বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

ক্ষমতা যতই থাকুক, স্বজনপ্রীতির ব্যবসার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ক্ষমতা যতই থাকুক, স্বজনপ্রীতির ব্যবসার সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী

বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো ধরনের পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবসা চলবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, যত বড় মন্ত্রী বা যত প্রভাবশালী ব্যক্তিই হোন না কেন, সরকারের আমলে পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে ব্যবসা করার কোনো সুযোগ থাকবে না।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরে কাস্টমস ও বন্দর কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যৌথ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমসকে প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের প্রভাবমুক্ত করা এবং বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম সহজ করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যত বড় মন্ত্রী হোক, যত বড়ই পাওয়ারফুল লোক হোক—এ সরকারের আমলে পৃষ্ঠপোষকতার কোনো সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে প্রথমে স্থিতিশীলতার দিকে এবং পরবর্তী সময়ে উচ্চ প্রবৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি ও শিল্পায়ন বাড়ানো এবং ব্যবসার জন্য একটি ইতিবাচক ও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা যাতে কোনো ধরনের অযথা বাধা ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে কাজ করছে। অতীতে বিভিন্ন ধরনের রেগুলেশন ও প্রশাসনিক জটিলতার মাধ্যমে ব্যবসা কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে। এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে ঘোষিত বাজেটে ডিরেগুলেশনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ডিরেগুলেশনকে কার্যকর ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে এই যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর ও কাস্টমস সেবা আরও সহজ ও গতিশীল করতে হবে, যাতে কোনো অপ্রয়োজনীয় বাধা ছাড়াই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের পরিচালন ব্যয় কমবে।

তিনি বলেন, বন্দরে অতিরিক্ত খরচ এবং কাস্টমসের দীর্ঘসূত্রতা ব্যবসার ব্যয় বাড়ায়। এর প্রভাব শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপর পড়ে এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে গতি আনার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সেবাগুলো সহজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে অর্থমন্ত্রী চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), কাস্টমস, চট্টগ্রাম চেম্বার, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, শিপিং এজেন্টসহ বন্দরের বিভিন্ন অংশীজনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

বৈঠকে বন্দর ও কাস্টমসের মধ্যে বিদ্যমান জটিলতা নিরসন, বন্দর ব্যবস্থাপনায় গতি ফেরানো, কাস্টমস সেবার প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং ব্যবসায়ীদের খরচ কমানোর বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সভায় চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মনিরুজ্জামানসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে একদিকে ব্যবসায়িক পরিবেশ সহজ করার উদ্যোগ এবং অন্যদিকে বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রমে প্রভাবশালী মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের বিষয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বন্দর ও কাস্টমসের সেবা দ্রুততর হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়িক ব্যয় কমানো সম্ভব হবে।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার তিন দিনের মাথায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার একটি আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম ডনের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানিতে ডনের পক্ষে জামিনের আবেদন করে যুক্তি তুলে ধরেন তার আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই দিনই তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারের পর থেকে ডন কারাগারে রয়েছেন। তিন দিনের মাথায় জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।

সালমান শাহ হত্যা মামলা দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচিত। ১৯৯৬ সালে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর পর থেকে ঘটনাটি নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার মৃত্যুর ঘটনা।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে দেশের জনগণ আর সুযোগ দেবে না। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিল। এ কারণে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে নিয়ে শেখ হাসিনা নানামুখী ষড়যন্ত্র করেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের সময় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে। একটি পরিবারকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করতে শেখ হাসিনা কোনো কিছুই বাদ রাখেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হওয়ার কারণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম শেখ হাসিনা কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারেননি। জনগণের আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এ দেশের একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মুক্তিযুদ্ধের সময় নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিলেন। এই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই, যা করেননি।’

রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের মুক্তিযুদ্ধে অবদান নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ও তার বাবা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন। জিয়াউর রহমান কেন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন—এ কারণে তার পরিবারকে প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনো মেনে নিতে পারেননি দাবি করে রিজভী বলেন, এ কারণে জিয়া পরিবারের সদস্যদের একের পর এক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে চলে যান বলেও উল্লেখ করেন রিজভী।

রিজভী বলেন, ‘আজকে কী হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

আরাফাত রহমান কোকোর ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রীড়ার উন্নয়নে কোকোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করার বিষয়েও তিনি কাজ করেছেন।

রিজভী বলেন, ‘আজকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একজন একান্ত সহকর্মী ও সতীর্থ হিসেবে যোগ্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়া উন্নয়নে কোকোর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করবেন। সময়ের মধ্যেই তিনি তা করতে পারবেন। এসব কাজ বাস্তবায়িত হলেই আরাফাত রহমান কোকোর আত্মা শান্তি পাবে।’

সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

সিলেট মহানগরের রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও এক কিশোরী গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নগরীর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন—এমএ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১১ নম্বর বাসাটির বাসিন্দা হাজী আব্দুস সাত্তার মিয়া। তিনি এলাকায় মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বাসাটিতে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কীভাবে এবং কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41