রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নতুন নেতৃত্বে বাবুল ও রতন

শাহীন আলম প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির নতুন নেতৃত্বে বাবুল ও রতন

কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে মো. বদরুদুজা (বাবুল) এবং সাধারণ সম্পাদক পদে মো. শহীদুল হক ভূঞা রতন নির্বাচিত হয়েছেন। শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে তাঁরা বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রতন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, সভাপতি পদে মো. বদরুদুজা (বাবুল) ১৯৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. শহীদুল ইসলাম শহীদ পেয়েছেন ৬৭ ভোট। এ পদে অপর প্রার্থী মাখন দেবনাথ পেয়েছেন ৫৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে মো. শহীদুল হক ভূঞা রতন ২৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. খুরশিদ উজ্জামান জামাল পেয়েছেন ৪৪ ভোট। এ পদে মো. রুহুল আমিন ফেরদৌস ১৮ ভোট এবং মো. কামরুল ইসলাম ১৫ ভোট পেয়েছেন।

অন্যান্য সম্পাদকীয় পদের মধ্যে সহসাধারণ সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম ১০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এ পদে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জহিরুল ইসলাম বকুল পেয়েছেন ৯১ ভোট। অপর দুই প্রার্থী মো. দিদারুল হক আসাদ ৮০ ভোট এবং পলাশ ধর ৪৩ ভোট পেয়েছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মো. রফিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ ১৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পলাশ আচার্য্য পেয়েছেন ১২৪ ভোট এবং মো. মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ৪৫ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে মো. জসিম উদ্দিন ১৭৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ পদে মো. নূরুল হক ৭৬ ভোট এবং মো. আবু ছাত্তার ৫৫ ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনে কয়েকটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সহসভাপতি পদে মো. আক্তার হোসেন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. মতিউর রহমান, প্রচার সম্পাদক পদে গোলাপ মিয়া এবং সহপ্রচার সম্পাদক পদে মো. সোলায়মান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এ ছাড়া সাধারণ সদস্য পদে পাঁচজন প্রার্থীই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁরা হলেন মো. হাবিবুর রহমান (হাবিব), মো. গোলাম মোস্তফা, জাহিদুল ইসলাম রানা, মো. মজিবুর রহমান ও মোস্তাক আহমেদ।

ফলাফল ঘোষণার সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার আমিনুল ইসলাম রতন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে তিনি নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের অভিনন্দন জানান।

কিশোরগঞ্জে র‍্যালি-আলোচনা সভায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‍্যালি-আলোচনা সভায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কিশোরগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, ঋণের চেক ও সনদ বিতরণ এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের কালীবাড়ি মোড়সংলগ্ন নজরুল চত্বরে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম শামীমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. সিদ্দিক উল্লাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাজমুল করিম, কিশোরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল মালেক চৌধুরী এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা। এ ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তা, প্রশিক্ষণার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের বেকারত্ব দূরীকরণে যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি। এ জন্য শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য তাঁরা যুবকদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের দুটি ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। পরে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় যুব দিবসের প্রথম দিনের কর্মসূচি শেষ হয়।

নিকলীতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৪১ অপরাহ্ণ
নিকলীতে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের দাবি

‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কিশোরগঞ্জের নিকলীতে জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে যুব র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণের চেক বিতরণ করা হয়।

রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১০টায় নিকলী উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম আরা। সঞ্চালনা করেন মো. শফিকুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. ইরফানুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী অ্যাডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুল ইসলাম তালুকদার হেলিম, উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আলতাফ হোসেন, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আল মামুন, উপজেলা যুব কাউন্সিলের সদস্য আবদুল মান্নান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রফিকুল ইসলাম লিটন, সদস্যসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাকির হুসাইন, নারী উদ্যোক্তা শায়লা আক্তার, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের যুব উন্নয়নকর্মীরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা নিকলীতে একটি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। তাঁরা বলেন, প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হলে উপজেলার তরুণেরা দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন এবং সঠিক পথে নিজেদের কর্মজীবন গড়ে তুলতে পারবেন।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও শামীম আরা বলেন, যুবকদের নিজেদের অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। মনোভাব, কর্মদক্ষতা, সহনশীলতা ও কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়িয়ে নিজ নিজ দক্ষতা দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। নিজের ইচ্ছাশক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুবসমাজ দেশের মূল শক্তি। এই শক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

