বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩

প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে দক্ষিণাঞ্চল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বিনিয়োগ-কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখছে দক্ষিণাঞ্চল

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে খুলনার দাকোপের নলিয়ান এলাকায় বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকেই নলিয়ান বাজারে ভিড় করছেন নানা পেশার মানুষ। তাঁদের চোখেমুখে কৌতূহল, প্রত্যাশা আর প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার অপেক্ষা। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তাব্যবস্থা।

প্রধানমন্ত্রীর দাকোপ ও বাগেরহাটের মোংলা সফর ঘিরে নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর), নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের সম্ভাব্য স্থান নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশিও চালানো হয়েছে।

সফর উপলক্ষে নলিয়ান বাজারের পশ্চিম প্রান্তের পাকা সড়ক থেকে পূর্ব দিকে কোস্ট গার্ড কার্যালয় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়কে ইট বিছিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। পাশাপাশি নলিয়ান ফরেস্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে প্রস্তুত করা হয়েছে হেলিপ্যাড।

সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে হেলিকপ্টার থেকে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পর্যবেক্ষণের পর নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণের কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখান থেকে নৌপথে তাঁর মোংলার নৌঘাঁটিতে যাওয়ার কথা। পরে দুপুরে ওয়ার রুমের সভায় যোগদান শেষে বিকেলে মোংলা বন্দরের জেটি ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর।

এদিকে সুন্দরবন এলাকায় সম্ভাব্য ভাসমান তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল স্থাপনের স্থান পরিদর্শন নিয়েও আলোচনা রয়েছে। মোংলা বন্দর সম্প্রসারণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা ও সম্ভাব্য এলএনজি টার্মিনাল ঘিরে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।

তবে উন্নয়ন ঘিরে নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি উপকূলবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোও সামনে এসেছে। দাকোপের দুর্গম এলাকায় সড়ক যোগাযোগের দুরবস্থা, সুপেয় পানির সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাব এখনো মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির কারণ। পর্যটন ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এসব সংকটের কারণে এলাকার উন্নয়ন ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে তাই শুধু তাঁকে একনজর দেখার অপেক্ষা নয়, উপকূলবাসীর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানের প্রত্যাশাও। তাঁদের আশা, দাকোপ ও মোংলা সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনার পাশাপাশি প্রান্তিক জনপদের মৌলিক সমস্যাগুলোও গুরুত্ব পাবে।

জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক রয়েছে: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২২ অপরাহ্ণ
জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক রয়েছে: রিজভী

বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। তাঁর দাবি, এ সম্পর্কের প্রমাণও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে রাজধানীর শান্তিনগর মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘বিরোধী দল জামায়াতের সঙ্গে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সম্পর্ক আছে, এটির প্রমাণ রয়েছে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক নিয়ে জামায়াত অপপ্রচার চালাচ্ছে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি অপপ্রচারকারী দল, তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আরেকটি গুপ্ত দল। এই দুটি দলের সঙ্গে অপপ্রচারে কেউ পারবে বলে মনে হয় না।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, সরকারের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার কারণে সারা দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, সরকার সফলভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এই উৎসব সম্পন্ন করতে পেরেছে।

চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যান, সে জন্য সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

দুই সপ্তাহে দুই দফা কমল সোনার দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১০ অপরাহ্ণ
দুই সপ্তাহে দুই দফা কমল সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারও কমেছে সোনার দাম। ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৪০০ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ২৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫১ হাজার ৯০০ টাকা।

এর আগে গত ১৩ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছিল। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।

এর আগে গত ৯ অক্টোবর সোনার দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা।

তরুণদের বিক্ষোভে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
তরুণদের বিক্ষোভে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ভূমিকা নিয়ে নতুন বিতর্ক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শিক্ষার্থী ও তরুণদের বিক্ষোভের পেছনে আন্তর্জাতিক বামপন্থী নেটওয়ার্কের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে ফ্রান্স ও ভারতের বিক্ষোভের মধ্যে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে মার্কিন ব্যবসায়ী নেভিল রয় সিংহাম ও ভারতীয় মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবী বিজয় প্রসাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব বিক্ষোভে তাঁদের প্রত্যক্ষ ভূমিকার অভিযোগ স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

