শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

“এ আসন মা খালেদা জিয়ার আসন” : বাজিতপুরে ইকবাল

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৫০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
“এ আসন মা খালেদা জিয়ার আসন” : বাজিতপুরে ইকবাল


কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের ঐতিহাসিক ডাকবাংলা মাঠ বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) পরিণত হয় জনসমুদ্রে। উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত মহাসমাবেশটি বিকেল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত শুরু হয় বিকেল ৪টায়। চারদিক থেকে মিছিলের ঢল নামলে মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। স্লোগান, ব্যানার, মোটরসাইকেল বহর, টমটম ও ছোটগাড়িতে হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে পুরো উপজেলা কম্পিত হয়ে ওঠে।

সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, যিনি বাজিতপুর–নিকলী আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী। বক্তব্যে তিনি বলেন,
“বাজিতপুর–নিকলী বিএনপির ঘাঁটি, বিএনপির দুর্গ। এ আসনে যতবার নির্বাচন হয়েছে, বিএনপি বিজয়ী হয়েছে। এই আসন মা বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহ্যবাহী আসন—এ আসনে বাইরের কাউকে মনোনয়ন দিলে নেতাকর্মীরা তা মেনে নেবে না।”

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির বলেন,
“আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের নাম ঘোষণা করতে হবে। বিএনপির বাইরে আমাদের আর কোনো আশ্রয়স্থল নেই। বিএনপিই একমাত্র শক্তি।”

সমাবেশে কান্নাভরা কণ্ঠে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল আরও বলেন,
“দল আমাকে অনেক দিয়েছে। আপনাদের যে ভালোবাসা পাচ্ছি—এটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। গত ১৭ বছর ধরে হামলা–মামলার দিনেও আপনাদের পাশে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। বাজিতপুর–নিকলী আসন বিএনপির দুর্গ। নেতাকর্মীদের রক্ত–ঘাম, ত্যাগ–তিতিক্ষায় গড়া এ আসনে কোনো বহিরাগতকে মনোনয়ন দেওয়ার সুযোগ নেই। এই আসন মা খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের আদর্শের প্রতীক।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন—
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আমিনুল হক, সহসভাপতি অধ্যাপক তোফাজ্জল হোসেন বাদল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মামুনুর পুটন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শামীমুর রহমান শামীম, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মর্তুজা আলী জাহাঙ্গীর, সিনিয়র আহ্বায়ক অসিমুল হক, ছাত্রদলের উপজেলা সদস্য সচিব ইফতেখার হায়দার ইফতি, জাসাস আহ্বায়ক ফয়েজ আহমেদ মিঠু এবং উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি আলী আহসান সবুজ প্রমুখ।

হাজারো নেতাকর্মীর উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাসে ডাকবাংলো মাঠে সৃষ্টি হয় মহাসমুদ্রের মতো জনসমাবেশ—যা বাজিতপুর–নিকলীতে বিএনপির রাজনৈতিক শক্তির সুস্পষ্ট বহিঃপ্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে।

অলিম্পিক ডেতে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
অলিম্পিক ডেতে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার আহ্বান সেনাপ্রধানের

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মাধ্যমে সুস্থ, সক্রিয় ও শৃঙ্খলাপূর্ণ জীবনধারা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অলিম্পিক আন্দোলনের মূল তিন মূল্যবোধ—এক্সিলেন্স (Excellence), ফ্রেন্ডশিপ (Friendship) ও রেসপেক্ট (Respect)—সমাজের সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

শনিবার (২৭ জুন) আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অলিম্পিক ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)-এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক সহযোগিতায় রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য র‌্যালির আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ‘You Can Do This, Let’s Move’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল ক্রীড়াবিদসহ সর্বস্তরের মানুষকে নিয়মিত শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করা।

সকালে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে এয়ারপোর্ট রোড ও স্টাফ রোড লেভেল ক্রসিং প্রদক্ষিণ করে পুনরায় আর্মি স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোমুগ্ধকর ক্রীড়া প্রদর্শনী। পরে সেনাপ্রধান অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি দেশের আরও সাতটি বিভাগীয় শহরেও অলিম্পিক ডে উপলক্ষে র‌্যালি ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, অলিম্পিয়ান, প্রশিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তাসহ সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, ক্রীড়াপ্রেমী এবং গণমাধ্যমকর্মীসহ দেড় হাজারের বেশি মানুষ এ আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন।


সবশেষ দেখায় পরাজয়ের তেতো স্বাদ ব্রাজিলের, এবার প্রতিশোধের পালা

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১২:০৭ অপরাহ্ণ
সবশেষ দেখায় পরাজয়ের তেতো স্বাদ ব্রাজিলের, এবার প্রতিশোধের পালা

গ্রুপ ‘সি’-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, তা নির্ধারিত হয় ‘এফ’ গ্রুপের শেষ দিনের ম্যাচগুলোর পর।

‘এফ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় জাপান। বিশ্বকাপের নকআউট সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘সি’-এর চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হয়েছে ‘এফ’ গ্রুপের রানার্সআপ জাপান।

ফলে আগামী ২৯ জুন, বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শেষ ৩২-এর অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। নকআউট পর্বে টিকে থাকতে জয় ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প থাকবে না দুই দলের সামনেই।

শক্তি ও অভিজ্ঞতার বিচারে ব্রাজিলকে এগিয়ে রাখছেন ফুটবল বিশ্লেষকেরা। বর্তমান ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে সেলেসাওদের অবস্থান ৬ষ্ঠ, আর জাপান রয়েছে ১৮তম স্থানে। বিশ্বকাপের ইতিহাস, বড় আসরের অভিজ্ঞতা এবং তারকাবহুল স্কোয়াড—সব দিক থেকেই এগিয়ে ব্রাজিল।

তবে পরিসংখ্যান বলছে, জাপানকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। দুই দল এ পর্যন্ত ১০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ৭টিতে জয় পেয়েছে ব্রাজিল, ২টি ম্যাচ ড্র হয়েছে এবং মাত্র একবার জয় পেয়েছে জাপান।

আর সেই একমাত্র জয়ই ব্রাজিলের জন্য সতর্কবার্তা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত একটি প্রীতি ম্যাচে জাপান ৩-২ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিল সেলেসাওদের। সেই ম্যাচে অংশ নেওয়া জাপানের বেশ কয়েকজন ফুটবলার এবারও বিশ্বকাপ স্কোয়াডে রয়েছেন। ফলে তাদের আত্মবিশ্বাসও থাকবে তুঙ্গে।

অন্যদিকে, সেই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়ার পাশাপাশি শিরোপার পথে এগিয়ে যেতে মরিয়া থাকবে ব্রাজিল। নকআউট পর্বের ম্যাচ হওয়ায় শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে আক্রমণাত্মক ফুটবল দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর এই লড়াইয়ে ব্রাজিলের তারকাবহুল আক্রমণভাগ নাকি জাপানের শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দ্রুতগতির ফুটবল—কোনটি শেষ পর্যন্ত জয়ী হবে, সেটিই এখন ফুটবলপ্রেমীদের সবচেয়ে বড় কৌতূহলের বিষয়।

বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিত আরও পাঁচ দলের, ইতিহাস গড়ল কেপ ভার্দে

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপে শেষ ৩২ নিশ্চিত আরও পাঁচ দলের, ইতিহাস গড়ল কেপ ভার্দে

প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন সমীকরণ। গ্রুপপর্ব এখন শেষ পর্যায়ে। ইতোমধ্যে আটটি গ্রুপের খেলা শেষ হয়েছে, বাকি রয়েছে চারটি গ্রুপের লড়াই। শনিবার (২৭ জুন) সকালে ‘এইচ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচগুলো শেষে আরও পাঁচটি দল নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে।

সর্বশেষ সমীকরণ অনুযায়ী, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, ঘানা, মিসর ও প্যারাগুয়ে শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে। তাদের মধ্যে কেবল প্যারাগুয়ে তিনটি ম্যাচই শেষ করেছে। অন্য চার দলের এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি থাকলেও বর্তমান পয়েন্ট ও প্রতিযোগিতার হিসাব অনুযায়ী তাদের নকআউট নিশ্চিত হয়েছে।

‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে স্পেন গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অন্যদিকে, সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করেও রানার্সআপ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে।

একই সঙ্গে এই গ্রুপ থেকেই বিদায় নিয়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ও সৌদি আরব। স্পেনের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় উরুগুয়ে, আর কেপ ভার্দের বিপক্ষে জয় না পাওয়ায় বিদায় নিশ্চিত হয় সৌদি আরবের।

‘এইচ’ গ্রুপের খেলা শেষ হওয়ার পর অন্যান্য গ্রুপের সমীকরণেও বড় পরিবর্তন এসেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গ্রুপে ন্যূনতম চার পয়েন্ট পাওয়া পাঁচটি দল নিশ্চিতভাবে রাউন্ড অব ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।

তাদের মধ্যে প্যারাগুয়ে ‘ডি’ গ্রুপে তিন ম্যাচ শেষে চার পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। একই গ্রুপে শেষ ম্যাচে প্যারাগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে সমান চার পয়েন্ট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া আগেই নকআউট নিশ্চিত করেছে। গ্রুপটির শীর্ষে রয়েছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, ঘানা ও মিসরের এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে। চার দলই বর্তমানে চার পয়েন্ট নিয়ে নিজ নিজ গ্রুপে অন্তত তৃতীয় স্থানে থাকার নিশ্চয়তা পেয়েছে। ফলে শেষ ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, তাদের নকআউটে ওঠা নিশ্চিত।

তবে শেষ ম্যাচে জয় বা ড্র করলে শুধু নকআউট নয়, নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন কিংবা রানার্সআপ হওয়ার সুযোগও থাকবে দলগুলোর সামনে। অর্থাৎ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের পর্তুগাল এবং হ্যারি কেইনদের ইংল্যান্ড এখনও গ্রুপের শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে রয়েছে।

এদিকে তিন বা তার কম পয়েন্ট নিয়ে এখনও নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে কয়েকটি দল। এর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া (গ্রুপ ‘এ’), স্কটল্যান্ড (গ্রুপ ‘সি’) এবং সেনেগাল (গ্রুপ ‘আই’)। তাদের ভাগ্য নির্ভর করছে শেষ ম্যাচের ফলাফল এবং অন্যান্য গ্রুপের সমীকরণের ওপর।

অন্যদিকে, মাত্র তিন পয়েন্ট নিয়েও গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করে বিশ্বকাপে অভিষেকেই নতুন ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে।