রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসছেন জার্মান ভাইস মিনিস্টার

বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও জোরদার এবং দুই দেশের সরকারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করতে তিন দিনের সরকারি সফরে আজ ঢাকায় আসছেন জার্মানির ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জার্মানির অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রণালয়ের (বিএমজেড) একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন ড. কফলার।

বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদি সহনশীলতা, অর্থনৈতিক অভিযোজন সক্ষমতা ও টেকসই প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার জার্মানি দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের যৌথ অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে চায়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এলডিসি থেকে উত্তরণের পাশাপাশি বাংলাদেশ পরিবর্তনশীল উন্নয়ন চাহিদার মুখোমুখি হচ্ছে। এ কারণে প্রথাগত সহায়তা কাঠামোর বাইরে গিয়ে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে।

সফরকালে ড. বারবেল কফলার দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক সংলাপে অংশ নেবেন। পাশাপাশি চট্টগ্রামে পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করবেন তিনি। ঢাকায় অবস্থানকালে জার্মান দূতাবাসে আয়োজিত ‘জার্মান রিইউনিফিকেশন ডে’র উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, কূটনৈতিক কোরের সদস্য এবং সাংস্কৃতিক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

কয়েক দশকের বিভাজনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৯০ সালে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনরেকত্রীকরণের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণে প্রতিবছর ‘জার্মান রিইউনিফিকেশন ডে’ উদ্‌যাপন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. বারবেল কফলারের এ সফর বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে জার্মানির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

পাকুন্দিয়ায় হোসেন্দী ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান সুরুজ মিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫০ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় হোসেন্দী ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান সুরুজ মিয়া

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ সুরুজ মিয়াকে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাঁর প্রতি সমর্থন জানিয়ে শনিবার রাতে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের চরপাড়া-আতকাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এ সভা হয়। এতে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মো. লুৎফুর রহমান মাস্টারের সভাপতিত্বে এবং জেলা ছাত্রদলের সাবেক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. ইজাজুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রুস্তম আলী ও স্বপন মেম্বার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মাসুদ, হোসেন্দী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. এমদাদুল হক সোহেল, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল মিয়া, মৎস্যদলের সভাপতি নজরুল ইসলাম, চরপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ মিয়া এবং আতকাপাড়া ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মস্তুসহ স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সভায় বক্তারা বলেন, মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর শিক্ষা, যোগ্যতা, ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বিবেচনায় তাঁকে হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান তাঁরা। সুরুজ মিয়া নির্বাচিত হলে দল-মতনির্বিশেষে এলাকার মানুষের কল্যাণে কাজ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন বক্তারা।

চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া বলেন, ‘আমি সব সময় আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আগামী দিনেও আপনাদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে একসঙ্গে পথ চলতে চাই। গত ১৭ বছরে দলের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে আমি এক মুহূর্তের জন্যও পিছিয়ে থাকিনি। দলের প্রতি আমার আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে।’

দলীয় সমর্থন পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, দল সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা বিবেচনা করলে তিনি হোসেন্দী ইউনিয়নে দলীয় সমর্থন পাবেন বলে আশা করেন।

সুরুজ মিয়া আরও বলেন, শুধু দলীয় সমর্থন পেলেই হবে না, জনগণের সমর্থনও প্রয়োজন। জনগণের ভালোবাসা ও সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচনে সফল হওয়া সম্ভব নয়। অতীতে যেভাবে দলের, এলাকার মানুষের ও দেশের জন্য কাজ করেছেন, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ করে যেতে চান তিনি।

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি আমাকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেন, তাহলে আপনাদের দেওয়া আমানতের মর্যাদা রক্ষা এবং প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আপনাদের সঙ্গে নিয়ে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিতে চাই। আপনারা পাশে থাকলে ও সহযোগিতা করলে ইনশাআল্লাহ নির্বাচনে অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করব।’

সভায় উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা সুরুজ মিয়ার প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাঁকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান বলে নিজেদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন হোসেন্দী ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া। আন্দোলনের কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে রাজধানী ঢাকায় পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। পরে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মুক্তি পান বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত সুরুজ মিয়া দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশের মধ্য দিয়ে হোসেন্দী ইউনিয়নের স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্ক, সংশোধন হচ্ছে ৩৮ লাখ আইসিটি বই

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
দাঁড়িপাল্লার ছবি নিয়ে বিতর্ক, সংশোধন হচ্ছে ৩৮ লাখ আইসিটি বই

ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পাঠ্যবইয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’র ছবি নিয়ে বিতর্কের মধ্যে ৩৮ লাখ বইয়ের সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এর মধ্যে ১৮ লাখ বই ইতিমধ্যে বিদ্যালয় পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে।