এ সময় তিনি যুবকদের মাদক ছেড়ে কর্মমুখী হওয়ার আহ্বান জানান।

কুলিয়ারচরে পুলিশের গুলিতে দুই নেতা নিহতের তিন বছর, বিচারের দাবিতে বাবার কান্না

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১:৩০ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে পুলিশের গুলিতে দুই নেতা নিহতের তিন বছর, বিচারের দাবিতে বাবার কান্না

‘আমার ছেলে তো আর ফিরে আসবে না। কিন্তু তার হত্যাকারীদের বিচার হলে অন্তত বুকের ভেতরের কষ্টটা কিছুটা হলেও কমবে।’ তিন বছর ধরে সন্তানের হত্যার বিচারের আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানো এক বাবার কণ্ঠে এভাবেই ঝরে পড়ে আক্ষেপ আর আকুতি।

গত ৩১ অক্টোবর ছিল ছাত্রদল নেতা রেফায়েত উল্লাহর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্তানের হত্যার বিচার পাননি তাঁর বাবা। ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন রেফায়েত উল্লাহ ও কৃষক দল নেতা বিল্লাল হোসেন।

তাঁদের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গত ৩১ অক্টোবর শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের বড় ছয়সূতী গ্রামের কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. ছিদ্দিক মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম, ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান মিজান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আজাহার উদ্দিন লিটন, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বিপ্লব, ছয়সূতী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মশিউর রহমান সজীব ও সাধারণ সম্পাদক মো. রবিন মিয়াসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। কবর জিয়ারত শেষে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বড় ছয়সূতী আরব আলী খান ফুরকানিয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদ হাসান।

কবর জিয়ারতের আগে নিহত রেফায়েত উল্লাহর বাবা মো. কাউসার মিয়া ও দলীয় নেতারা দ্রুত বিচার দাবি করেন। কাউসার মিয়া জানান, ছেলেকে হারানোর পর তাঁর লাশ দাফন করতেও চরম কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়েছিল পরিবারকে। সে সময় পরিবার ও স্বজনদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দুর্বিষহ পরিস্থিতির স্মৃতি এখনো তাঁদের তাড়িয়ে বেড়ায়। তাঁর অভিযোগ, তখন পুলিশি বাধার কারণে আত্মীয়স্বজন ও বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য এলাকায় স্বাভাবিক চলাফেরাও কঠিন হয়ে পড়েছিল।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে অবরোধ পালন করা হচ্ছিল। এ সময় পুলিশ নেতাকর্মীদের ওপর গুলি চালায়। এ ঘটনায় তৎকালীন কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফার নির্দেশনা নিয়েও অভিযোগ তোলেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বিএনপির নেতারা।

সম্প্রতি এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে অর্থ লেনদেন ও স্বার্থ হাসিলের গুঞ্জন ছড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেছে নিহতের পরিবার। তাদের দাবি, আওয়ামী লীগের লোকজনের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার মতো অসত্য অভিযোগও তোলা হচ্ছে শোকাহত পরিবারটির বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে কাউসার মিয়া বলেন, ‘একজন বাবা কি এতটাই লোভী হতে পারে যে, নিজের সন্তানের লাশের বিনিময়ে টাকা নেবে? আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমার সন্তানের হত্যাকাণ্ড নিয়ে যদি কেউ কোনো ধরনের অর্থ লেনদেন করে থাকে, তবে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সত্য বের করা হোক।’

বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতায় বিএনপি। নিহত রেফায়েত উল্লাহ ছিলেন ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী। এরপরও তিন বছরেও বিচার না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তাঁর পরিবার প্রশ্ন করেছে, ‘কেন আজও আমাদের মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হচ্ছে? আমার ছেলের হত্যার বিচার কি আমি জীবিত থাকতেও দেখে যেতে পারব না?’

সন্তান হারানোর শোকে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী মা এবং এক বাবার দীর্ঘদিনের বিচারপ্রার্থনার লড়াই যেন থামছেই না। এ অবস্থায় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এমপির কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন কাউসার মিয়া। তিনি বলেন, ‘দয়া করে আমার সন্তানের হত্যার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখুন। সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার ব্যবস্থা করুন। আমি একজন অসহায় বাবা হিসেবে আপনার কাছে ন্যায়বিচার চাই।’

নিহত রেফায়েত উল্লাহ ও বিল্লাল হোসেনের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এলাকাবাসী ও দলীয় নেতাকর্মীরা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত, সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।