বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩

৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগে তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগে তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালু করতে চুক্তি

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বেসরকারি দুটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইজারা (লিজ) চুক্তি করেছে সরকার। চুক্তির আওতায় মিল তিনটিতে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এসব পাটকল চালু হলে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড ও খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড ইজারা নিয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। অন্যদিকে, খুলনার প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড ইজারা নিয়েছে হ্যামকো গ্রুপ।

চুক্তিতে বিজেএমসির পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার স্বাক্ষর করেন। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মিল তিনটি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালু করা হবে। এতে মোট প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। উৎপাদন শুরু হলে তিন প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি মিলগুলোর সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার দাঁড়াতে পারে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।

সিরাজগঞ্জের রায়পুরে অবস্থিত জাতীয় জুট মিলস লিমিটেডে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি পুনরায় চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

খুলনার দিঘলিয়ায় অবস্থিত স্টার জুট মিলস লিমিটেডে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।

অন্যদিকে, খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেডে প্রায় ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে কমপক্ষে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এর সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ১৪টি মিলের ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লিজগ্রহীতাদের কাছে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মিলে উৎপাদনও শুরু হয়েছে।

সরকারের এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোতে আবার উৎপাদন কার্যক্রম চালুর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পাটশিল্পে গতি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাটসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ বিজেএমসি এবং ইজারা নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ
সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার তিন দিনের মাথায় খলনায়ক আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকার একটি আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম ডনের জামিন আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করেন। শুনানিতে ডনের পক্ষে জামিনের আবেদন করে যুক্তি তুলে ধরেন তার আইনজীবী তারিকুল ইসলাম জুয়েল। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী।

উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালত আশরাফুল হক ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ওই দিনই তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গ্রেপ্তারের পর থেকে ডন কারাগারে রয়েছেন। তিন দিনের মাথায় জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।

সালমান শাহ হত্যা মামলা দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচিত। ১৯৯৬ সালে চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর পর থেকে ঘটনাটি নিয়ে নানা সময়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমের বিভিন্ন পর্যায়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার মৃত্যুর ঘটনা।

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ২:১৩ অপরাহ্ণ
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জিয়া পরিবার ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রিজভীর

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে দেশের জনগণ আর সুযোগ দেবে না। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনা ও তার পরিবার পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিল। এ কারণে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে নিয়ে শেখ হাসিনা নানামুখী ষড়যন্ত্র করেছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রাজধানীর বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রিজভী এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশের সময় আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়েছে। একটি পরিবারকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করতে শেখ হাসিনা কোনো কিছুই বাদ রাখেননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হওয়ার কারণে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়েছিল। জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম শেখ হাসিনা কোনোভাবেই বরদাশত করতে পারেননি। জনগণের আন্দোলন ও প্রতিরোধের মুখে শেখ হাসিনাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে তার ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি এ দেশের একজন বরেণ্য মুক্তিযোদ্ধা। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও মুক্তিযুদ্ধের সময় নানা প্রতিকূলতার মধ্যে ছিলেন। এই মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে ধ্বংস করার জন্য শেখ হাসিনা এমন কোনো কাজ নেই, যা করেননি।’

রিজভী আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের মুক্তিযুদ্ধে অবদান নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা ও তার বাবা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন। জিয়াউর রহমান কেন স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন—এ কারণে তার পরিবারকে প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও জনপ্রিয়তা শেখ হাসিনা কখনো মেনে নিতে পারেননি দাবি করে রিজভী বলেন, এ কারণে জিয়া পরিবারের সদস্যদের একের পর এক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। তার জ্যেষ্ঠ পুত্র ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে চিকিৎসার জন্য তারেক রহমান লন্ডনে চলে যান বলেও উল্লেখ করেন রিজভী।

রিজভী বলেন, ‘আজকে কী হয়েছে? জনগণের ধাওয়া খেয়ে শেখ হাসিনাকে পালিয়ে যেতে হয়েছে। আর শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী। তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয়।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে রিজভী বলেন, জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কাজ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই সরকার বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

আরাফাত রহমান কোকোর ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ক্রীড়ার উন্নয়নে কোকোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ক্রীড়াবিদদের খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা এবং তাদের জীবন-জীবিকার ব্যবস্থা করার বিষয়েও তিনি কাজ করেছেন।

রিজভী বলেন, ‘আজকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একজন একান্ত সহকর্মী ও সতীর্থ হিসেবে যোগ্য ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ক্রীড়া উন্নয়নে কোকোর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পন্ন করবেন। সময়ের মধ্যেই তিনি তা করতে পারবেন। এসব কাজ বাস্তবায়িত হলেই আরাফাত রহমান কোকোর আত্মা শান্তি পাবে।’

সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
সিলেটে একই বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

সিলেট মহানগরের রায়নগর মিতালি আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে স্বামী-স্ত্রী ও এক কিশোরী গৃহকর্মীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে নগরীর মিতালি আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন—এমএ সাত্তার (৮২), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহকর্মী তাহমিনা (১৫)।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১১১ নম্বর বাসাটির বাসিন্দা হাজী আব্দুস সাত্তার মিয়া। তিনি এলাকায় মুরব্বি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. মঈনুল জাকির বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে বাসাটিতে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে বিস্তারিত জানানো হবে।

তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে কীভাবে এবং কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41