বাকি ২০ লাখ বইয়ের ছাপার কাজ চলছে। সরবরাহ করা বই ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা বাদ দিয়ে নতুন করে সংশোধিত পৃষ্ঠা যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে এনসিটিবি।

অন্যদিকে, প্রাথমিকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির বাংলা বইয়ে অপ্রাসঙ্গিকভাবে ব্যবহার করা ৮২টি নৌকার ছবি নিয়ে বিতর্ক থাকলেও চলতি বছর আর সংশোধনের সুযোগ নেই। এসব বইয়ের ছাপার কাজ প্রায় শেষ। এনসিটিবি জানিয়েছে, ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।

পাঠ্যবই পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম শ্রেণির ‘আমার বাংলা বইয়ে’ ৩৪টি, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ২৩টি এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২৫টি নৌকার ছবি রয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নৌকার ছবি প্রাসঙ্গিক হলেও বিভিন্ন পাঠের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও একাধিক জায়গায় এসব ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ‘উপাত্ত ও তথ্য’ বিষয়ে আলোচনার সময় ‘নলেজ পিরামিড’ বা জ্ঞানের পিরামিডে ‘প্রজ্ঞা’ বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

অথচ ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে একই ধারণা বোঝাতে ‘বুদ্ধি’ শব্দের সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কের ছবি রাখা হয়েছিল। ২০২৫ সালের বইয়েও ‘উইজডম’ বা প্রজ্ঞা বোঝাতে দাঁড়িপাল্লার প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছিল।

এনসিটিবির সদস্য (প্রাথমিক শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল হায়দার বলেন, প্রাথমিকের বইয়ে ব্যবহৃত ছবিগুলো বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে শিল্পীরা এঁকেছেন। বিষয়বস্তুর পরিবর্তন না হলে ছবি পরিবর্তন করা কঠিন। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষের বইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হবে।

দাঁড়িপাল্লার ছবি থাকা আইসিটি বইয়ের পৃষ্ঠা সংশোধনের বিষয়ে এনসিটিবি জানিয়েছে, উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো বই ঢাকায় ফিরিয়ে এনে সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠা পরিবর্তন করা হবে।

সাত দফা দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ
সাত দফা দাবিতে আন্দোলনে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা

দীর্ঘদিনের পদোন্নতিবঞ্চনা ও পদোন্নতিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসনসহ সাত দফা দাবিতে আন্দোলনে নামছেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ রোববার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তাঁরা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষক পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে।

আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে পদোন্নতির সরকারি আদেশ (জিও) দ্রুত জারি, ২৪তম থেকে ৩৮তম বিসিএসের যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি, ২ হাজার ৮২৩টি সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন এবং পদোন্নতিতে দীর্ঘসূত্রতা ও ক্যাডারভিত্তিক বৈষম্য দূর করা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে গত ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব সভার পরও এখন পর্যন্ত পদোন্নতির সরকারি আদেশ জারি হয়নি।

এর আগে গত ২৩ জুলাই মাউশির পক্ষ থেকে দুটি স্মারকের মাধ্যমে ডিপিসির সভা আহ্বান করা হয়েছিল। ২৭ জুলাই তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তা পিছিয়ে যায়। দীর্ঘদিনেও পদোন্নতি কার্যকর না হওয়ায় আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।

১. গত ১৬, ১৭ ও ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত ডিপিসির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতির সরকারি আদেশ অবিলম্বে জারি করতে হবে।

২. প্রযোজ্য বিধিমালা, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা অনুসারে ২৪তম থেকে ৩৮তম বিসিএসের পদোন্নতিযোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।

৩. প্রস্তাবিত ২ হাজার ৮২৩টি সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টির প্রস্তাব দ্রুত নিষ্পত্তি ও অনুমোদনের মাধ্যমে পদোন্নতির প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।

৪. বিধি ও প্রাপ্যতা অনুযায়ী যোগ্য কর্মকর্তাদের আর্থিক সুবিধাসহ ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।

৫. শিক্ষা ক্যাডারে দীর্ঘদিনের পদোন্নতিসংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রতা ও ক্যাডারভিত্তিক বৈষম্য নিরসন করে নিয়মিত, স্বচ্ছ ও সময়বদ্ধ পদোন্নতি কাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।

৬. তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে পদোন্নতির যোগ্যতা ও প্রাপ্যতাসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে সংশ্লিষ্ট ফাইলগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে।

৭. পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি বৈঠকের আয়োজন করে পদোন্নতি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করতে হবে।