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৮, ফরিদপুরে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৫, গোপালগঞ্জে ৭৬ হাজার ৮৪, মাদারীপুরে ৪৬ হাজার ৪৬০ এবং শরীয়তপুরে ৮৬ হাজার ৮৪৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪০, কক্সবাজারে ২ লাখ ২০ হাজার ৯৯৫, কুমিল্লায় ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫৫, চাঁদপুরে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৯৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৭, নোয়াখালীতে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২, ফেনীতে ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭, লক্ষ্মীপুরে ২ লাখ ৪০ হাজার ৮১০, খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭০, রাঙামাটিতে ৫৮ হাজার ৬৪০ এবং বান্দরবানে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৭৯, নাটোরে ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৪৮, বগুড়ায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৮, জয়পুরহাটে ২৬ হাজার ৪০০, পাবনায় ৭ লাখ ৯৮ হাজার ১৪ এবং সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৯২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬, কুড়িগ্রামে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫, গাইবান্ধায় ৭ লাখ ৩ হাজার ২২, দিনাজপুরে ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৫, পঞ্চগড়ে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৩, লালমনিরহাটে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪০ এবং ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ লাখ ৭ হাজার ৫৫১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৬, বাগেরহাটে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৬৩, সাতক্ষীরায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯২০, মাগুরায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩৬, কুষ্টিয়ায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬০৪, নড়াইলে ২ লাখ ২২ হাজার ৯০০, চুয়াডাঙ্গায় ৯৩ হাজার ৪৯৫, মেহেরপুরে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ এবং যশোরে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬, সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫ এবং প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের বকেয়া প্রচার ও বিজ্ঞাপন বিলও এ বরাদ্দ থেকে পরিশোধ করা যাবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো বকেয়া বিল দাবি করা যাবে না। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন। বরাদ্দের অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে গাঁজাসহ নারী আটক

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের অভিযানে ৬ কেজি গাঁজাসহ ফাতেমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ মডেল থানাধীন বিন্নাটি বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ শোয়েব ইবনে রেজার নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ লাইন পুলিশের সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স এ অভিযান পরিচালনা করে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিন্নাটি বাজার এলাকার ঈসাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে সড়কে অভিযান চালিয়ে ফাতেমা খাতুনকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

আটক ফাতেমা খাতুন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের মৃত শামসুল ইসলাম চৌধুরীর স্ত্রী। তাঁর বাবার নাম মহিবুল্লাহ এবং মায়ের নাম আছিয়া খাতুন।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ওবায়দুল্লাহ খান বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট ধারায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করেছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেন এসব তথ্য সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
পুলিশি আটকের অভিযোগ, সক্রিয় রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রায় ১২ ঘণ্টা পুলিশি ‘হেনস্থা’ ও আটকের অভিযোগ তুলে সক্রিয় রাজনীতি থেকে স্বেচ্ছাবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। বুধবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়ে এ ঘোষণা দেন তিনি।

হুমায়ুন কবীর বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আমলে তিনি আর কোনোদিন রাজ্য বিধানসভার অধিবেশনে অংশ নেবেন না। একই সঙ্গে বিধানসভা সম্পূর্ণ বয়কটের ঘোষণাও দেন তিনি।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘যে গণতান্ত্রিক নিয়মে কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই একজন বিধায়ককে পুলিশ জোর করে তুলে নিয়ে ১২ ঘণ্টা আটকে রাখতে পারে, সেই গণতন্ত্রকে আমি ঘৃণা করি। শুভেন্দু অধিকারীর মতো পুলিশমন্ত্রীর অধীনে আমি রাজনীতি করতে চাই না।’

মঙ্গলবার রেজিনগর উপনির্বাচন শুরুর এক ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে ‘আইন ভঙ্গের’ অভিযোগে পুলিশ তাঁকে আটক করে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর রাত ৮টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হেনস্থা দাবি করে হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, পুলিশি সহায়তায় নির্বাচনে অবাধে ভোট লুট চালানো হয়েছে।

২০২৬ সালের রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর—দুটি আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

হুমায়ুন কবীর জানান, নওদার ভোটারদের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এলাকায় জনপ্রতিনিধি হিসেবে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবেন। তবে বিধায়ক পদ থেকেও স্থায়ীভাবে সরে দাঁড়াবেন কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই এলাকার মানুষের মতামত নেবেন।

এ ছাড়া বিধানসভার সব সংসদীয় কমিটি, যার মধ্যে মাইনরিটি অ্যাফেয়ার্স, হাউস কমিটি ও বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি রয়েছে, সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে স্পিকারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও আর অংশ নেবেন না বলে জানান।

ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৮৯ জনে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ১ হাজার ৮৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন, রাজশাহী বিভাগে দুজন, সিলেট বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে বরিশাল বিভাগে ২০০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৬, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২১২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭১, খুলনা বিভাগে ৩৭৬, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০, রাজশাহী বিভাগে ১৭৬, রংপুর বিভাগে ৩৮ এবং সিলেট বিভাগে ১৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই মারা গেছেন ১২৯ জন।

এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৫৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩, বরিশাল বিভাগে ২৫, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫, রাজশাহী বিভাগে ২১, রংপুর বিভাগে ছয় এবং সিলেট বিভাগে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।