ফক্স নিউজের  দাবি করা হয়েছে, কমিউনিস্ট, সমাজতান্ত্রিক ও ইসলামপন্থী বিভিন্ন সংগঠনের একটি নেটওয়ার্ক বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভের প্রচার ও বিস্তারে ভূমিকা রাখছে। ফ্রান্সের সাম্প্রতিক ছাত্রবিক্ষোভকে কেন্দ্র করে এই নেটওয়ার্কের তৎপরতা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। একই নেটওয়ার্ক ভারতে ছাত্রবিক্ষোভেও সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, এসব বিক্ষোভকে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও আদর্শিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। তবে বিভিন্ন দেশের আন্দোলনের কারণ ও প্রেক্ষাপট এক নয়। বিক্ষোভগুলোর মধ্যে সমন্বিত কোনো আন্তর্জাতিক পরিকল্পনা রয়েছে কি না, তা নির্ধারণে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে নেভিল রয় সিংহামের অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সিংহাম বর্তমানে চীনের সাংহাইয়ে বসবাস করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিভিন্ন দেশের বামপন্থী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমকে অর্থায়নের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

২০২৩ সালের আগস্টে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে সিংহামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানোর অভিযোগ করা হয়েছিল। ওই অর্থের একটি অংশ বামপন্থী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। ফক্স নিউজ ওই প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করে সিংহামের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে বিজয় প্রসাদকেও সিংহামের ভারতীয় সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কলকাতায় জন্ম নেওয়া প্রসাদ একজন মার্ক্সবাদী বুদ্ধিজীবী। মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ও পুঁজিবাদের সমালোচক হিসেবে তিনি পরিচিত। তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-এর নেত্রী বৃন্দা কারাতের ভাতিজা।

তবে সিংহাম ও প্রসাদ ভারতের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ সংগঠিত বা পরিচালনায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করার মতো প্রমাণ প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ফলে তাঁদের সঙ্গে বিক্ষোভগুলোর সম্ভাব্য সম্পর্কের অভিযোগকে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই।

ফক্স নিউজের প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে এক টেলিভিশন আলোচনায় ভারতের কয়েকটি বিক্ষোভের পেছনে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের ভূমিকা থাকতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়। আলোচনায় মিসরের জেসমিন বিপ্লব এবং শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালের বিভিন্ন আন্দোলনের ক্ষেত্রেও বিদেশি শক্তির সংশ্লিষ্টতা নিয়ে অতীতে ওঠা অভিযোগের প্রসঙ্গ আসে। বিজেপির পক্ষ থেকেও বিভিন্ন আন্দোলনে সরকার পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে পরিচালিত তৎপরতার ভূমিকা থাকার অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে এসব আন্দোলনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট আলাদা। কোনো একটি আন্দোলনে বিদেশি ব্যক্তি বা সংগঠনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ থাকলেই অন্য আন্দোলনগুলোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিকল্পনা ছিল বলে ধরে নেওয়া যায় না। প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিযোগের পক্ষে স্বতন্ত্র ও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।

ভারতের গণতন্ত্র ও নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগও ওই আলোচনায় উঠে আসে। রাহুল গান্ধীর দাবি, দেশে ভোট চুরি হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ছে। তিনি নির্বাচনে ব্যালট পেপার ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

এর জবাবে বিজেপির এক নেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগকে রাজনৈতিক বয়ান হিসেবে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, ২০১৪ ও ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপির জয় এবং ২০২৪ সালে আসনসংখ্যা কমে যাওয়ার পরও এনডিএ সরকারের ক্ষমতায় থাকার বিষয়টি বিরোধীদের অবস্থানের পরিবর্তন তুলে ধরে।

বিজেপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী, একই নির্বাচন কমিশনের অধীনে বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন হয়েছে এবং বিরোধী দলগুলো সেসব নির্বাচনের ফল মেনে নিয়েছে। কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ও উপদেষ্টা ‘ভোট চুরি’র বয়ান সামনে এনেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে নির্বাচন নিয়ে রাহুল গান্ধীর অভিযোগ এবং তার জবাবে বিজেপির বক্তব্য—দুটিই রাজনৈতিক পক্ষগুলোর অবস্থান। এসব দাবির সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন, অভিযোগ ও প্রমাণ আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

আলোচনায় অংশ নেওয়া সাংবাদিক গৌরব সাওয়ান্ত বলেন, বিভিন্ন দেশের বিক্ষোভের মধ্যে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ তদন্তের বিষয়। তাঁর মতে, কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন বেআইনি কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলে তা প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং আদালতে প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তরুণদের বিক্ষোভের পেছনে একই ধরনের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক অসন্তোষ কাজ করছে কি না, কিংবা কোথাও সমন্বিত সাংগঠনিক তৎপরতা রয়েছে কি না—তা বুঝতে প্রতিটি আন্দোলনের নিজস্ব প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করা জরুরি। অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে দায়ী করার আগে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ, স্বাধীন যাচাই ও যথাযথ তদন্তের প্রয়োজনীয়তাও এ আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে।